
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব এবং জ্বালানি সংকটের মধ্যেও এখনই প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো বন্ধ রাখা বা অনলাইন ক্লাসে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই সরকারের। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, অনলাইন ক্লাসের পথে না হেঁটে সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার পক্ষেই অবস্থান করছে মন্ত্রণালয়।
সোমবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান, প্রাথমিক স্তরের শিশুদের জন্য অনলাইন ক্লাস খুব একটা ফলপ্রসূ হয় না। এ ছাড়া তিনি আশ্বস্ত করেন, স্কুল বন্ধের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী শিক্ষকদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য সচেতনতার বিষয়েও শিক্ষা দেওয়া হয়। তবে সরাসরি ক্লাস বন্ধ করে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়।
জ্বালানি সংকটের কারণে দেশ জুড়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা হলেও শিক্ষা কার্যক্রমে যাতে এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে, সেদিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখা হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রতিকূলতার মধ্যেও শিক্ষার্থীদের শিখন প্রক্রিয়া সচল রাখা সরকারের অন্যতম চ্যালেঞ্জ এবং তা সফলভাবে মোকাবিলা করা হচ্ছে।
বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ‘মিড ডে মিল’ বা দুপুরের খাবার কর্মসূচি এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যগত উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। তিনি উল্লেখ করেন, অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
মন্ত্রণালয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী জুন-জুলাই মাস নাগাদ শিক্ষা ক্ষেত্রে বেশ কিছু নতুন ও যুগোপকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার। মূলত সেই নতুন পদক্ষেপগুলোর মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি যাচাই করতেই তিনি এই ঝটিকা পরিদর্শনে নেমেছেন। পরিস্থিতির অবনতি হলে বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি অভিভাবকদের আশ্বস্ত করেন।

দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব এবং জ্বালানি সংকটের মধ্যেও এখনই প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো বন্ধ রাখা বা অনলাইন ক্লাসে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই সরকারের। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, অনলাইন ক্লাসের পথে না হেঁটে সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার পক্ষেই অবস্থান করছে মন্ত্রণালয়।
সোমবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান, প্রাথমিক স্তরের শিশুদের জন্য অনলাইন ক্লাস খুব একটা ফলপ্রসূ হয় না। এ ছাড়া তিনি আশ্বস্ত করেন, স্কুল বন্ধের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী শিক্ষকদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য সচেতনতার বিষয়েও শিক্ষা দেওয়া হয়। তবে সরাসরি ক্লাস বন্ধ করে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়।
জ্বালানি সংকটের কারণে দেশ জুড়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা হলেও শিক্ষা কার্যক্রমে যাতে এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে, সেদিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখা হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রতিকূলতার মধ্যেও শিক্ষার্থীদের শিখন প্রক্রিয়া সচল রাখা সরকারের অন্যতম চ্যালেঞ্জ এবং তা সফলভাবে মোকাবিলা করা হচ্ছে।
বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ‘মিড ডে মিল’ বা দুপুরের খাবার কর্মসূচি এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যগত উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। তিনি উল্লেখ করেন, অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
মন্ত্রণালয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী জুন-জুলাই মাস নাগাদ শিক্ষা ক্ষেত্রে বেশ কিছু নতুন ও যুগোপকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার। মূলত সেই নতুন পদক্ষেপগুলোর মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি যাচাই করতেই তিনি এই ঝটিকা পরিদর্শনে নেমেছেন। পরিস্থিতির অবনতি হলে বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি অভিভাবকদের আশ্বস্ত করেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে গ্রেপ্তার সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটি জানিয়েছে, দুর্নীতিসহ বেনজীরের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর তথ্য-প্রমাণ সংবলিত নথি চূড়ান্ত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ্যানে
৪ ঘণ্টা আগে
বিষয়টি নিশ্চিত করে মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, রোববার দিল্লির বিমানবন্দরে জাহেদ উর রহমানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে বাংলাদেশ ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ হিসেবে দেখছে এবং এ নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের নির্ধারিত কারিগরি মান (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় অথবা সংস্থাটির ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
৪ ঘণ্টা আগে
দিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে প্রবেশে বাধা দেওয়ার ঘটনায় কূটনৈতিক পর্যায়ে খোঁজখবর শুরু করেছে বাংলাদেশ। আগাম কূটনৈতিক যোগাযোগ থাকা সত্ত্বেও তাকে ইমিগ্রেশন পর্যায়ে আটকে দেওয়ার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ঢাকার কর্মকর্তারা।
৮ ঘণ্টা আগে