
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই অভ্যুত্থানের ঐক্যের ফাটলের সুযোগ নিয়ে ওই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শক্তি দিল্লিতে বসে হুমকি দিচ্ছে বলে মনে করছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। একই সঙ্গে তিনি এমন হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন— যত হুংকার-হুমকিই দেওয়া হোক না কেন, দেশে আর কখনো ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন হতে দেওয়া হবে না।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও গণহত্যার বিচার’ শীর্ষক জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন।
জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার একটি সাক্ষাৎকার সম্প্রতি প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তাতে শেখ হাসিনা বলেছেন, তিনি ডিসেম্বর নাগাদ দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে দেশে ফিরবেন এবং আত্মসমর্পণ করবেন।
শেখ হাসিনার এ সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, আমাদের মধ্যে বিভেদের সুর দেখে দিল্লিতে বসে হুংকার ছাড়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, আত্মসমর্পণ করবেন। আমি আপনার (স্পিকার) মাধ্যমে গোটা জাতিকে জানাতে চাই, যারা হুংকার দিচ্ছেন, বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে তাদের আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ থাকবে না।
মন্ত্রী বলেন, কারণ, আইনের কাছে তারা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। বাংলাদেশের সীমানায় ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে তারা গ্রেপ্তার হবেন। প্রতিটি হুংকার আমরা সংঘবদ্ধ হব, দেশের জন্য এক কাতারে দাঁড়াব।
জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারিক কার্যক্রমের অগ্রগতিও সংসদ অধিবেশনে তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৬টি তদন্ত শেষ হয়েছে। এর মধ্যে ১২টির প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। চারটি মামলার অভিযোগও গঠন করা হয়েছে। এরই মধ্যে আবু সাঈদ হত্যা ও হাসানুল হক ইনুর মামলাসহ তিনটি মামলার রায় হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রমের অন্যান্য তথ্য তুলে ধরে আসাদুজ্জামান বলেন, ট্রাইব্যুনালে জমা পড়া ৫৯০টি অভিযোগের মধ্যে প্রসিকিউশন টিম বাছাই করে ১০৯টি মামলা নির্বাচন করেছে। এর মধ্যে ৪৩টি মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ও ছয়টি মামলার বিচারকাজ শেষ হয়েছে। এসব মামলার রায়ে ১৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনের যাবজ্জীবন ও ৩৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে। একজন রাজসাক্ষীকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
জুলাই চেতনা নিয়ে নেতিবাচক রাজনীতিরও কড়া সমালোচনা করেন আইনমন্ত্রী। বলেন, চুন খেয়ে গাল পুড়লে দই দেখলে ভয় লাগে। জুলাই নিয়ে যখন আপনারা কথা বলেন, তখন সন্দেহ তৈরি হয়— এটা কি চেতনা ধারণ করার জন্য নাকি পলিটিক্স করার জন্য? গণভোটের মধ্যে প্রতারণামূলক প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত করে যখন রাজনীতি করা হয়, তখন ভয় লাগে— এটা কি জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়ন নাকি অন্য কোনো পথে হাঁটার সুর?’
