
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

যৌথ অভিযানে গত এক সপ্তাহে সারা দেশে ২৭৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ১৬ জানুয়ারি থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যৌথ অভিযানে ২২টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ৮২২ রাউন্ড গোলাবারুদ, সাতটি ককটেল, দেশীয় অস্ত্র এবং দেশি-বিদেশি মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
দেশের চলমান পরিস্থিতিতে সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায়, গত ১৬ জানুয়ারি থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদাতিক ডিভিশন ও স্বতন্ত্র ব্রিগেডের অধীনস্থ ইউনিটসমূহ কর্তৃক অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেশকিছু যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ সকল যৌথ অভিযানে সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকাসক্ত, ডাকাত সদস্য, কিশোর গ্যাং, চোরাকারবারিসহ মোট ২৭৮ জন সন্দেহভাজন অপরাধীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের নিকট হতে ২২ টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ৮২২ রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ, সাতটি ককটেল, দেশীয় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। আটককৃতদের প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ এবং আইনি কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
দেশব্যাপী জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়মিত টহল কার্যক্রম ও নিরাপত্তা অভিযান পরিচালনা করছে। পাশাপাশি, শিল্পাঞ্চলে উদ্ভূত শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করছে।
দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে সেনাবাহিনীর এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সাধারণ জনগণকে অনুরোধ করা হচ্ছে—যে কোনো ধরনের সন্দেহজনক বা অস্বাভাবিক কার্যকলাপ পরিলক্ষিত হলে তা নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পে অবহিত করার জন্য।

যৌথ অভিযানে গত এক সপ্তাহে সারা দেশে ২৭৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ১৬ জানুয়ারি থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যৌথ অভিযানে ২২টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ৮২২ রাউন্ড গোলাবারুদ, সাতটি ককটেল, দেশীয় অস্ত্র এবং দেশি-বিদেশি মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
দেশের চলমান পরিস্থিতিতে সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায়, গত ১৬ জানুয়ারি থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদাতিক ডিভিশন ও স্বতন্ত্র ব্রিগেডের অধীনস্থ ইউনিটসমূহ কর্তৃক অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেশকিছু যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ সকল যৌথ অভিযানে সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকাসক্ত, ডাকাত সদস্য, কিশোর গ্যাং, চোরাকারবারিসহ মোট ২৭৮ জন সন্দেহভাজন অপরাধীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের নিকট হতে ২২ টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ৮২২ রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ, সাতটি ককটেল, দেশীয় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। আটককৃতদের প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ এবং আইনি কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
দেশব্যাপী জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়মিত টহল কার্যক্রম ও নিরাপত্তা অভিযান পরিচালনা করছে। পাশাপাশি, শিল্পাঞ্চলে উদ্ভূত শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করছে।
দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে সেনাবাহিনীর এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সাধারণ জনগণকে অনুরোধ করা হচ্ছে—যে কোনো ধরনের সন্দেহজনক বা অস্বাভাবিক কার্যকলাপ পরিলক্ষিত হলে তা নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পে অবহিত করার জন্য।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানা তার নিজের পাশাপাশি জাতীয় সংসদের আরও দুজন নারী সহকর্মীকে নিয়ে অপর সংসদ সদস্য আমির হামজার (কুষ্টিয়া-৩) ‘কুৎসিত’ ভাষায় দেওয়া বক্তব্যের জন্য স্পিকারের কাছে বিচার চেয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে করা বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি পুনর্বিবেচনা করতে চাই সরকার। একই সঙ্গে দেশের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে উপকেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে একটি বৃহৎ মহাপরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর চারজন বিশেষ সহকারী নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তারা হলেন— তানভীর গনি, বিজন কান্তি সরকার, শাকিরুল ইসলাম খান এবং সাইয়েদ বিন আবদুল্লাহ। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তদের নিয়োগ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে