
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অনলাইনে শিশুর যৌন শোষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধে আইনি কাঠামো আরও জোরদার করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিশু ও যুবকদের অনলাইন সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) উদ্যোগে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ও ‘টেরে ডেস হোমস (টিডিএইচ) নেদারল্যান্ডসে’র কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন ‘স্পিক আপ!’ প্রকল্পের অধীনে আয়োজিত এক বিশেষ ওরিয়েন্টেশন সভায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) জেলা ও দায়রা জজ সম্মেলন কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সঙ্গে ‘শিশুর প্রতি অনলাইনভিত্তিক যৌন শোষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধ’ শীর্ষক এ ওরিয়েন্টেশন সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সহায়তায় অনলাইন অধিকার এবং শিশু ও যুবকদের সুরক্ষায় আইনি বিষয়গুলো সহজে ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। স্থানীয় সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনগুলোর (সিএসও) মাধ্যমে শিশু ও যুব সমাজের সদস্যদের সহায়তায় সুরক্ষা কাঠামোগুলোর সক্রিয়তা বৃদ্ধি এবং ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তাসহ অন্যান্য পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই এ ওরিয়েন্টেশনের আয়োজন করা হয়।
ওরিয়েন্টেশন সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাইদুর রহমান গাজী, সিনিয়র সহকারী জজ ও জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মো. সায়েম খান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক (জেলা জজ) মুনতাসির আহমেদ, বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সুভাষ চন্দ্র সাহা, কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. ফখর উদ্দিন এবং প্যানেল ল’ইয়ার জেসমিন চৌধুরী।

এ ছাড়া সভায় ‘স্পিক আপ!’ প্রকল্পের সিএসও প্রতিনিধি, শিশু ও যুব সদস্য এবং আইনজীবীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
সভায় আলোচকরা শিশুর প্রতি অনলাইন শোষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধে পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করার ওপর বিশেষ জোর দেন। একই সঙ্গে শিশু, নারী ও স্থানীয় কমিউনিটির সদস্যদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। এ বিষয়ে বিভিন্ন মূল্যবান পরামর্শও দেওয়া হয়।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) এ সময়োপযোগী কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান সভার সভাপতি রফিকুল ইসলাম। পরে তিনি সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
আসকের কো-অর্ডিনেটর মো. রোকনুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রকল্প কো-অর্ডিনেটর সংক্ষিপ্ত পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে ওরিয়েন্টেশনের উদ্দেশ্য এবং ‘স্পিক আপ!’ প্রকল্পের পরিচিতি ও কার্যক্রম তুলে ধরেন।

অনলাইনে শিশুর যৌন শোষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধে আইনি কাঠামো আরও জোরদার করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিশু ও যুবকদের অনলাইন সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) উদ্যোগে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ও ‘টেরে ডেস হোমস (টিডিএইচ) নেদারল্যান্ডসে’র কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন ‘স্পিক আপ!’ প্রকল্পের অধীনে আয়োজিত এক বিশেষ ওরিয়েন্টেশন সভায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) জেলা ও দায়রা জজ সম্মেলন কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সঙ্গে ‘শিশুর প্রতি অনলাইনভিত্তিক যৌন শোষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধ’ শীর্ষক এ ওরিয়েন্টেশন সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সহায়তায় অনলাইন অধিকার এবং শিশু ও যুবকদের সুরক্ষায় আইনি বিষয়গুলো সহজে ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। স্থানীয় সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনগুলোর (সিএসও) মাধ্যমে শিশু ও যুব সমাজের সদস্যদের সহায়তায় সুরক্ষা কাঠামোগুলোর সক্রিয়তা বৃদ্ধি এবং ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তাসহ অন্যান্য পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই এ ওরিয়েন্টেশনের আয়োজন করা হয়।
ওরিয়েন্টেশন সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাইদুর রহমান গাজী, সিনিয়র সহকারী জজ ও জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মো. সায়েম খান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক (জেলা জজ) মুনতাসির আহমেদ, বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সুভাষ চন্দ্র সাহা, কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. ফখর উদ্দিন এবং প্যানেল ল’ইয়ার জেসমিন চৌধুরী।

এ ছাড়া সভায় ‘স্পিক আপ!’ প্রকল্পের সিএসও প্রতিনিধি, শিশু ও যুব সদস্য এবং আইনজীবীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
সভায় আলোচকরা শিশুর প্রতি অনলাইন শোষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধে পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করার ওপর বিশেষ জোর দেন। একই সঙ্গে শিশু, নারী ও স্থানীয় কমিউনিটির সদস্যদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। এ বিষয়ে বিভিন্ন মূল্যবান পরামর্শও দেওয়া হয়।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) এ সময়োপযোগী কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান সভার সভাপতি রফিকুল ইসলাম। পরে তিনি সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
আসকের কো-অর্ডিনেটর মো. রোকনুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রকল্প কো-অর্ডিনেটর সংক্ষিপ্ত পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে ওরিয়েন্টেশনের উদ্দেশ্য এবং ‘স্পিক আপ!’ প্রকল্পের পরিচিতি ও কার্যক্রম তুলে ধরেন।

মামলার নথি ও দুদক সূত্রে জানা গেছে, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সুপর্ণা সুর, তার স্বামী এস কে সুর এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে অর্জিত সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ দাখিলের জন্য সুপর্ণাকে নোটিশ দেওয়া হয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, তার হাতে এখনো অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সাত মাসের মধ্যে সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে উদ্যোগ এবং কাজের গতি দৃশ্যমান হওয়া দরকার। উপাচার্যের নেতৃত্বে যে দল গঠন করা হয়েছে, তাদের উৎপাদনশীলতা ও
২ ঘণ্টা আগে
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন এবং পুলিশ সদস্যদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
২ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক দিনের সফরে সিলেটে যান রাষ্ট্রপতি। সফরের শুরুতেই তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে গিয়ে জিয়ারত করেন। এরপর যান হজরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজারে। সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে