
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ পিছিয়ে গেছে। আগামী ২৭ অক্টোবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ঢাকা মহানগরের সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন পিছিয়েছে।
ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে সিনিয়র অফিসার মো. আবদুচ ছামাদ ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। পরে বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে মামলাটি আমলে নেন। একই সঙ্গে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুদককে নির্দেশ দেন আদালত।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি দায়িত্বে থাকাকালে তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করা যায় না। এ মামলাটি যখন করা হয়, মো. সাহাবুদ্দিন তখনও রাষ্ট্রপতি ছিলেন। গত জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার পর মামলার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
মামলায় ২০ আসামির বিরুদ্ধে ‘দুর্নীতি, প্রতারণা ও অবৈধ বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ব্যাংকের অর্থ লুণ্ঠন ও আত্মসাতের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে পারস্পরিক যোগসাজশে’ ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের নামে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার অধিগ্রহণের অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১২ নম্বর আসামি করা হয়েছে মো. সাহাবুদ্দিনকে। তার পরিচয় দিতে গিয়ে বলা হয়েছে, তিনি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালক। পাশে ব্র্যাকেটের ভেতরে বলা হয়েছে, ‘জে এম সি বিল্ডার্স লিমিটেড কর্তৃক মনোনীত এবং ১ নম্বর ও ৩ নম্বর আসামির যোগসাজশে নির্বাচিত’।
জে এম সি বিল্ডার্স লিমিটেডের প্রতিনিধি হিসেবে ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক ও পরে ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছিলেন দুদকের সাবেক কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিন। ব্যাংকের অডিট কমিটিরও সদস্য ছিলেন তিনি। ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী তিনি সেই পদ ছেড়ে দেন।
মামলার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর বাদী আবদুচ ছামাদ বলেছিলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনই এ মামলার আসামি। তার দাবি, অভিযোগের সময়কাল তিনি রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগের। ইসলামী ব্যাংকের সাবেক পরিচালক হিসেবে তাকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অপর আসামিরা হলেন— ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল ওয়াহেদ, ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মিরফাত আরা বেগম, এস আলম গ্রুপ ও এস আলম সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ওরফে এস আলম, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালক মো. জয়নাল আবেদিন, আরাস্ত খান, অধ্যাপক মো. নাজমুল হাসান, আবু সাইদ মোহাম্মদ কাশেম, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, সৈয়দ আবু আসাদ, মো. কামরুল হোসেন, আহসান আলম, ডা. মো. সেলিম উদ্দিন, শওকত হোসেন, খুরশিদ-উল-আলম, ডা. কাজী শহীদুল আলম, মেজর জেনারেল (অব.) আবদুল মতিন, জামাল মোস্তফা চৌধুরী ও ডা. মো. সিরাজুল করিম।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিদের পরিচালিত ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেড ইসলামী ব্যাংকের ৭ কোটি ৭৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৯৩টি শেয়ার অধিগ্রহণ করে, যা কোম্পানির মোট শেয়ারের ৪ দশমিক ৮১৬০ শতাংশ। এসব শেয়ারের মোট দাম ২৫১ কোটি টাকা।
ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা হলেও পরিশোধিত মূলধন ছিল মাত্র ৮ লাখ টাকা। মাত্র ৮ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের একটি কোম্পানির নামে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার অধিগ্রহণ আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ কারণে আসামিরা ‘পরিকল্পিতভাবে, পরস্পরের যোগসাজশে অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে’ এ লেনদেন সম্পন্ন করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ইসলামী ব্যাংকের মোট ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণ করেছিল ২৪টি শেয়ারহোল্ডার কোম্পানি, যার অনেকগুলোই এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এই শেয়ার স্থানান্তরের প্রক্রিয়া, অর্থের উৎস এবং ক্রয়-বিক্রয়ের তারিখ সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, শেয়ার বিক্রি ও কেনার তারিখ একই। অর্থাৎ শেয়ার হস্তান্তরের প্রক্রিয়াটি পূর্ব-পরিকল্পিত ও সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘এস আলম গ্রুপ, তার মালিক এবং উচ্চপর্যায়ের কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট ২৪টি কোম্পানি এবং তাদের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত পরিচালকেরা সম্মিলিতভাবে এই ব্যাংকের উপর দখল প্রতিষ্ঠার কৌশল অবলম্বন করেছেন এবং তার দায়-দায়িত্বও সম্মিলিতভাবেই তাদের ওপর বর্তায়। এই প্রক্রিয়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বার্থসংশ্লিষ্ট লেনদেন ও বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যাংকের স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, অবৈধভাবে নিজেরা লাভবান হয়ে জনগণের অর্থের তছরুপে একই অভিপ্রায়ে ফৌজদারী বিশ্বাস ভঙ্গ করেছে।’

সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ পিছিয়ে গেছে। আগামী ২৭ অক্টোবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ঢাকা মহানগরের সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন পিছিয়েছে।
ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে সিনিয়র অফিসার মো. আবদুচ ছামাদ ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। পরে বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে মামলাটি আমলে নেন। একই সঙ্গে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুদককে নির্দেশ দেন আদালত।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি দায়িত্বে থাকাকালে তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করা যায় না। এ মামলাটি যখন করা হয়, মো. সাহাবুদ্দিন তখনও রাষ্ট্রপতি ছিলেন। গত জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার পর মামলার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
মামলায় ২০ আসামির বিরুদ্ধে ‘দুর্নীতি, প্রতারণা ও অবৈধ বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ব্যাংকের অর্থ লুণ্ঠন ও আত্মসাতের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে পারস্পরিক যোগসাজশে’ ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের নামে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার অধিগ্রহণের অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১২ নম্বর আসামি করা হয়েছে মো. সাহাবুদ্দিনকে। তার পরিচয় দিতে গিয়ে বলা হয়েছে, তিনি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালক। পাশে ব্র্যাকেটের ভেতরে বলা হয়েছে, ‘জে এম সি বিল্ডার্স লিমিটেড কর্তৃক মনোনীত এবং ১ নম্বর ও ৩ নম্বর আসামির যোগসাজশে নির্বাচিত’।
জে এম সি বিল্ডার্স লিমিটেডের প্রতিনিধি হিসেবে ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক ও পরে ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছিলেন দুদকের সাবেক কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিন। ব্যাংকের অডিট কমিটিরও সদস্য ছিলেন তিনি। ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী তিনি সেই পদ ছেড়ে দেন।
মামলার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর বাদী আবদুচ ছামাদ বলেছিলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনই এ মামলার আসামি। তার দাবি, অভিযোগের সময়কাল তিনি রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগের। ইসলামী ব্যাংকের সাবেক পরিচালক হিসেবে তাকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অপর আসামিরা হলেন— ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল ওয়াহেদ, ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মিরফাত আরা বেগম, এস আলম গ্রুপ ও এস আলম সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ওরফে এস আলম, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালক মো. জয়নাল আবেদিন, আরাস্ত খান, অধ্যাপক মো. নাজমুল হাসান, আবু সাইদ মোহাম্মদ কাশেম, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, সৈয়দ আবু আসাদ, মো. কামরুল হোসেন, আহসান আলম, ডা. মো. সেলিম উদ্দিন, শওকত হোসেন, খুরশিদ-উল-আলম, ডা. কাজী শহীদুল আলম, মেজর জেনারেল (অব.) আবদুল মতিন, জামাল মোস্তফা চৌধুরী ও ডা. মো. সিরাজুল করিম।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিদের পরিচালিত ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেড ইসলামী ব্যাংকের ৭ কোটি ৭৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৯৩টি শেয়ার অধিগ্রহণ করে, যা কোম্পানির মোট শেয়ারের ৪ দশমিক ৮১৬০ শতাংশ। এসব শেয়ারের মোট দাম ২৫১ কোটি টাকা।
ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা হলেও পরিশোধিত মূলধন ছিল মাত্র ৮ লাখ টাকা। মাত্র ৮ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের একটি কোম্পানির নামে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার অধিগ্রহণ আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ কারণে আসামিরা ‘পরিকল্পিতভাবে, পরস্পরের যোগসাজশে অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে’ এ লেনদেন সম্পন্ন করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ইসলামী ব্যাংকের মোট ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণ করেছিল ২৪টি শেয়ারহোল্ডার কোম্পানি, যার অনেকগুলোই এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এই শেয়ার স্থানান্তরের প্রক্রিয়া, অর্থের উৎস এবং ক্রয়-বিক্রয়ের তারিখ সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, শেয়ার বিক্রি ও কেনার তারিখ একই। অর্থাৎ শেয়ার হস্তান্তরের প্রক্রিয়াটি পূর্ব-পরিকল্পিত ও সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘এস আলম গ্রুপ, তার মালিক এবং উচ্চপর্যায়ের কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট ২৪টি কোম্পানি এবং তাদের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত পরিচালকেরা সম্মিলিতভাবে এই ব্যাংকের উপর দখল প্রতিষ্ঠার কৌশল অবলম্বন করেছেন এবং তার দায়-দায়িত্বও সম্মিলিতভাবেই তাদের ওপর বর্তায়। এই প্রক্রিয়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বার্থসংশ্লিষ্ট লেনদেন ও বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যাংকের স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, অবৈধভাবে নিজেরা লাভবান হয়ে জনগণের অর্থের তছরুপে একই অভিপ্রায়ে ফৌজদারী বিশ্বাস ভঙ্গ করেছে।’

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণে এয়ারবাস কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, যেকোনো ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে
২ ঘণ্টা আগে
মামলার নথি ও দুদক সূত্রে জানা গেছে, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সুপর্ণা সুর, তার স্বামী এস কে সুর এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে অর্জিত সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ দাখিলের জন্য সুপর্ণাকে নোটিশ দেওয়া হয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, তার হাতে এখনো অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সাত মাসের মধ্যে সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে উদ্যোগ এবং কাজের গতি দৃশ্যমান হওয়া দরকার। উপাচার্যের নেতৃত্বে যে দল গঠন করা হয়েছে, তাদের উৎপাদনশীলতা ও
৩ ঘণ্টা আগে
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন এবং পুলিশ সদস্যদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
৩ ঘণ্টা আগে