
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সমাজের বিভিন্ন প্রতিকূলতা জয় করে এগিয়ে যাওয়া খালেদা জিয়াসহ ছয়জন সাহসী ও সফল নারীকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
নারী দিবসের এই বিশেষ আয়োজনে সম্মাননাপ্রাপ্তদের এই সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প উপস্থিত সবার মাঝে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করে।
এ বছর বিশেষ সম্মাননাপ্রাপ্তদের তালিকায় ছিলেন বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সংগ্রামের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। খালেদা জিয়ার পক্ষে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন তার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। অনুষ্ঠানস্থলে এই মুহূর্তটি উপস্থিত সবার মাঝে বিশেষ গুরুত্ব পায়।
প্রতি বছরের মতো এবারও পাঁচটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে সমাজের তৃণমূল থেকে উঠে আসা পাঁচজন অদম্য নারীকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক সাফল্য অর্জন করায় পুরস্কার পেয়েছেন নুরুন নাহার আক্তার। শিক্ষা ও চাকুরিক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্যের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন মোছা. ববিতা খাতুন।
এছাড়া সন্তানদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলায় ‘সফল জননী’ ক্যাটাগরিতে নুরবানু কবীর, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন করে বাঁচার লড়াইয়ে জয়ী হওয়ায় ‘জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী’ ক্যাটাগরিতে মোছা. শমলা বেগম এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা লাভ করেন।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও উদ্বুদ্ধ করতেই এই উদ্যোগ। অদম্য নারীদের এই সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প জনসাধারণের সামনে তুলে ধরা হলে তা নতুন প্রজন্মের নারীদের আত্মবিশ্বাস জোগাতে এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সমাজের বিভিন্ন প্রতিকূলতা জয় করে এগিয়ে যাওয়া খালেদা জিয়াসহ ছয়জন সাহসী ও সফল নারীকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
নারী দিবসের এই বিশেষ আয়োজনে সম্মাননাপ্রাপ্তদের এই সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প উপস্থিত সবার মাঝে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করে।
এ বছর বিশেষ সম্মাননাপ্রাপ্তদের তালিকায় ছিলেন বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সংগ্রামের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। খালেদা জিয়ার পক্ষে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন তার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। অনুষ্ঠানস্থলে এই মুহূর্তটি উপস্থিত সবার মাঝে বিশেষ গুরুত্ব পায়।
প্রতি বছরের মতো এবারও পাঁচটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে সমাজের তৃণমূল থেকে উঠে আসা পাঁচজন অদম্য নারীকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক সাফল্য অর্জন করায় পুরস্কার পেয়েছেন নুরুন নাহার আক্তার। শিক্ষা ও চাকুরিক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্যের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন মোছা. ববিতা খাতুন।
এছাড়া সন্তানদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলায় ‘সফল জননী’ ক্যাটাগরিতে নুরবানু কবীর, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন করে বাঁচার লড়াইয়ে জয়ী হওয়ায় ‘জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী’ ক্যাটাগরিতে মোছা. শমলা বেগম এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা লাভ করেন।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও উদ্বুদ্ধ করতেই এই উদ্যোগ। অদম্য নারীদের এই সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প জনসাধারণের সামনে তুলে ধরা হলে তা নতুন প্রজন্মের নারীদের আত্মবিশ্বাস জোগাতে এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তখন নারীদের ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করে দিয়েছিলেন। দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। এই নারী সমাজকে যদি আমরা পিছিয়ে রাখি, তাহলে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সে কারণেই বর্তমান সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নারীদের অনার্স
৬ ঘণ্টা আগে
রোববার (১৬ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, পে স্কেল সরকারের বিবেচনায় রয়েছে এবং এটি বাস্তবায়নে সরকারের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। তিনি বলেন, “এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। যেকোনো মুহূর্তে পে স্কেল ঘোষণা হতে পারে।”
৬ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগের প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’। সংগঠনটি এ ধরনের পদক্ষেপকে ‘অগণতান্ত্রিক, প্রতিহিংসামূলক
৬ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম বলেন, তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ায় পরিবেশ নষ্ট হয়েছে
৮ ঘণ্টা আগে