
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চিকিৎসাসেবায় অবহেলা বা কোনো হাসপাতালে গাফিলতির অভিযোগ প্রমাণ হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
শনিবার (১৬ মে) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ হুঁশিয়ারি দেন। এ সময় তিনি জুলাই চার্টার বাস্তবায়নে কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। জুলাই আন্দোলনের শহীদদের তালিকা একটি নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং পরবর্তীকালে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে কিছু সংশোধন আনা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর শহীদদের তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়। জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জনের নামের উল্লেখ থাকলেও গেজেটভুক্তকরণ প্রক্রিয়ায় কিছু নাম যুক্ত এবং কিছু নাম বাদ দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারের দায়িত্ব নেয়ার পর ১২ জনকে নতুন করে গেজেটভুক্ত করা হয় এবং কিছু ক্ষেত্রে ভুলবশত অন্তর্ভুক্ত নাম পরবর্তীকালে বাদ দেয়া হয়। যারা সরাসরি জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না বা আন্দোলনের বিপরীতে অবস্থান নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।
আহত ও শহীদদের পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদফতর গঠন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়গুলো তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাত্রাবাড়ীর মাদ্রাসা ছাত্রদের প্রতিরোধ, ১৭ জুলাই রামপুরায় প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং আবু সাঈদের শহীদ হওয়ার ঘটনা পুরো আন্দোলনের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করেছে।
আহতদের পুনর্বাসন প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, আহতদের এ, বি ও সি—এই তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। গুরুতরভাবে আহতদের মধ্যে অনেকেই স্থায়ীভাবে কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন, আবার কেউ কেউ আংশিকভাবে সক্ষমতা হারিয়েছেন। তাদের শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে আলাদা প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।
‘যারা শারীরিকভাবে সীমিত সক্ষমতা নিয়ে আছেন, তাদের প্রযুক্তিনির্ভর কাজসহ বিভিন্ন পেশায় যুক্ত করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সমাজকল্যাণ, আইসিটি এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দফতরের সমন্বয়ে আহতদের আত্মনির্ভরশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আন্দোলনে অংশ নেওয়া মানুষ ভাতার ওপর নির্ভর করতে চান না। তারা মর্যাদাপূর্ণ জীবন ও কর্মসংস্থান চান। সেই লক্ষ্যেই পুনর্বাসন কার্যক্রম এগিয়ে নেয়া হচ্ছে’, যোগ করেন প্রতিমন্ত্রী।
জুলাই ফাউন্ডেশন প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, এটি একটি এনজিও হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সরকারের অধীনস্থ অধিদফতরের সঙ্গে এর কার্যক্রম সমন্বয় করা প্রয়োজন কি না, সেই বিষয়ে নীতিগত আলোচনা চলছে। ফাউন্ডেশনের ডাটাবেজ ও অভিজ্ঞতা রাষ্ট্রীয় কাজে অন্তর্ভুক্ত করা গেলে শহীদ ও আহতদের পুনর্বাসনে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

চিকিৎসাসেবায় অবহেলা বা কোনো হাসপাতালে গাফিলতির অভিযোগ প্রমাণ হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
শনিবার (১৬ মে) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ হুঁশিয়ারি দেন। এ সময় তিনি জুলাই চার্টার বাস্তবায়নে কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। জুলাই আন্দোলনের শহীদদের তালিকা একটি নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং পরবর্তীকালে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে কিছু সংশোধন আনা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর শহীদদের তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়। জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জনের নামের উল্লেখ থাকলেও গেজেটভুক্তকরণ প্রক্রিয়ায় কিছু নাম যুক্ত এবং কিছু নাম বাদ দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারের দায়িত্ব নেয়ার পর ১২ জনকে নতুন করে গেজেটভুক্ত করা হয় এবং কিছু ক্ষেত্রে ভুলবশত অন্তর্ভুক্ত নাম পরবর্তীকালে বাদ দেয়া হয়। যারা সরাসরি জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না বা আন্দোলনের বিপরীতে অবস্থান নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।
আহত ও শহীদদের পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদফতর গঠন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়গুলো তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাত্রাবাড়ীর মাদ্রাসা ছাত্রদের প্রতিরোধ, ১৭ জুলাই রামপুরায় প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং আবু সাঈদের শহীদ হওয়ার ঘটনা পুরো আন্দোলনের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করেছে।
আহতদের পুনর্বাসন প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, আহতদের এ, বি ও সি—এই তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। গুরুতরভাবে আহতদের মধ্যে অনেকেই স্থায়ীভাবে কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন, আবার কেউ কেউ আংশিকভাবে সক্ষমতা হারিয়েছেন। তাদের শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে আলাদা প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।
‘যারা শারীরিকভাবে সীমিত সক্ষমতা নিয়ে আছেন, তাদের প্রযুক্তিনির্ভর কাজসহ বিভিন্ন পেশায় যুক্ত করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সমাজকল্যাণ, আইসিটি এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দফতরের সমন্বয়ে আহতদের আত্মনির্ভরশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আন্দোলনে অংশ নেওয়া মানুষ ভাতার ওপর নির্ভর করতে চান না। তারা মর্যাদাপূর্ণ জীবন ও কর্মসংস্থান চান। সেই লক্ষ্যেই পুনর্বাসন কার্যক্রম এগিয়ে নেয়া হচ্ছে’, যোগ করেন প্রতিমন্ত্রী।
জুলাই ফাউন্ডেশন প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, এটি একটি এনজিও হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সরকারের অধীনস্থ অধিদফতরের সঙ্গে এর কার্যক্রম সমন্বয় করা প্রয়োজন কি না, সেই বিষয়ে নীতিগত আলোচনা চলছে। ফাউন্ডেশনের ডাটাবেজ ও অভিজ্ঞতা রাষ্ট্রীয় কাজে অন্তর্ভুক্ত করা গেলে শহীদ ও আহতদের পুনর্বাসনে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুবাইয়ে আটকের পরই ১৪৪ পৃষ্ঠার মামলার নথি আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে দ্রুতই বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরত আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, খ্যাতিমান হকি খেলোয়াড় ও সংগঠক আবদুস সাদেক আর নেই। আজ শনিবার সকাল ৮টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।
৬ ঘণ্টা আগে
জৈন ধর্ম মানুষের মুক্তির জন্য নৈতিকতার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছে। এই ধর্ম অনুযায়ী, বন্দি অবস্থা থেকে আত্মার মুক্তির উপায় তিনটি— সম্যগ দর্শন বা সত্যের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা, সম্যগজ্ঞান বা সংশয়শূন্য ও ভ্রমমুক্ত বিশদ জ্ঞান এবং সম্যগ চারিত্র বা হিত আচরণে প্রবৃত্ত হওয়া এবং অহিতকর আচরণ থেকে সম্প
১০ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের দুই ছেল এবং আত্মীয়ের নামের সঙ্গে মিল রেখে বগুড়ার মোকামতলা উপজেলায় নবগঠিত কয়েকটি ইউনিয়নের নামকরণের অভিযোগের পর এবার তার নামে একটি স্কুলের নামকরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে শিক্ষা সচিবের কাছে পাঠানো এক পত্রে এই প্রস্তাব নাকচ করেছেন তিনি।
১৯ ঘণ্টা আগে