জাতীয় ঐকমত্য সভায় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রস্তাব

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভায় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভা হয়।

সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আইনি প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে।’

গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ প্রশ্নে সবাই একমত। স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে চাই।’

জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ‘জুলাই চার্টারকে আইনি প্রক্রিয়া আনার কথা বলেছি। নতুন সংবিধানের কথা বলেছি।

আওয়ামী লীগের বিচার ইস্যুতে কথা হয়েছে। গণপরিষদের মাধ্যমে নতুন সংবিধান করার দাবি জানানো হয়েছে।’

বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টির (জাফর) মোস্তফা জামাল হালদার, বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানি, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর, গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য সুব্রত চৌধুরী, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট ও বাংলাদেশ লেবার পার্টির নেতারাও বৈঠকে ছিলেন।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

‘ইকোস অব আর্থ’ পুরস্কার পেলেন ৬ ফটোসাংবাদিক

এবারের প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ‘বায়ু, পানি ও মাটি দূষণ’ এবং ‘জ্বালানি ও পরিবেশ’। প্রতিযোগিতায় জমা পড়া ১৫০০টি ছবির মধ্য থেকে বিচারকদের রায়ে নির্বাচিত সেরা ৩৫টি ছবি প্রদর্শনীর জন্য মনোনীত হয় এবং বিজয়ী ছয়জন ফটোসাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়।

৫ ঘণ্টা আগে

যমুনা এলাকায় সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহৃত হয়নি: ডিএমপি

যমুনা ও আশপাশের এলাকায় ‘বেআইনি’ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

৫ ঘণ্টা আগে

প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে কিছু সময় পর আবারও আন্দোলনকারীরা জড়ো হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

১০ ঘণ্টা আগে

সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামানে ছত্রভঙ্গ সরকারি কর্মচারীরা, বিজিবি মোতায়েন

১২ ঘণ্টা আগে