
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘ডিসেম্বরে আসবেন, জানুয়ারিতে আসবেন— এটা আপনার ব্যাপার। কিন্তু আপনাকে তো আমরা কালকেই চাই। অতএব কোনো স্ট্যান্টবাজি করবেন না। এখানে আর কোনো অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করবেন না।’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে আজ শনিবার (১১ জুলাই) আয়োজিত অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর। বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলাকেন্দ্রে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন।
চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশ নতুন একটি রাজনৈতিক বাস্তবতা পেয়েছে। সেই আত্মত্যাগের স্বীকৃতি দিতে হবে এবং বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে কোনো ধরনের বিভাজন সৃষ্টি করা যাবে না।
আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘যারা চায় না এই বিচার হোক, যারা আবার উঁকিঝুঁকি দিয়ে দেশে ফেরত আসতে চায়। তাদের লক্ষ্য যেন সফল না হয়, সে জন্য আমাদের ঐক্য বজায় রাখতে হবে।’
বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে। তদন্ত ও বিচারকাজ এগিয়ে নিতে জনবল ও অবকাঠামো বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বিচারের প্রশ্নে হতাশ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। প্রতিটি ঘটনার চুলচেরা বিশ্লেষণ করে বিচার নিশ্চিত করা হবে।’
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে সংঘটিত অপরাধের বিচার শুধু ব্যক্তি পর্যায়ে নয়, সাংগঠনিক পর্যায়েও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের ভূমিকা নিয়েও তদন্ত চলছে এবং এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে।
আওয়ামী লীগের নেতাদের দেশে ফেরার বিভিন্ন ঘোষণা প্রসঙ্গে আমিনুল ইসলাম বলেন, ফাঁকা বুলি দিয়ে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর আর সুযোগ নেই। দেশের মানুষ আর কোনো ধরনের কর্তৃত্ববাদী শাসন ফিরে আসুক, তা চায় না।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘ডিসেম্বরে আসবেন, জানুয়ারিতে আসবেন— এটা আপনার ব্যাপার। কিন্তু আপনাকে তো আমরা কালকেই চাই। অতএব কোনো স্ট্যান্টবাজি করবেন না। এখানে আর কোনো অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করবেন না।’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে আজ শনিবার (১১ জুলাই) আয়োজিত অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর। বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলাকেন্দ্রে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন।
চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশ নতুন একটি রাজনৈতিক বাস্তবতা পেয়েছে। সেই আত্মত্যাগের স্বীকৃতি দিতে হবে এবং বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে কোনো ধরনের বিভাজন সৃষ্টি করা যাবে না।
আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘যারা চায় না এই বিচার হোক, যারা আবার উঁকিঝুঁকি দিয়ে দেশে ফেরত আসতে চায়। তাদের লক্ষ্য যেন সফল না হয়, সে জন্য আমাদের ঐক্য বজায় রাখতে হবে।’
বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে। তদন্ত ও বিচারকাজ এগিয়ে নিতে জনবল ও অবকাঠামো বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বিচারের প্রশ্নে হতাশ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। প্রতিটি ঘটনার চুলচেরা বিশ্লেষণ করে বিচার নিশ্চিত করা হবে।’
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে সংঘটিত অপরাধের বিচার শুধু ব্যক্তি পর্যায়ে নয়, সাংগঠনিক পর্যায়েও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের ভূমিকা নিয়েও তদন্ত চলছে এবং এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে।
আওয়ামী লীগের নেতাদের দেশে ফেরার বিভিন্ন ঘোষণা প্রসঙ্গে আমিনুল ইসলাম বলেন, ফাঁকা বুলি দিয়ে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর আর সুযোগ নেই। দেশের মানুষ আর কোনো ধরনের কর্তৃত্ববাদী শাসন ফিরে আসুক, তা চায় না।

শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরবি বিভাগের সাতজন; ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ, অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং আইন বিভাগের তিনজন করে শিক্ষার্থী রয়েছেন। ভূগোল ও পরিবেশ, ইংরেজি এবং দর্শন বিভাগ থেকে শাস্তি
২ দিন আগে
নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
২ দিন আগে
বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার জনমিতিক পরিবর্তন নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। সরকারগুলো যদি এখনই স্কুলব্যবস্থার পরিকল্পনা করে এবং এই পরিবর্তন থেকে পাওয়া সুবিধা আবার শিক্ষায় বিনিয়োগ করে, তাহলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়াকে প্রতিটি শিশুর জন্য আরও উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করার স
২ দিন আগে
নির্দেশনায় বলা হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব দাপ্তরিক মূল ভবন এবং জেলা পরিষদের আওতাধীন স্থাপনাগুলোতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে।
২ দিন আগে