বিরোধী দল জামায়াত ইসলামীর সঙ্গে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের পৃথক পৃথক সময়ের রাজনৈতিক সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তাদের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান।
আসাদুজ্জামান বলেন, বিএনপির সঙ্গে জোট করেছিলেন, বিএনপি প্রতিদান দিয়েছিল। আপনাদের গাড়িতে পতাকা (ফ্ল্যাগ) দিয়েছিল। আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করেছিলেন, তার পরিণাম কী হয়েছিল? আওয়ামী লীগ প্রতিদান দিয়েছে আপনাদের নেতাদের ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে।

জুলাই অভ্যুত্থানের ঐক্যের ফাটলের সুযোগ নিয়ে ওই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শক্তি দিল্লিতে বসে হুমকি দিচ্ছে বলে মনে করছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। একই সঙ্গে তিনি এমন হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন— যত হুংকার-হুমকিই দেওয়া হোক না কেন, দেশে আর কখনো ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন হতে দেওয়া হবে না।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও গণহত্যার বিচার’ শীর্ষক জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন।
জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার একটি সাক্ষাৎকার সম্প্রতি প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তাতে শেখ হাসিনা বলেছেন, তিনি ডিসেম্বর নাগাদ দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে দেশে ফিরবেন এবং আত্মসমর্পণ করবেন।
শেখ হাসিনার এ সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, আমাদের মধ্যে বিভেদের সুর দেখে দিল্লিতে বসে হুংকার ছাড়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, আত্মসমর্পণ করবেন। আমি আপনার (স্পিকার) মাধ্যমে গোটা জাতিকে জানাতে চাই, যারা হুংকার দিচ্ছেন, বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে তাদের আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ থাকবে না।
মন্ত্রী বলেন, কারণ, আইনের কাছে তারা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। বাংলাদেশের সীমানায় ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে তারা গ্রেপ্তার হবেন। প্রতিটি হুংকার আমরা সংঘবদ্ধ হব, দেশের জন্য এক কাতারে দাঁড়াব।
জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারিক কার্যক্রমের অগ্রগতিও সংসদ অধিবেশনে তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৬টি তদন্ত শেষ হয়েছে। এর মধ্যে ১২টির প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। চারটি মামলার অভিযোগও গঠন করা হয়েছে। এরই মধ্যে আবু সাঈদ হত্যা ও হাসানুল হক ইনুর মামলাসহ তিনটি মামলার রায় হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রমের অন্যান্য তথ্য তুলে ধরে আসাদুজ্জামান বলেন, ট্রাইব্যুনালে জমা পড়া ৫৯০টি অভিযোগের মধ্যে প্রসিকিউশন টিম বাছাই করে ১০৯টি মামলা নির্বাচন করেছে। এর মধ্যে ৪৩টি মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ও ছয়টি মামলার বিচারকাজ শেষ হয়েছে। এসব মামলার রায়ে ১৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনের যাবজ্জীবন ও ৩৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে। একজন রাজসাক্ষীকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
জুলাই চেতনা নিয়ে নেতিবাচক রাজনীতিরও কড়া সমালোচনা করেন আইনমন্ত্রী। বলেন, চুন খেয়ে গাল পুড়লে দই দেখলে ভয় লাগে। জুলাই নিয়ে যখন আপনারা কথা বলেন, তখন সন্দেহ তৈরি হয়— এটা কি চেতনা ধারণ করার জন্য নাকি পলিটিক্স করার জন্য? গণভোটের মধ্যে প্রতারণামূলক প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত করে যখন রাজনীতি করা হয়, তখন ভয় লাগে— এটা কি জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়ন নাকি অন্য কোনো পথে হাঁটার সুর?’
বিরোধী দল জামায়াত ইসলামীর সঙ্গে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের পৃথক পৃথক সময়ের রাজনৈতিক সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তাদের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান।
আসাদুজ্জামান বলেন, বিএনপির সঙ্গে জোট করেছিলেন, বিএনপি প্রতিদান দিয়েছিল। আপনাদের গাড়িতে পতাকা (ফ্ল্যাগ) দিয়েছিল। আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করেছিলেন, তার পরিণাম কী হয়েছিল? আওয়ামী লীগ প্রতিদান দিয়েছে আপনাদের নেতাদের ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে।

সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি দমনে দেশ জুড়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার, মাদক চোরাচালান, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
গুম প্রতিরোধে শুধু আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়; গুমের প্রতিটি অভিযোগের স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সত্য জানার অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি বলে জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
৪ ঘণ্টা আগে
তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে কাজ করা উলদ শেখ আহমেদ জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন। মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বেশ কিছু জটিল রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায়ও তার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
সতর্কবার্তায় বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর ওড়িশা উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দরগুলো, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
৭ ঘণ্টা আগে