
বাসস

বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী খাসিফ আল-হামুদী বলেছেন, বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাত(ইউএই) অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও দীর্ঘদিনের বন্ধুপ্রতিম দেশ। সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশ থেকে প্রশিক্ষিত জনবল নিতে বিশেষভাবে আগ্রহী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে আজ শনিবার সচিবালয়ে তার দপ্তরে সাক্ষাৎকালে আমিরাতের রাষ্ট্রদূত এই আগ্রহের কথা জানান।
বাংলাদেশে নিযুক্ত আমিরাতের রাষ্ট্রদূত বলেন, বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রায় ২০ লাখ বাংলাদেশি অভিবাসী অত্যন্ত সুনামের সাথে কর্মরত রয়েছেন, যারা দুই দেশের অর্থনীতিতেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে তার দেশে দক্ষ ড্রাইভার ও মালীর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশ থেকে এ সংক্রান্ত প্রশিক্ষিত জনবল নিতে বিশেষভাবে আগ্রহী।
রাষ্ট্রদূত আরও জানান, বিশেষ করে ড্রাইভার নিয়োগের ক্ষেত্রে আমিরাতের রাষ্ট্রীয় নীতিমালা অনুযায়ী ছয় মাসের বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনবল প্রেরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই দেশ যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে ছয় মাস মেয়াদি আন্তর্জাতিক মানের ড্রাইভার প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করতে পারে। এই প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্নকারীদের দক্ষ চালক হিসেবে আরব আমিরাতে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে।
অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, মানবপাচার প্রতিরোধ, বাংলাদেশ থেকে ড্রাইভার ও মালীসহ দক্ষ জনবল রপ্তানি এবং এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ, বাংলাদেশে আমিরাতের বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তিসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মন্ত্রী এসময় গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল বা গালফভুক্ত দেশগুলোর জন্য একটি অভিন্ন ড্রাইভার প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব প্রেরণ করা হবে মর্মে রাষ্ট্রদূতকে আশ্বস্ত করেন।
রাষ্ট্রদূত আল-হামুদী বাংলাদেশের সাথে সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি বাংলাদেশে সাইবার সিকিউরিটিসহ তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন উদীয়মান সেক্টরে বড় পরিসরে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। মন্ত্রী আমিরাতের এই বিনিয়োগের আগ্রহকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
বৈঠকে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমনে দুই দেশের যৌথ প্রয়াসের বিষয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রদূত জানান, দুই দেশের মধ্যে মানবপাচার ইস্যু মোকাবেলায় একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের জন্য চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত রয়েছে।
এর প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যে একটি ব্যাপকভিত্তিক 'পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি' স্বাক্ষরিত হতে পারে, যার মধ্যে মানবপাচার প্রতিরোধসহ সকল ধরনের ফৌজদারি অপরাধমূলক বিষয় আওতাভুক্ত করবে। এই চুক্তি দুই দেশের আইনি ও নিরাপত্তা সহযোগিতাকে আরও সুসংহত করবে বলে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান এবং রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
রাজনীতি/এসআই

বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী খাসিফ আল-হামুদী বলেছেন, বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাত(ইউএই) অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও দীর্ঘদিনের বন্ধুপ্রতিম দেশ। সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশ থেকে প্রশিক্ষিত জনবল নিতে বিশেষভাবে আগ্রহী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে আজ শনিবার সচিবালয়ে তার দপ্তরে সাক্ষাৎকালে আমিরাতের রাষ্ট্রদূত এই আগ্রহের কথা জানান।
বাংলাদেশে নিযুক্ত আমিরাতের রাষ্ট্রদূত বলেন, বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রায় ২০ লাখ বাংলাদেশি অভিবাসী অত্যন্ত সুনামের সাথে কর্মরত রয়েছেন, যারা দুই দেশের অর্থনীতিতেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে তার দেশে দক্ষ ড্রাইভার ও মালীর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশ থেকে এ সংক্রান্ত প্রশিক্ষিত জনবল নিতে বিশেষভাবে আগ্রহী।
রাষ্ট্রদূত আরও জানান, বিশেষ করে ড্রাইভার নিয়োগের ক্ষেত্রে আমিরাতের রাষ্ট্রীয় নীতিমালা অনুযায়ী ছয় মাসের বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনবল প্রেরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই দেশ যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে ছয় মাস মেয়াদি আন্তর্জাতিক মানের ড্রাইভার প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করতে পারে। এই প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্নকারীদের দক্ষ চালক হিসেবে আরব আমিরাতে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে।
অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, মানবপাচার প্রতিরোধ, বাংলাদেশ থেকে ড্রাইভার ও মালীসহ দক্ষ জনবল রপ্তানি এবং এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ, বাংলাদেশে আমিরাতের বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তিসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মন্ত্রী এসময় গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল বা গালফভুক্ত দেশগুলোর জন্য একটি অভিন্ন ড্রাইভার প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব প্রেরণ করা হবে মর্মে রাষ্ট্রদূতকে আশ্বস্ত করেন।
রাষ্ট্রদূত আল-হামুদী বাংলাদেশের সাথে সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি বাংলাদেশে সাইবার সিকিউরিটিসহ তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন উদীয়মান সেক্টরে বড় পরিসরে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। মন্ত্রী আমিরাতের এই বিনিয়োগের আগ্রহকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
বৈঠকে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমনে দুই দেশের যৌথ প্রয়াসের বিষয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রদূত জানান, দুই দেশের মধ্যে মানবপাচার ইস্যু মোকাবেলায় একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের জন্য চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত রয়েছে।
এর প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যে একটি ব্যাপকভিত্তিক 'পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি' স্বাক্ষরিত হতে পারে, যার মধ্যে মানবপাচার প্রতিরোধসহ সকল ধরনের ফৌজদারি অপরাধমূলক বিষয় আওতাভুক্ত করবে। এই চুক্তি দুই দেশের আইনি ও নিরাপত্তা সহযোগিতাকে আরও সুসংহত করবে বলে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান এবং রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
রাজনীতি/এসআই

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের আগেই ৯ জেলার ফলপ্রকাশের ঘটনায় এক কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই কর্মকর্তা হলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেন্যান্স মো. মেহতাব কায়েস।
৩ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখা থেকে গত বুধবার (৮ জুলাই) জারি করা এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবহাওয়ার মারাত্মক অবনতি ও বন্যা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় চটগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) আগামীকাল শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের (বিষয় কোড-২৭৫) পরীক্ষাটি স্থগিত করা হলো।
৪ ঘণ্টা আগে
‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত ১০টি উদ্যোগ’ শিরোনামে মাহ্দী আমিন ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া ১০টি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
৫ ঘণ্টা আগে