
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় পার্টিকে সঙ্গে নিয়ে কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা তা মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জুলাই মঞ্চের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম তালুকদার। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলই ছিল জুলাই অভ্যুত্থানের বিরোধী শক্তি। এসব শক্তিকে পরাজিত করেই আমরা আন্দোলন এগিয়ে নিয়েছি।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় রাজধানীর শাহবাগে জুলাই মঞ্চ আয়েজিত ‘বাংলাদেশ সুরক্ষা সমাবেশে’ তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে আরিফুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ২০২৪ সালে যে রাজনৈতিক শক্তিকে পরাজিত করে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল, সেই শক্তির সহযোগী কোনো দলের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দল একই নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না। এমন নজির স্থাপন করা হলে তা হবে নগ্ন বিশ্বাসঘাতকতা।
তিনি অভিযোগ করেন, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে একটি কথিত সেটআপের মাধ্যমে উপদেষ্টা সরকার গঠন করা হয়েছে। জনগণের আন্দোলনকে পাশ কাটিয়ে ক্ষমতা ভাগাভাগির চেষ্টা চলছে। আমরা অনেক সহ্য করেছি, কিন্তু আর সহ্য করবো না।
জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে জুলাই মঞ্চের আহ্বায়ক বলেন, যারা জীবন বাজি রেখে এই আন্দোলনে নেমেছেন, তারা আর কোনো কিছুর পরোয়া করেন না। জাতীয় পার্টিকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন করে আবার বাংলাদেশকে ভারতের রাজ্যে পরিণত করার স্বপ্ন দেখলে তা জীবিত থাকতে সফল হতে দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যারা হঠাৎ সেলিব্রেটি ও কোটিপতি হয়ে উঠেছেন, তারাই এখন ক্ষমতা ভাগাভাগির জন্য জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে গ্রহণ করছেন। তিনি দাবি করেন, যদি তাদের মধ্যে প্রকৃত চেতনা থাকতো, তাহলে জাতীয় পার্টির সঙ্গে একই নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নই উঠতো না। অথচ তারা চেতনার কথা বললেও বাস্তবে কোনো প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে না।
সংগঠনটির অন্য এক সংগঠক বলেন, আমরা এই সমাবেশে দল হিসেবে জাতীয় পার্টির বিচার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা, শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার এবং গণহত্যার সহযোগী আমলাদের আসন্ন নির্বাচনের আগেই চাকরিচ্যুত করার দাবিতে হাজির হয়েছি। আমাদের দাবি শিগগির মেনে নিতে হবে। নাহলে আমরা আন্দোলন দীর্ঘ করবো।
তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবকে কেন্দ্র করে আজ সারা দেশে বিতর্ক তৈরি করা হয়েছে। একসময় যে আন্দোলন জনগণের আশা ছিল, সেটাকেই এখন প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে। আমরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলাম, সেই বাংলাদেশ আজ হুমকির মুখে পড়েছে।
সমাবেশ শেষে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। এসময় তারা ‘ব্যান করো ব্যান করো, জাতীয় পার্টি ব্যান করো’, ‘জাতীয় পার্টির চামড়া, তুলে নেব আমরা’ সহ নানান স্লোগান দেন।

জাতীয় পার্টিকে সঙ্গে নিয়ে কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা তা মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জুলাই মঞ্চের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম তালুকদার। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলই ছিল জুলাই অভ্যুত্থানের বিরোধী শক্তি। এসব শক্তিকে পরাজিত করেই আমরা আন্দোলন এগিয়ে নিয়েছি।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় রাজধানীর শাহবাগে জুলাই মঞ্চ আয়েজিত ‘বাংলাদেশ সুরক্ষা সমাবেশে’ তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে আরিফুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ২০২৪ সালে যে রাজনৈতিক শক্তিকে পরাজিত করে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল, সেই শক্তির সহযোগী কোনো দলের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দল একই নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না। এমন নজির স্থাপন করা হলে তা হবে নগ্ন বিশ্বাসঘাতকতা।
তিনি অভিযোগ করেন, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে একটি কথিত সেটআপের মাধ্যমে উপদেষ্টা সরকার গঠন করা হয়েছে। জনগণের আন্দোলনকে পাশ কাটিয়ে ক্ষমতা ভাগাভাগির চেষ্টা চলছে। আমরা অনেক সহ্য করেছি, কিন্তু আর সহ্য করবো না।
জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে জুলাই মঞ্চের আহ্বায়ক বলেন, যারা জীবন বাজি রেখে এই আন্দোলনে নেমেছেন, তারা আর কোনো কিছুর পরোয়া করেন না। জাতীয় পার্টিকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন করে আবার বাংলাদেশকে ভারতের রাজ্যে পরিণত করার স্বপ্ন দেখলে তা জীবিত থাকতে সফল হতে দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যারা হঠাৎ সেলিব্রেটি ও কোটিপতি হয়ে উঠেছেন, তারাই এখন ক্ষমতা ভাগাভাগির জন্য জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে গ্রহণ করছেন। তিনি দাবি করেন, যদি তাদের মধ্যে প্রকৃত চেতনা থাকতো, তাহলে জাতীয় পার্টির সঙ্গে একই নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নই উঠতো না। অথচ তারা চেতনার কথা বললেও বাস্তবে কোনো প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে না।
সংগঠনটির অন্য এক সংগঠক বলেন, আমরা এই সমাবেশে দল হিসেবে জাতীয় পার্টির বিচার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা, শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার এবং গণহত্যার সহযোগী আমলাদের আসন্ন নির্বাচনের আগেই চাকরিচ্যুত করার দাবিতে হাজির হয়েছি। আমাদের দাবি শিগগির মেনে নিতে হবে। নাহলে আমরা আন্দোলন দীর্ঘ করবো।
তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবকে কেন্দ্র করে আজ সারা দেশে বিতর্ক তৈরি করা হয়েছে। একসময় যে আন্দোলন জনগণের আশা ছিল, সেটাকেই এখন প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে। আমরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলাম, সেই বাংলাদেশ আজ হুমকির মুখে পড়েছে।
সমাবেশ শেষে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। এসময় তারা ‘ব্যান করো ব্যান করো, জাতীয় পার্টি ব্যান করো’, ‘জাতীয় পার্টির চামড়া, তুলে নেব আমরা’ সহ নানান স্লোগান দেন।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিশ্ব ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশের দুটি পৃথক প্রকল্পের জন্য এই অর্থায়ন অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য জরুরি সহায়তা প্রকল্পে দেওয়া হবে ৩০ কোটি ডলার।
৩ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৭ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
৫ ঘণ্টা আগে
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুণগত ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের প্রয়োজন ছিল, যার সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশ যাওয়ার সময় কিংবা দেশে ফেরার সময় বিমানবন্দরে হাজার হাজার মানুষের সংবর্ধনা নেওয়ার যে রেওয়াজ ছিল, তিনি তা পরিহার করেছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে প্রধানমন্ত্রী মরহুম পিতা-মাতার আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের মানুষের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও ফাতেহা পাঠ করেন। এ সময় সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও দলীয় নেতৃবৃন্দ তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
৫ ঘণ্টা আগে