
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রস্তুতি ও কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পর অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা নিয়ে বিদেশি কূটনীতিকরা শতভাগ আস্থা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এম এম নাসির উদ্দিন।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানের দ্য ওয়েস্টিন হোটেলে বাংলাদেশে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের দূতাবাস ও মিশনে কর্মরত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান সিইসি।
তিনি বলেন, ‘একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে আমরা যে প্রস্তুতি ও প্রক্রিয়া গ্রহণ করেছি, তার বিস্তারিত তাদের সামনে তুলে ধরেছি। আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং কমিশনের কর্মকাণ্ডকে স্বাগত জানিয়েছেন।’
সিইসি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাজের স্বচ্ছতা তুলে ধরে কূটনীতিকদের জানানো হয়েছে—নির্বাচন পরিচালনায় কোনো ধরনের গোপনীয়তা বা লুকোচুরির সুযোগ নেই। তাঁর ভাষায়, ‘ইনশাল্লাহ আমরা জাতিকে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে পারব—এ বিষয়ে তারাও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।’
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কূটনীতিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি জানান, নির্বাচন উপলক্ষে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও আনসার সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনার কথা তাদের অবহিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তারা আমাদের কর্মপরিকল্পনা খুব ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন। আমাদের লক্ষ্য একটাই—স্বচ্ছ ও সুন্দর নির্বাচন আয়োজন।’
এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, কূটনীতিকরা কমিশনের উদ্দেশ্য ও প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি যোগ করেন, ‘ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব।’
সকাল ১০টা থেকে দ্য ওয়েস্টিনের বলরুমে ‘আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট, ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এ বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নির্বাচনি প্রস্তুতি, প্রক্রিয়া, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ, নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদসহ কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে অংশ নেন।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রস্তুতি ও কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পর অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা নিয়ে বিদেশি কূটনীতিকরা শতভাগ আস্থা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এম এম নাসির উদ্দিন।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানের দ্য ওয়েস্টিন হোটেলে বাংলাদেশে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের দূতাবাস ও মিশনে কর্মরত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান সিইসি।
তিনি বলেন, ‘একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে আমরা যে প্রস্তুতি ও প্রক্রিয়া গ্রহণ করেছি, তার বিস্তারিত তাদের সামনে তুলে ধরেছি। আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং কমিশনের কর্মকাণ্ডকে স্বাগত জানিয়েছেন।’
সিইসি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাজের স্বচ্ছতা তুলে ধরে কূটনীতিকদের জানানো হয়েছে—নির্বাচন পরিচালনায় কোনো ধরনের গোপনীয়তা বা লুকোচুরির সুযোগ নেই। তাঁর ভাষায়, ‘ইনশাল্লাহ আমরা জাতিকে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে পারব—এ বিষয়ে তারাও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।’
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কূটনীতিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি জানান, নির্বাচন উপলক্ষে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও আনসার সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনার কথা তাদের অবহিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তারা আমাদের কর্মপরিকল্পনা খুব ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন। আমাদের লক্ষ্য একটাই—স্বচ্ছ ও সুন্দর নির্বাচন আয়োজন।’
এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, কূটনীতিকরা কমিশনের উদ্দেশ্য ও প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি যোগ করেন, ‘ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব।’
সকাল ১০টা থেকে দ্য ওয়েস্টিনের বলরুমে ‘আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট, ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এ বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নির্বাচনি প্রস্তুতি, প্রক্রিয়া, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ, নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদসহ কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে অংশ নেন।

শনিবার (২৭ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
৩ ঘণ্টা আগে
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুণগত ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের প্রয়োজন ছিল, যার সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশ যাওয়ার সময় কিংবা দেশে ফেরার সময় বিমানবন্দরে হাজার হাজার মানুষের সংবর্ধনা নেওয়ার যে রেওয়াজ ছিল, তিনি তা পরিহার করেছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে প্রধানমন্ত্রী মরহুম পিতা-মাতার আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের মানুষের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও ফাতেহা পাঠ করেন। এ সময় সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও দলীয় নেতৃবৃন্দ তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ‘অভূতপূর্ব সাফল্যে’র জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করেছে জাতীয় সংসদ। শনিবার (২৭ জুন) সকালে কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবটি পাস হয়।
৪ ঘণ্টা আগে