
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সীতাকুণ্ডের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ৮ বছর বয়সী শিশু ইরা মনিকে শ্বাসনালী কেটে হত্যার ঘটনায় আসামি বাবু শেখকে (৪৫) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। নৃশংস এ হত্যকাণ্ডের চার মাসের মাথায় আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক জান্নাতুল ফেরদৌস এ রায় ঘোষণা করেন।
ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী আব্বাস হোসেন জানিয়েছেন, হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় বাবু শেখের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। এ ছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৭ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৯ ধারায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
নিহত জান্নাতুল নেসা ইরা মনির বাড়ি সীতাকুণ্ডের ছোট কুমিরা মাস্টার পাড়ায়। স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল সে। তার বাবা মনিরুল ইসলাম পেশায় একজন টমটম চালক।
ইরার মৃত্যুর পর ৩ মার্চ দুপুরে সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরা এলাকা থেকে বাবু শেখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানার মধ্যম পুলুপাড়ায়। তিনি সীতাকুণ্ডে ইরা মনির পরিবারের পাশের ঘরে থাকতেন।
চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিলেন, ইরা মনির বাবা মনিরুলের সঙ্গে বিরোধের জেরে তার ৮ বছরের মেয়েকে হত্যার পরিকল্পনা করে বাবু শেখ। এর অংশ হিসেবে শিশুটিকে ফুঁসলিয়ে সীতাকুণ্ডের পাহাড়ে নিয়ে প্রথমে ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ এবং পরে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা চালান।
১ মার্চ সকালে ইরা মনিকে চকলেট কিনে দেওয়ার ও বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে, ঘর থেকে বের করে নিয়ে আসেন বাবু শেখ। পরে বাসে করে কুমিরা থেকে সীতাকুণ্ডে যান। সেখান থেকে হেঁটে তারা বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকার পাহাড়ে যান।
ঘটনার দিন দুপুরে ওই পাহাড়ে সড়ক সংস্কার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা ‘গলা কাটা অবস্থায়’ ইরা মনিকে দেখতে পান। জঙ্গল থেকে পায়ে হেঁটে শিশুটি শ্রমিকদের কাছে পৌঁছেছিল। এরপর শ্রমিকরা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তাকে পাঠানো হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে দুদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ৩ মার্চ মারা যায় শিশুটি।
বাবু শেখকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে ঘটনার বর্ণনায় পুলিশ জানিয়েছিল, শিশুটিকে পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি। শিশুটি এ ঘটনা লোকজনকে বলে দেবে বলে চিৎকার করলে বাবু শেখ চাকু দিয়ে গলা কেটে তাকে ফেলে রেখে চলে আসে।
এ ঘটনায় ইরা মনির মায়ের করা মামলায় তদন্ত শেষে ১১ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। অভিযোগ গঠন করা হয় ১৮ জুন। এরপর সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয় ২১ জুন থেকে। মোট ৬ কার্যদিবসে ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শোনে আদালত। আসামি বাবু শেখ ৩০ জুন আদালতে সাফাই সাক্ষ্য দেন। ২ জুলাই যুক্তি-তর্ক শুনানি শেষে মামলাটি রায়ে পর্যায়ে আসে।

সীতাকুণ্ডের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ৮ বছর বয়সী শিশু ইরা মনিকে শ্বাসনালী কেটে হত্যার ঘটনায় আসামি বাবু শেখকে (৪৫) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। নৃশংস এ হত্যকাণ্ডের চার মাসের মাথায় আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক জান্নাতুল ফেরদৌস এ রায় ঘোষণা করেন।
ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী আব্বাস হোসেন জানিয়েছেন, হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় বাবু শেখের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। এ ছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৭ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৯ ধারায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
নিহত জান্নাতুল নেসা ইরা মনির বাড়ি সীতাকুণ্ডের ছোট কুমিরা মাস্টার পাড়ায়। স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল সে। তার বাবা মনিরুল ইসলাম পেশায় একজন টমটম চালক।
ইরার মৃত্যুর পর ৩ মার্চ দুপুরে সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরা এলাকা থেকে বাবু শেখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানার মধ্যম পুলুপাড়ায়। তিনি সীতাকুণ্ডে ইরা মনির পরিবারের পাশের ঘরে থাকতেন।
চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিলেন, ইরা মনির বাবা মনিরুলের সঙ্গে বিরোধের জেরে তার ৮ বছরের মেয়েকে হত্যার পরিকল্পনা করে বাবু শেখ। এর অংশ হিসেবে শিশুটিকে ফুঁসলিয়ে সীতাকুণ্ডের পাহাড়ে নিয়ে প্রথমে ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ এবং পরে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা চালান।
১ মার্চ সকালে ইরা মনিকে চকলেট কিনে দেওয়ার ও বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে, ঘর থেকে বের করে নিয়ে আসেন বাবু শেখ। পরে বাসে করে কুমিরা থেকে সীতাকুণ্ডে যান। সেখান থেকে হেঁটে তারা বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকার পাহাড়ে যান।
ঘটনার দিন দুপুরে ওই পাহাড়ে সড়ক সংস্কার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা ‘গলা কাটা অবস্থায়’ ইরা মনিকে দেখতে পান। জঙ্গল থেকে পায়ে হেঁটে শিশুটি শ্রমিকদের কাছে পৌঁছেছিল। এরপর শ্রমিকরা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তাকে পাঠানো হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে দুদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ৩ মার্চ মারা যায় শিশুটি।
বাবু শেখকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে ঘটনার বর্ণনায় পুলিশ জানিয়েছিল, শিশুটিকে পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি। শিশুটি এ ঘটনা লোকজনকে বলে দেবে বলে চিৎকার করলে বাবু শেখ চাকু দিয়ে গলা কেটে তাকে ফেলে রেখে চলে আসে।
এ ঘটনায় ইরা মনির মায়ের করা মামলায় তদন্ত শেষে ১১ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। অভিযোগ গঠন করা হয় ১৮ জুন। এরপর সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয় ২১ জুন থেকে। মোট ৬ কার্যদিবসে ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শোনে আদালত। আসামি বাবু শেখ ৩০ জুন আদালতে সাফাই সাক্ষ্য দেন। ২ জুলাই যুক্তি-তর্ক শুনানি শেষে মামলাটি রায়ে পর্যায়ে আসে।

শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরবি বিভাগের সাতজন; ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ, অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং আইন বিভাগের তিনজন করে শিক্ষার্থী রয়েছেন। ভূগোল ও পরিবেশ, ইংরেজি এবং দর্শন বিভাগ থেকে শাস্তি
২ দিন আগে
নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
২ দিন আগে
বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার জনমিতিক পরিবর্তন নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। সরকারগুলো যদি এখনই স্কুলব্যবস্থার পরিকল্পনা করে এবং এই পরিবর্তন থেকে পাওয়া সুবিধা আবার শিক্ষায় বিনিয়োগ করে, তাহলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়াকে প্রতিটি শিশুর জন্য আরও উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করার স
২ দিন আগে
নির্দেশনায় বলা হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব দাপ্তরিক মূল ভবন এবং জেলা পরিষদের আওতাধীন স্থাপনাগুলোতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে।
২ দিন আগে