
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি নির্ভুল, পূর্ণাঙ্গ ও সর্বজনগ্রাহ্য তালিকা প্রণয়নে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া, ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা শনাক্ত করতে বিশেষ যাচাই-বাছাই কমিটি গঠনের পাশাপাশি সেই কমিটিতে সংসদ সদস্যদের উপদেষ্টা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও দেন তিনি।
বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য রুহুল আমীন দুলালের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সঠিক তালিকা প্রণয়নের লক্ষ্যে দেশের বিশিষ্ট মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষকদের নিয়ে বিশেষজ্ঞ সভা আয়োজন, বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা এবং একটি বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা তৈরির কাজ চলছে। তার মতে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মুক্তিযুদ্ধে শহিদ ও গণহত্যার শিকার ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
সম্পূরক প্রশ্নে সংসদ সদস্য রুহুল আমীন দুলাল অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দলীয় বিবেচনায় অনেক ভুয়া ব্যক্তিকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে এবং তারা বর্তমানে সরকারি ভাতা পাচ্ছেন। এসব ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে বিশেষ যাচাই-বাছাই কমিটি গঠনের পাশাপাশি সেই কমিটিতে সংসদ সদস্যদের উপদেষ্টা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও দেন তিনি।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর যাদের ওপর শহিদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরির দায়িত্ব ছিল, তারা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করেননি। তবে বর্তমান সরকার বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে যে কমিটি গঠন করেছে, তাদের মূল লক্ষ্যই হলো প্রকৃত শহিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিকভাবে শনাক্ত করা।
পরে কুড়িগ্রাম-১ আসনের এক সংসদ সদস্য রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা পরিবর্তনের সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে ৫৫ বছর পর একটি চূড়ান্ত ও নির্ভুল তালিকা প্রকাশের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চান।
এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি একজন সম্মুখ সমরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনকে সরকার একটি পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করে।
তিনি আরও বলেন, অতীতে তালিকা প্রণয়নে নানা ত্রুটি ও জটিলতা থাকলেও বর্তমান সরকার রাজনৈতিক প্রভাবমুক্তভাবে দেশের বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় একটি পূর্ণাঙ্গ, সঠিক এবং ঐতিহাসিক সত্যভিত্তিক মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রস্তুতে কাজ করে যাচ্ছে।
রাজনীতি/আরআইআর

মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি নির্ভুল, পূর্ণাঙ্গ ও সর্বজনগ্রাহ্য তালিকা প্রণয়নে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া, ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা শনাক্ত করতে বিশেষ যাচাই-বাছাই কমিটি গঠনের পাশাপাশি সেই কমিটিতে সংসদ সদস্যদের উপদেষ্টা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও দেন তিনি।
বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য রুহুল আমীন দুলালের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সঠিক তালিকা প্রণয়নের লক্ষ্যে দেশের বিশিষ্ট মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষকদের নিয়ে বিশেষজ্ঞ সভা আয়োজন, বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা এবং একটি বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা তৈরির কাজ চলছে। তার মতে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মুক্তিযুদ্ধে শহিদ ও গণহত্যার শিকার ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
সম্পূরক প্রশ্নে সংসদ সদস্য রুহুল আমীন দুলাল অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দলীয় বিবেচনায় অনেক ভুয়া ব্যক্তিকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে এবং তারা বর্তমানে সরকারি ভাতা পাচ্ছেন। এসব ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে বিশেষ যাচাই-বাছাই কমিটি গঠনের পাশাপাশি সেই কমিটিতে সংসদ সদস্যদের উপদেষ্টা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও দেন তিনি।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর যাদের ওপর শহিদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরির দায়িত্ব ছিল, তারা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করেননি। তবে বর্তমান সরকার বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে যে কমিটি গঠন করেছে, তাদের মূল লক্ষ্যই হলো প্রকৃত শহিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিকভাবে শনাক্ত করা।
পরে কুড়িগ্রাম-১ আসনের এক সংসদ সদস্য রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা পরিবর্তনের সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে ৫৫ বছর পর একটি চূড়ান্ত ও নির্ভুল তালিকা প্রকাশের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চান।
এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি একজন সম্মুখ সমরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনকে সরকার একটি পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করে।
তিনি আরও বলেন, অতীতে তালিকা প্রণয়নে নানা ত্রুটি ও জটিলতা থাকলেও বর্তমান সরকার রাজনৈতিক প্রভাবমুক্তভাবে দেশের বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় একটি পূর্ণাঙ্গ, সঠিক এবং ঐতিহাসিক সত্যভিত্তিক মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রস্তুতে কাজ করে যাচ্ছে।
রাজনীতি/আরআইআর

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে নগরের ২ নম্বর গেট এলাকায় কর্মসূচি শুরু করেন তারা। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর কর্মসূচিরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় থেকে সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী তারা আজ বুধবার ‘লংমার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়’ কর্মসূচি পালন করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর উত্তরায় সড়ক অবরোধের পর এবার সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় অবরোধ করেছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। আজ বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে তারা সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড়ে অবস্থান নিলে সড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
২ ঘণ্টা আগে
বন্যা পরিস্থিতির মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া, পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের প্রশ্নপত্রের ভুল এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে পূর্বঘোষিত ‘লংমার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর উত্তরায় সড়ক অবরোধ করেছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা।
৩ ঘণ্টা আগে