
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ৩২ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পুলিশ পরিদর্শককে (নিরস্ত্র) বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটে (ঢাকার বাইরে) বদলি করা হয়েছে। রোববার (১৮ আগস্ট) পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) কামরুল আহসান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশের নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক পদমর্যাদার ৩২ জন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি মোহাম্মদ ইয়াসির আরাফাত খানকে বান্দরবান ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, দক্ষিণখান থানার ওসি মো. আশিকুর রহমানকে পিরোজপুর ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, উত্তরা পূর্ব থানার ওসি মো. শাহ আলমকে কুষ্টিয়া ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, শাহীনুর রহমানকে লালমনিরহাট ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, বনানী থানার ওসি কাজী শাহান হককে রংপুর পিটিসিতে, বাড্ডা থানার ওসি মোহাম্মদ আবু ছাঁলাম মিয়াকে খাগড়াছড়ি ৬ এপিবিএনে, নিউ মার্কেট থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলামকে শিল্পাঞ্চল পুলিশে, হাজারীবাগ থানার ওসি নূর মোহাম্মদকে ঠাকুরগাঁও ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, কলাবাগান থানার ওসি মো. মফিজুল আলমকে খাগড়াছড়ি এপিবিএন এবং বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে, রমনা থানার ওসি উৎপল বড়ুয়াকে কুষ্টিয়া ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে এবং ধানমন্ডি থানার ওসি মোহাম্মদ এমরানুল ইসলামকে নোয়াখালী পিটিসিতে।
লালবাগ থানার ওসি খন্দকার মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে মহালছড়ি ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, চকবাজার থানার ওসি কাজী শাহীদুজ্জামানকে দিনাজপুর ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, মুহাম্মাদ মাসুদ আলমকে সাতক্ষীরা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, কোতোয়ালি থানার ওসি মুহা. মাহফুজুর রহমান মিয়াকে নোয়াখালী পিটিসিতে, আদাবর থানার ওসি শাকের মোহাম্মদ যুবায়েরকে জামালপুর ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, এস এম আবু ফরহাদকে কক্সবাজার ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, শাহজাহানপুর থানার ওসি সুজিত কুমার সাহাকে নীলফামারী ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, খিলগাঁও থানার ওসি মো. সালাহউদ্দীন মিয়াকে ১৮ এপিবিএনে, সবুজবাগ থানার ওসি প্রলয় কুমার সাহাকে খুলনা পিটিসিতে এবং গেন্ডারিয়া থানার ওসি মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চল ব্যতীত ট্যুরিস্ট পুলিশে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া শ্যামপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমানকে গাইবান্ধা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, ওয়ারী থানার ওসি জানে আলম মুনশীকে ১৪ এপিবিএনে, যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মো. আবুল হাসানকে ১৬ এপিবিএনে, রূপনগর থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল মজিদকে বরিশাল ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, ভাসানটেক থানার ওসি নাসির উদ্দিনকে মহালছড়ি এপিবিএন ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, মুগদা থানার ওসি তারিকুজ্জামানকে সারদা বিপিএতে, মোহাম্মদ গোলাম মউলাকে নোয়াখালী ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, মুহাম্মদ কামরুল ইসলামকে ১০ এপিবিএনে, হাতিরঝিল থানার ওসি শাহ মো. আওলাদ হোসেনকে হবিগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, মো. আহাদ আলীকে এপিবিএনে এবং মোহাম্মদপুর থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহাকে লালমনিরহাট ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে বদলি করা হয়েছে।
গত ১৩ আগস্ট ডিএমপির আরও ১৮ থানার ওসিকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে বদলি করা হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ৩২ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পুলিশ পরিদর্শককে (নিরস্ত্র) বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটে (ঢাকার বাইরে) বদলি করা হয়েছে। রোববার (১৮ আগস্ট) পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) কামরুল আহসান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশের নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক পদমর্যাদার ৩২ জন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি মোহাম্মদ ইয়াসির আরাফাত খানকে বান্দরবান ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, দক্ষিণখান থানার ওসি মো. আশিকুর রহমানকে পিরোজপুর ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, উত্তরা পূর্ব থানার ওসি মো. শাহ আলমকে কুষ্টিয়া ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, শাহীনুর রহমানকে লালমনিরহাট ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, বনানী থানার ওসি কাজী শাহান হককে রংপুর পিটিসিতে, বাড্ডা থানার ওসি মোহাম্মদ আবু ছাঁলাম মিয়াকে খাগড়াছড়ি ৬ এপিবিএনে, নিউ মার্কেট থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলামকে শিল্পাঞ্চল পুলিশে, হাজারীবাগ থানার ওসি নূর মোহাম্মদকে ঠাকুরগাঁও ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, কলাবাগান থানার ওসি মো. মফিজুল আলমকে খাগড়াছড়ি এপিবিএন এবং বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে, রমনা থানার ওসি উৎপল বড়ুয়াকে কুষ্টিয়া ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে এবং ধানমন্ডি থানার ওসি মোহাম্মদ এমরানুল ইসলামকে নোয়াখালী পিটিসিতে।
লালবাগ থানার ওসি খন্দকার মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে মহালছড়ি ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, চকবাজার থানার ওসি কাজী শাহীদুজ্জামানকে দিনাজপুর ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, মুহাম্মাদ মাসুদ আলমকে সাতক্ষীরা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, কোতোয়ালি থানার ওসি মুহা. মাহফুজুর রহমান মিয়াকে নোয়াখালী পিটিসিতে, আদাবর থানার ওসি শাকের মোহাম্মদ যুবায়েরকে জামালপুর ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, এস এম আবু ফরহাদকে কক্সবাজার ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, শাহজাহানপুর থানার ওসি সুজিত কুমার সাহাকে নীলফামারী ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, খিলগাঁও থানার ওসি মো. সালাহউদ্দীন মিয়াকে ১৮ এপিবিএনে, সবুজবাগ থানার ওসি প্রলয় কুমার সাহাকে খুলনা পিটিসিতে এবং গেন্ডারিয়া থানার ওসি মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চল ব্যতীত ট্যুরিস্ট পুলিশে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া শ্যামপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমানকে গাইবান্ধা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, ওয়ারী থানার ওসি জানে আলম মুনশীকে ১৪ এপিবিএনে, যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মো. আবুল হাসানকে ১৬ এপিবিএনে, রূপনগর থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল মজিদকে বরিশাল ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, ভাসানটেক থানার ওসি নাসির উদ্দিনকে মহালছড়ি এপিবিএন ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, মুগদা থানার ওসি তারিকুজ্জামানকে সারদা বিপিএতে, মোহাম্মদ গোলাম মউলাকে নোয়াখালী ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, মুহাম্মদ কামরুল ইসলামকে ১০ এপিবিএনে, হাতিরঝিল থানার ওসি শাহ মো. আওলাদ হোসেনকে হবিগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, মো. আহাদ আলীকে এপিবিএনে এবং মোহাম্মদপুর থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহাকে লালমনিরহাট ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে বদলি করা হয়েছে।
গত ১৩ আগস্ট ডিএমপির আরও ১৮ থানার ওসিকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে বদলি করা হয়।

এবার সবচেয়ে কম পাসের হার মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
১ ঘণ্টা আগে
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ৩৩ হাজার ২৫৩ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে ঢাকা বোর্ড থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ রাজশাহী বোর্ডে— ১৬ হাজার ১১৩ জন। তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৩ হাজার ৬৩৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড থেকে।
১ ঘণ্টা আগে
তৎকালীন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতকে ফোন করে এসব নির্দেশ দেন তিনি। আরাফাতও এতে সম্মতি জানিয়ে সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদের, মোহাম্মদ এ আরাফাত, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক
২ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, আমার মনে হচ্ছে, যদি দুই নেতার (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী) আলোচনা হয়, তখন অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। সমস্যার সমাধান হয় যখন আমরা কথাবার্তা বলি। আমার তো পুরো বিশ্বাস যে মানুষ এক আছে, সমাধান হবে। এখানটায় কোনো নেতিবাচক জিনিস নেই। সব ইতিবাচক।
২ ঘণ্টা আগে