
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন কমিশন গঠনের সুপারিশ করেছে সার্চ কমিটি। কমিশনের বাকি দুই সদস্য হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার নাম।
সরকারের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বিচারপতি আসাদুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করে নতুন এই কমিশনের সুপারিশসহ প্রতিবেদন এরই মধ্যে জমা দিয়েছে সার্চ কমিটি। সার্চ কমিটির এই সুপারিশ অনুযায়ী দুয়েকদিনের মধ্যেই নতুন দুদকের প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
চলতি বছরের ৩ মার্চ সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন পদত্যাগ করার পর থেকে দুদক চেয়ারম্যান পদটি খালি রয়েছে। গত প্রায় ছয় মাসেও দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে নিয়োগ দিতে না পারায় সমালোচিত হচ্ছিল বিএনপি সরকার।
এর মধ্যে নতুন দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার নির্বাচনের জন্য সরকার সার্চ কমিটি গঠন করে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করেছিল। সে কমিটির কাছে প্রায় ৪০ জন আগ্রহী ব্যক্তি জীবনবৃত্তান্ত জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য প্রার্থীদের নাম রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করেছে কমিটি।
সার্চ কমিটির সুপারিশে দুদক চেয়ারম্যান হিসেবে উঠে আসা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের জন্ম ১৯৫৯ সালের ১ মার্চ, নওগাঁর সাপাহার উপজেলায়। তার বাবা এম এ সামাদ একজন খ্যাতিমান আইনজীবী ছিলেন।
আসাদুজ্জামান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা জেলা বারে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন আসাদুজ্জামান। ১৯৮৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে ও ২০০১ সালের ২৫ অক্টোবর আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি।
এ কে এম আসাদুজ্জামান হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে যোগ দেন ২০০৩ সালের ২ আগস্ট। ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট একই বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন।
গত বছরের ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ আপিল বিভাগে নিয়োগ পান অভিজ্ঞ এই বিচারপতি। ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় এ বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি অবসরে যান।

সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন কমিশন গঠনের সুপারিশ করেছে সার্চ কমিটি। কমিশনের বাকি দুই সদস্য হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার নাম।
সরকারের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বিচারপতি আসাদুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করে নতুন এই কমিশনের সুপারিশসহ প্রতিবেদন এরই মধ্যে জমা দিয়েছে সার্চ কমিটি। সার্চ কমিটির এই সুপারিশ অনুযায়ী দুয়েকদিনের মধ্যেই নতুন দুদকের প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
চলতি বছরের ৩ মার্চ সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন পদত্যাগ করার পর থেকে দুদক চেয়ারম্যান পদটি খালি রয়েছে। গত প্রায় ছয় মাসেও দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে নিয়োগ দিতে না পারায় সমালোচিত হচ্ছিল বিএনপি সরকার।
এর মধ্যে নতুন দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার নির্বাচনের জন্য সরকার সার্চ কমিটি গঠন করে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করেছিল। সে কমিটির কাছে প্রায় ৪০ জন আগ্রহী ব্যক্তি জীবনবৃত্তান্ত জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য প্রার্থীদের নাম রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করেছে কমিটি।
সার্চ কমিটির সুপারিশে দুদক চেয়ারম্যান হিসেবে উঠে আসা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের জন্ম ১৯৫৯ সালের ১ মার্চ, নওগাঁর সাপাহার উপজেলায়। তার বাবা এম এ সামাদ একজন খ্যাতিমান আইনজীবী ছিলেন।
আসাদুজ্জামান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা জেলা বারে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন আসাদুজ্জামান। ১৯৮৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে ও ২০০১ সালের ২৫ অক্টোবর আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি।
এ কে এম আসাদুজ্জামান হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে যোগ দেন ২০০৩ সালের ২ আগস্ট। ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট একই বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন।
গত বছরের ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ আপিল বিভাগে নিয়োগ পান অভিজ্ঞ এই বিচারপতি। ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় এ বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি অবসরে যান।

শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরবি বিভাগের সাতজন; ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ, অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং আইন বিভাগের তিনজন করে শিক্ষার্থী রয়েছেন। ভূগোল ও পরিবেশ, ইংরেজি এবং দর্শন বিভাগ থেকে শাস্তি
১ দিন আগে
নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
১ দিন আগে
বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার জনমিতিক পরিবর্তন নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। সরকারগুলো যদি এখনই স্কুলব্যবস্থার পরিকল্পনা করে এবং এই পরিবর্তন থেকে পাওয়া সুবিধা আবার শিক্ষায় বিনিয়োগ করে, তাহলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়াকে প্রতিটি শিশুর জন্য আরও উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করার স
১ দিন আগে
নির্দেশনায় বলা হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব দাপ্তরিক মূল ভবন এবং জেলা পরিষদের আওতাধীন স্থাপনাগুলোতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে।
১ দিন আগে