
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন ভোটার হওয়ার শেষ সময় বেঁধে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত এই সময়ের পর যোগ্য নাগরিকদের আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। মূলত ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী বাংলাদেশি নাগরিকেরা, যারা এখনো ভোটার তালিকায় নাম লেখাননি, তারা এই সুযোগ পাবেন।
বুধবার (১৫ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী এবং এখনো ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হওয়া ব্যক্তিরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন।
নির্ধারিত সময়ের আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। তালিকাটি ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে প্রদর্শনের জন্য রাখা হবে।
খসড়া তালিকায় কারও নাম বাদ পড়লে বা ব্যক্তিগত তথ্যে ভুল থাকলে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত ভোটার অন্তর্ভুক্তি বা তথ্য সংশোধনের আবেদন করা যাবে। যাচাই-বাছাই শেষে ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।
এদিকে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। আপত্তি নিষ্পত্তি ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে।
নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষের দিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।
বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন ভোটার হওয়ার শেষ সময় বেঁধে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত এই সময়ের পর যোগ্য নাগরিকদের আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। মূলত ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী বাংলাদেশি নাগরিকেরা, যারা এখনো ভোটার তালিকায় নাম লেখাননি, তারা এই সুযোগ পাবেন।
বুধবার (১৫ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী এবং এখনো ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হওয়া ব্যক্তিরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন।
নির্ধারিত সময়ের আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। তালিকাটি ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে প্রদর্শনের জন্য রাখা হবে।
খসড়া তালিকায় কারও নাম বাদ পড়লে বা ব্যক্তিগত তথ্যে ভুল থাকলে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত ভোটার অন্তর্ভুক্তি বা তথ্য সংশোধনের আবেদন করা যাবে। যাচাই-বাছাই শেষে ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।
এদিকে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। আপত্তি নিষ্পত্তি ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে।
নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষের দিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।
বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন।

ফরিদের ছোট ভাই স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলম বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।”
১ দিন আগে
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ চলছে। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপরই ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
২ দিন আগে