
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকার একটি কনভেনশন সেন্টারে ‘গোপন বৈঠক’ হয়েছে বলে তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ‘ষড়যন্ত্রে’ জড়িত থাকার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগসহ এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ২২ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এদিকে ওই বৈঠকে সংশ্লিষ্টতা এবং আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে মেজর সাদিক নামের ওই কর্মকর্তাকে হেফাজতে নিয়েছে সেনাবাহিনী।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সেনা সদরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সেনা কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। গত ৮ জুলাই বসুন্ধরাসংলগ্ন একটি কনভেনশন সেন্টারে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ওই ‘গোপন বৈঠক’ অনুষ্ঠিত হয়।
এ ঘটনায় রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই বৈঠকে ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীরা মিলিয়ে তিন থেকে চার শজন অংশ নেন। বৈঠকে পরিকল্পনা করা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ পাওয়ার পর সারা দেশ থেকে লোকজন এসে ঢাকায় সমবেত হবেন। তারা ঢাকার শাহবাগ মোড় দখল করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও আতঙ্ক ছড়িয়ে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করবেন। তারা সেখানে এসব ষড়যন্ত্র করেছিলেন।
ওই বৈঠক ও এতে মেজর সাদিকের সংশ্লিষ্টতা প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবারের ব্রিফিংয়ে সেনা সদরের মিলিটারি অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌলা বলেন, মেজর সাদিকের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। সেনাবাহিনী তাকে হেফাজতে নিয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। তদন্তে তিনি দোষী প্রমাণিত হলে নিঃসন্দেহে সেনাবাহিনীর প্রচলিত নিয়মে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে বরগুনার যুবলীগ নেতা সোহেল রানা ও গোপালগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতা শামীমা নাসরিন বলেছেন, মেজর সাদিকের নির্দেশে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আওয়ামী লীগ কর্মীদের সংগঠিত করে বিভিন্ন স্থানে নাশকতা চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ওই কনভেনশন সেন্টারের দ্বিতীয় তলা ভাড়া নেওয়া হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে তারা আরও জানান, মেজর সাদিক সেদিন সরকার উৎখাতে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন। একটি সূত্র জানিয়েছে, সোহেল রানা ও শামীমা নাসরিনকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ করে তথ্য যাচাইয়ের পর মেজর সাদিকুল হক ওরফে মেজর সাদিককে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, ওই কনভেনশন সেন্টারের ব্যবস্থাপক পরিকল্পিতভাবে সারা দিন সেখানকার সব সিসি ক্যামেরা বন্ধ রেখেছিলেন। সেখানে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীসহ বাকিদের নাশকতার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। ঢাকায় আরও এমন অন্তত চারটি প্রশিক্ষণ হয়েছে।
এ ঘটনার মামলাটি তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। সেখানকার একটি সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ‘প্রিয় স্বদেশ’, ‘এফ ৭১ গেরিলা’, ‘বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম’, ‘প্রজন্ম ৭১’, ‘শেখ হাসিনা’সহ বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সদস্য। তারা সবাই ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছেন।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত ১২ জুলাই উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকা থেকে যুবলীগ নেতা সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে ভাটারা থানা। একই দিন একই এলাকা থেকে শামীমা নাসরিনকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দুজনকে গ্রেপ্তারের পর ১৩ জুলাই ভাটারা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন পুলিশের একজন কর্মকর্তা।
ডিএমপির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার ২২ জনকেই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ ছাড়া ৮ জুলাইসহ এর আগের বিভিন্ন প্রশিক্ষণে যারা ছিলেন তাদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।

দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকার একটি কনভেনশন সেন্টারে ‘গোপন বৈঠক’ হয়েছে বলে তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ‘ষড়যন্ত্রে’ জড়িত থাকার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগসহ এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ২২ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এদিকে ওই বৈঠকে সংশ্লিষ্টতা এবং আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে মেজর সাদিক নামের ওই কর্মকর্তাকে হেফাজতে নিয়েছে সেনাবাহিনী।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সেনা সদরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সেনা কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। গত ৮ জুলাই বসুন্ধরাসংলগ্ন একটি কনভেনশন সেন্টারে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ওই ‘গোপন বৈঠক’ অনুষ্ঠিত হয়।
