বারিধারায় শ্রমিককে চাপা দেওয়া গাড়ির কিশোর চালক গ্রেপ্তার

রাজধানীর বারিধারায় শ্রমিককে চাপা দেওয়া প্রাইভেট কারের চালকের আসনে থাকা কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শ্রমিককে চাপা দিয়ে গাড়ি থেকে নেমে আসা ওই কিশোরকে পুলিশ প্রথমে ছেড়ে দিয়েছিল, যা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।
গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর জানিয়েছেন, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ১৬ বছর বয়সী ওই কিশোরকে তার গুলশানের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ওই প্রাইভেট কারে বারিধারায় ফুটপাতে বসা নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসানের (২৪) চাপা পড়ার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাড়িটি চালাচ্ছিল এক কিশোর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতেও দুর্ঘটনার পর ওই কিশোরকে গাড়ি থেকে নামতে দেখা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শ্রমিককে চাপা দেওয়ার পর ওই কিশোর যখন গাড়ি থেকে নেমে আসে তখন তাকে আটকে ফেলেন স্থানীয়রা। তাকে ধরে নিয়ে পুলিশেও দেন তারা। পুলিশ তাকে হেফাজতে নিলেও রাতে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়।
নিহত মেহেদীর বাড়ি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় গ্রামের হাজীপাড়ায়। সেখানে বুধবার বিকেলে তার মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
এদিকে নিহত শ্রমিক মেহেদীর বড় ভাই মোক্তাদীর ইসলাম এ ঘটনায় গুলশান থানায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করেছেন। সে মামলার এজাহারে গাড়ির চালক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে আকাশ মারক (৪৪) নামে একজনকে। বলা হয়েছে, তিনি বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে মেহেদীকে চাপা দেন। এতে তার মাথা, বুক ও পিঠে গুরুতর জখম হয় এবং দুর্ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।














-2e9586-256x144.webp)



