সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে ‘বাধা নেই’

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১২ মে ২০২৬, ১৪: ৩৮
সাবেক বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। ছবি: সংগৃহীত
সাবেক বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ী থানার মাদরাসা ছাত্র আরিফ ও আদাবর থানার রুবেল হত্যা মামলায় জামিন পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিন মঞ্জুর করেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু এবং জাহাঙ্গীর হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা। খায়রুল হকের মুক্তিতে আপাতত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু।

গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলা, মাদরাসা ছাত্র আরিফ হত্যা মামলা ও আদাবর থানার রুবেল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

পরে সরকারব্যবস্থা সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে খায়রুল হকের বিরুদ্ধে গত বছরের ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন একটি মামলা করেন। একই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় ২৫ আগস্ট আরেকটি মামলা করেন নুরুল ইসলাম মোল্লা নামে এক ব্যক্তি।

এ ছাড়া বিধিবহির্ভূতভাবে প্লট গ্রহণের অভিযোগে গত বছরের আগস্টে খায়রুল হকের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

পাঁচ মামলার মধ্যে জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদল কর্মী আহাদ হত্যা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে করা পৃথক চার মামলায় হাইকোর্ট গত ৮ মার্চ খায়রুল হককে জামিন দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা অপর মামলায় হাইকোর্ট থেকে তিনি ১১ মার্চ জামিন পান।

এরপর হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে পৃথক আবেদন করে। আবেদনগুলো গত ৮ এপ্রিল আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতের কার্যতালিকায় ওঠে। সেদিন আদালত আবেদনগুলো আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য ২৬ এপ্রিল তারিখ নির্ধারণ করেন। শুনানিতে আপিল বিভাগও জামিন স্থগিতের আবেদন খারিজ করে খায়রুল হকের জামিন বহাল রাখেন।

উল্লেখ্য, এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দিয়েছিলেন।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement
সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে ‘বাধা নেই’