
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে বিশেষ ‘ম্যাংগো ডিপ্লোম্যাসি’ উদ্যোগ নিয়েছে কাঠমান্ডুস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। এ উদ্যোগের আওতায় নেপালের বিশিষ্ট ব্যক্তি, জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী নেতা এবং বাংলাদেশের বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে বাংলাদেশের উৎকৃষ্ট মানের আম উপহার হিসেবে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ‘সিজনস বেস্ট কমপ্লিমেন্টস’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ হাজার ৭৫০ কেজিরও বেশি উন্নত মানের বাংলাদেশি আম উপহার দেওয়া হয়। নেপালের রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ ৩৬০ জনেরও বেশি বিশিষ্ট ব্যক্তির কাছে এসব আমের প্যাকেট পৌঁছে দেন দূতাবাসের কর্মকর্তারা।
উপহার হিসেবে দেওয়া আমগুলো বাংলাদেশের আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুটি বাগান থেকে সম্প্রতি সংগ্রহ করা হয়। আমের গুণগত মান ও সতেজতা বজায় রাখতে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর হয়ে ভারতের ফুলবাড়ী ল্যান্ডপোর্ট (শিলিগুড়ি সীমান্ত) এবং পরে নেপালের কাকরভিটা সীমান্ত দিয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাঠমান্ডুতে পরিবহন করা হয়।

দূতাবাস জানায়, উপহার হিসেবে পাঠানো আমগুলো ছিল ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদপ্রাপ্ত জনপ্রিয় ‘ক্ষীরশাপাত’ জাতের। স্বাদ ও গুণগত মানের জন্য এ জাতের আম দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা আম হিসেবে ব্যাপকভাবে সমাদৃত।
বাংলাদেশ দূতাবাসের মতে, এ উদ্যোগ দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও জনগণের মধ্যে বিদ্যমান ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি উভয় দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে উষ্ণতা, সদিচ্ছা ও কূটনৈতিক সৌহার্দ্যের প্রতীক হিসেবে কাজ করবে।
নেপালে ‘ম্যাংগো ডিপ্লোম্যাসি’ উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে বিশেষ ‘ম্যাংগো ডিপ্লোম্যাসি’ উদ্যোগ নিয়েছে কাঠমান্ডুস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। এ উদ্যোগের আওতায় নেপালের বিশিষ্ট ব্যক্তি, জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী নেতা এবং বাংলাদেশের বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে বাংলাদেশের উৎকৃষ্ট মানের আম উপহার হিসেবে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ‘সিজনস বেস্ট কমপ্লিমেন্টস’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ হাজার ৭৫০ কেজিরও বেশি উন্নত মানের বাংলাদেশি আম উপহার দেওয়া হয়। নেপালের রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ ৩৬০ জনেরও বেশি বিশিষ্ট ব্যক্তির কাছে এসব আমের প্যাকেট পৌঁছে দেন দূতাবাসের কর্মকর্তারা।
উপহার হিসেবে দেওয়া আমগুলো বাংলাদেশের আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুটি বাগান থেকে সম্প্রতি সংগ্রহ করা হয়। আমের গুণগত মান ও সতেজতা বজায় রাখতে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর হয়ে ভারতের ফুলবাড়ী ল্যান্ডপোর্ট (শিলিগুড়ি সীমান্ত) এবং পরে নেপালের কাকরভিটা সীমান্ত দিয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাঠমান্ডুতে পরিবহন করা হয়।

দূতাবাস জানায়, উপহার হিসেবে পাঠানো আমগুলো ছিল ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদপ্রাপ্ত জনপ্রিয় ‘ক্ষীরশাপাত’ জাতের। স্বাদ ও গুণগত মানের জন্য এ জাতের আম দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা আম হিসেবে ব্যাপকভাবে সমাদৃত।
বাংলাদেশ দূতাবাসের মতে, এ উদ্যোগ দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও জনগণের মধ্যে বিদ্যমান ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি উভয় দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে উষ্ণতা, সদিচ্ছা ও কূটনৈতিক সৌহার্দ্যের প্রতীক হিসেবে কাজ করবে।
নেপালে ‘ম্যাংগো ডিপ্লোম্যাসি’ উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ সুপারিশ প্রণয়নে সচিব কমিটি ষষ্ঠ সভায় বসবে। এ সভায় আগের পাঁচ বৈঠকের নানা সুপারিশ সমন্বয় করে চূড়ান্ত একটি সুপারিশ প্রণয়ন করা হতে পারে।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রশ্নে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র চার মাস হয়েছে। এর আগেই প্রশ্নপত্র তৈরি ও মডারেশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। প্রশ্ন মডারেশনের কাজ সাধারণত দুই বছর আগে থেকে শুরু করতে হয়। ফলে নতুন করে প্রশ্ন প্রস্তুতের সুযোগ ছিল না। আগের সরকারের সময় দায়িত্বে থাকা মডারেটররাই প
১১ ঘণ্টা আগে
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে গুরুতর ত্রুটি ও অসঙ্গতির ঘটনায় প্রশ্নপত্র পরিশোধনের দায়িত্বে থাকা চার শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট।
১১ ঘণ্টা আগে
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘পরিবর্তিত তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের প্রচলিত কার্যক্রমকে আধুনিক কমিউনিকেশন ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে। মাঠপর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম, বিশেষ করে দুর্যোগকালীন তথ্য দ্রুত, নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে জনগণের ক
১২ ঘণ্টা আগে