এ ঘটনায় রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই বৈঠকে ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীরা মিলিয়ে তিন থেকে চার শজন অংশ নেন। বৈঠকে পরিকল্পনা করা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ পাওয়ার পর সারা দেশ থেকে লোকজন এসে ঢাকায় সমবেত হবেন। তারা ঢাকার শাহবাগ মোড় দখল করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও আতঙ্ক ছড়িয়ে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করবেন। তারা সেখানে এসব ষড়যন্ত্র করেছিলেন।
ওই বৈঠক ও এতে মেজর সাদিকের সংশ্লিষ্টতা প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবারের ব্রিফিংয়ে সেনা সদরের মিলিটারি অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌলা বলেন, মেজর সাদিকের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। সেনাবাহিনী তাকে হেফাজতে নিয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। তদন্তে তিনি দোষী প্রমাণিত হলে নিঃসন্দেহে সেনাবাহিনীর প্রচলিত নিয়মে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে বরগুনার যুবলীগ নেতা সোহেল রানা ও গোপালগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতা শামীমা নাসরিন বলেছেন, মেজর সাদিকের নির্দেশে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আওয়ামী লীগ কর্মীদের সংগঠিত করে বিভিন্ন স্থানে নাশকতা চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ওই কনভেনশন সেন্টারের দ্বিতীয় তলা ভাড়া নেওয়া হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে তারা আরও জানান, মেজর সাদিক সেদিন সরকার উৎখাতে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন। একটি সূত্র জানিয়েছে, সোহেল রানা ও শামীমা নাসরিনকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ করে তথ্য যাচাইয়ের পর মেজর সাদিকুল হক ওরফে মেজর সাদিককে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, ওই কনভেনশন সেন্টারের ব্যবস্থাপক পরিকল্পিতভাবে সারা দিন সেখানকার সব সিসি ক্যামেরা বন্ধ রেখেছিলেন। সেখানে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীসহ বাকিদের নাশকতার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। ঢাকায় আরও এমন অন্তত চারটি প্রশিক্ষণ হয়েছে।
এ ঘটনার মামলাটি তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। সেখানকার একটি সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ‘প্রিয় স্বদেশ’, ‘এফ ৭১ গেরিলা’, ‘বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম’, ‘প্রজন্ম ৭১’, ‘শেখ হাসিনা’সহ বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সদস্য। তারা সবাই ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছেন।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত ১২ জুলাই উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকা থেকে যুবলীগ নেতা সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে ভাটারা থানা। একই দিন একই এলাকা থেকে শামীমা নাসরিনকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দুজনকে গ্রেপ্তারের পর ১৩ জুলাই ভাটারা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন পুলিশের একজন কর্মকর্তা।
ডিএমপির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার ২২ জনকেই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ ছাড়া ৮ জুলাইসহ এর আগের বিভিন্ন প্রশিক্ষণে যারা ছিলেন তাদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।

আর্থকোয়েক ট্র্যাকের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ১ মাত্রার এই ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় ভোর ৬টা ২৯ মিনিটে আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের হোমালিন এলাকায়, যা ভারতের মণিপুর সীমান্তের কাছাকাছি।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সংস্কার কমিশনে নিজেদের প্রস্তাব তুলে ধরেছে বিএনপি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মতের অমিল থাকবে স্বাভাবিক, সেই কমিশন থেকে বেরিয়ে এসে কোন কোন বিষয়ে একমত-দ্বিমত তা আমরা জানিয়েছি। পরে সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর করা হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী বলেন, ‘সৌদি আরবের পর অন্যতম বড় শ্রমবাজার হচ্ছে মালয়েশিয়া। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্তকরণের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে এপ্রিল মাসের ৮ থেকে ১১ তারিখ পর্যন্ত এ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং আমি (আরিফুল হক চৌধুরী) দেশটি সফর করেছি এবং মালয়েশিয়ার সরকার ও আমাদের ম
১৮ ঘণ্টা আগে
এই ঘটনা দুঃখজনক এবং এটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্যের সাথে যা হয়েছে এটা অত্যন্ত দুঃখজনক, যদি ঘটনাটা সত্য হয়ে থাকে। এ বিষয়ে আমি অনুরোধ করবো সংসদ সদস্য যদি কোনো জিডি অথবা মামলা সংশ্লিষ্ট থানায় না করে থাকেন, এখনো তিনি ইচ্ছা করলে সেই বিষয়ে ওনার অভিযোগ সংশ্লিষ
১৮ ঘণ্টা আগে