জানা গেছে, দুদকের কাছ থেকে পাওয়া এই চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কূটনৈতিক মাধ্যমে তা সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের কাছে পাঠাবে।
দুদকের কর্মকর্তারা বলছেন, বেনজীরকে দেশে ফেরাতে এখন কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ শুরু হচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইন অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ আবেদন জমা দিতে হয়। সেই প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই সংশ্লিষ্ট নথি একত্র করা হয়েছে।
এর আগে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বর-কাণ্ড এবং ডিসেম্বরে তৎকালীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাসভবনের সামনের সড়ক বালুর ট্রাক দিয়ে আটকে দেওয়ার মতো আলোচিত ঘটনাগুলোর সময় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার ছিলেন বেনজীর। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশের এই কর্মকর্তাকে বক্তৃতা-বিবৃতিতে ক্ষমত
পুলিশ সূত্র জানায়, দুদকের মামলার প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ১২ জুন তাকে আটক করে দুবাইয়ের ইন্টারপোল অফিস।
শনিবার (১৩ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেলের পক্ষে তার কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন জিডিটি করেন।
পারিবারিক ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সাভারের বিকেএসপিতে প্রাইম ব্যাংকের হয়ে ম্যাচ খেলে রাতে বিমানে চট্টগ্রামে ফেরেন নাঈম। বিমানবন্দর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসায় যাওয়ার পথে লালখান বাজার এলাকায় পৌঁছালে পুলিশের একটি টহল দল তাদের গাড়ির গতিরোধ করে।
তবে সোহেল রানার এমন বক্তব্যকে খুব একটা আমলে নিতে রাজি নয় পুলিশ। তারা বলছে, শিশু রামিসাকে হত্যার ঘটনায় সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্না ছাড়া আর কারও সংশ্লিষ্টতা নেই। বিভ্রান্তি ছড়িয়ে বিচারকাজ দীর্ঘায়িত করার কৌশল থেকেই সোহেল এ কথা বলে থাকতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ।
পারস্পরিক আইনি সহায়তা প্রক্রিয়ার অধীনে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে তদন্তের অনুরোধ করেছিল সাইপ্রাস কর্তৃপক্ষের কাছে । পরে সাইপ্রাসের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ইউনিট (মোকাস) সাইফুল আলমের সম্পত্তি ক্রোকের আবেদন করে। গত ১৯ মে আদালত ওই সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ জারি করেন।
রামপুরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম বলেন, নিহত শিশুর শরীরে বাহ্যিক কোনো ধরনের জখম বা আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়নি। তবে সুরতহাল করার সময় শিশুটির পায়ুপথে অস্বাভাবিক ও গুরুতর জখমের চিহ্ন দেখা গেছে।
ডিবি জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের সময় এই চারজনের কাছ থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, জিহাদি বই, ড্রোনসহ বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। তারা বাংলাদেশের অখণ্ডতা, সংহতি, জননিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার পরিকল্পনা করছিলেন বলে পুলিশ দাবি করেছে।
ব্যবসায়ী বাবর এলাহীসহ একাধিক ব্যক্তিকে হত্যা মামলার আসামি ছিলেন টিটন। বাবর এলাহী হত্যা মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ড সাজাও দিয়েছিলেন আদালত। ২০২৪ সালের আগস্টে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
এর আগে গত রোববার (১২ এপ্রিল) মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ইমন হোসেন ওরফে ‘এলেক্স ইমন’কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ইমন ‘এলেক্স গ্রুপ’-এর প্রধান ছিলেন। এখন পর্যন্ত এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, মঈন নড়াইলের কালিয়ার দাদনতলা গ্রামে ফুপুর বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন। সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় আনা হচ্ছে। তাকে শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হবে।
নিহত ইমন স্থানীয়ভাবে ‘এলেক্স ইমন’ নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি কিশোর গ্যাং ‘এলেক্স গ্রুপে’র প্রধান ছিলেন। এই কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে রায়ের বাজারের বেড়িবাঁধ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আরমান-শাহরুখ গ্রুপের বিরোধ চলছিল।
শাহবাগ থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, গোপন খবরে রাজধানীর তোপখানা রোডের মেহেরবা প্লাজার জে আর অ্যান্ড ব্রাদার্স নামক একটি সিল তৈরির দোকান থেকে তাকে আটক করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে পুলিশ ইমান উল্লাহকে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিকুল ইসলাম তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আসামিপক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। এ সময় আদালত সোমবার