পানবাজার, ময়নারঘোনা ও শফিউল্লাহকাটাসহ মোট ১১টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এসব অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে গ্রেপ্তার ১০৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ, মাদক ও অস্ত্র আইনের বিভিন্ন ধারায় মোট ৫২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জুয়েলারি দোকানের শাটার ও কলাসিবল গেট খুলে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দোকানে থাকা ৭০ ভরি স্বর্ণ ও ৬০০ ভরি রুপা এবং নগদ চার লাখ টাকা চুরি হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
গত ১৮ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক শাখা-২ থেকে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে ডিটেনশনের আদেশ জারি করা হয়। উপসচিব আবেদা আফসারীর সই করা আদেশে বলা হয়েছে, আটকাদেশ জারির তারিখ থেকে এ আদেশ কার্যকর হবে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান জানান, হামলা-অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মামলা করেছে ডেইলি স্টার কর্তৃপক্ষ। মামলায় অজ্ঞাত ৩৫০ থেকে ৪০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার অভিযোগে অগ্নিসংযোগে পত্রিকাটির ৪০ কোটি টাকার ক্ষতির কথা বলা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের তথ্য জানিয়ে ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, একজন আসামি মোহাম্মদ নাঈম (২৬) নগদ ৫০ হাজার টাকা লুট করে সেই টাকায় একটি টিভি ও একটি ফ্রিজ (রেফ্রিজারেটর) কিনেছেন। সেটা আমরা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের তেলিখাই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত খোকন পেশায় ভ্যানচালক ছিলেন। তিনি তেলিখাই গ্রামের আক্কল মিয়ার ছেলে।
গ্রেপ্তার সাতজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন— মো. কাশেম ফারুক, মো. সাইদুর রহমান, রাকিব হোসেন, মো. নাইম, ফয়সাল আহমেদ প্রান্ত, মো. সোহেল রানা ও মো. শফিকুল ইসলাম।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) এক বার্তায় পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১ হাজার ৬৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ডেভিল হান্ট ফেইজ-২ এর ৭৮৩ জনকে আর অন্যান্য অপরাধের জড়িত থাকার অভিযোগে ৮৭৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় এর আগে যাদের আটক করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন— গুলির ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক, সীমান্ত দিয়ে মানুষ পাচারকারী চক্রের দুজন এবং অভিযুক্ত ফয়সালের স্ত্রী, শ্যালক ও আরেক নারী।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলির ঘটনায় রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর পল্টন থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা হয়েছে। এতে আসামি হিসেবে কেবল সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্যেও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুসারীরা বিভিন্ন কৌশলে দেশে অবস্থান করে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। অভিযুক্তরা এসব কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত।
ওই দুই ব্যক্তির মধ্যে একজনের পরনে ছিল কালো পাঞ্জাবি ও আকাশি রঙের প্যান্ট, কালো মাস্ক ও গলায় চাদর। আরেকজনের গায়ে ছিল কালো ব্লেজার, চোখে চশমা, পায়ে চামড়া রঙের জুতা। হাদির সঙ্গে জনসংযোগে অংশ নেওয়ার সময় দুজনের মুখেই ছিল মাস্ক।
দুদকের এ মামলায় আসামিদের মধ্যে আরও রয়েছেন— ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালক মনোয়ারা শিকদার, পারভীন হক শিকদার, মোয়াজ্জেম হোসেন, রিক হক শিকদার, রন হক শিকদার, আনোয়ার হোসেন ও এ কে এম এনামুল হক শামীম।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে রবিউল বলেছেন, ‘সে (আয়েশা) মনে করছে কিছু জিনিস চুরি করে আইনা আমারে দিব, কিছু টাকা-পয়সা পাইব। ল্যাপটপ, মোবাইল চুরি কইরা সে আহনের সময় তার ম্যাডাম দেইখা ফেলায়। পেছন থিকা ম্যাডাম ধইরা ফেলায়। তখন সে চাকু দিয়া মারছে। যতক্ষণ পর্যন্ত ধইরা ছিল, ততক্ষণ পর্যন্তই চাকু দিয়া মারছ