
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ বৈঠক শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানান।
এর আগে রবিবার (৯ আগস্ট) যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদনকেন্দ্রে (আইভেক) শিশুদের জন্য খেলার জায়গা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমরা সবাই অনেক সম্মান করি। আমি অনেকবার তার বক্তৃতা শুনেছি। তিনি একজন জনবান্ধব ব্যক্তি। আমাদের প্রধানমন্ত্রীও জনবান্ধব ব্যক্তি।
তিনি বলেন, আমার মনে হচ্ছে, যদি দুই নেতার (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী) আলোচনা হয়, তখন অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। সমস্যার সমাধান হয় যখন আমরা কথাবার্তা বলি। আমার তো পুরো বিশ্বাস যে মানুষ এক আছে, সমাধান হবে। এখানটায় কোনো নেতিবাচক জিনিস নেই। সব ইতিবাচক।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ বৈঠক শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানান।
এর আগে রবিবার (৯ আগস্ট) যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদনকেন্দ্রে (আইভেক) শিশুদের জন্য খেলার জায়গা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমরা সবাই অনেক সম্মান করি। আমি অনেকবার তার বক্তৃতা শুনেছি। তিনি একজন জনবান্ধব ব্যক্তি। আমাদের প্রধানমন্ত্রীও জনবান্ধব ব্যক্তি।
তিনি বলেন, আমার মনে হচ্ছে, যদি দুই নেতার (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী) আলোচনা হয়, তখন অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। সমস্যার সমাধান হয় যখন আমরা কথাবার্তা বলি। আমার তো পুরো বিশ্বাস যে মানুষ এক আছে, সমাধান হবে। এখানটায় কোনো নেতিবাচক জিনিস নেই। সব ইতিবাচক।

পরীক্ষায় ভালো করার কথা থাকলেও অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল করতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের বোর্ডের ১৯৯৮ সালের আইন অনুযায়ী খাতা পরিদর্শনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে আমরা এটি পরিবর্তন করেছি। যেসব শিক্ষার্থী পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হব
১ ঘণ্টা আগে
গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালেও ছিল একই চিত্র। সেবার মেয়েদের পাসের হার ছিল ৭১ দশমিক ০৩ শতাংশ, বিপরীতে ছেলেদের মধ্যে পাস করেছিল ৬৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ পরীক্ষার্থী।
২ ঘণ্টা আগে
এর আগে ২০০৭ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৫৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছিল। এরপর গত ১৯ বছরে আর কখনো পাবলিক এ পরীক্ষায় পাসের হার এত কম ছিল না।
২ ঘণ্টা আগে
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১ লাখ
৩ ঘণ্টা আগে