
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নারী শিক্ষা, নারী অধিকার, নারীর আর্থসামাজিক উন্নয়ন, সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণ এবং পল্লী উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সর্বোচ্চ পাঁচ বাংলাদেশি নারীকে ‘বেগম রোকেয়া পদক-২০২৬’ প্রদান করা হবে। এসব ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা বাংলাদেশি নারীরা এ পদকের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নারীর ক্ষমতায়ন ও সমাজে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘বেগম রোকেয়া পদক-২০২৬’-এর জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নারী শিক্ষা, নারী অধিকার, নারীর আর্থসামাজিক উন্নয়ন, সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণ, পল্লী উন্নয়ন এবং সরকার নির্ধারিত অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা বাংলাদেশি নারীরা এ পদকের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এ বছর সর্বোচ্চ পাঁচজন নারীকে এ সম্মাননা দেওয়া হবে। আবেদনপত্রের নির্ধারিত ‘ছক’ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় (www.mowca.gov.bd) ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (www.dwa.gov.bd) থেকে সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত ‘ছক’ ছাড়া অন্য কোনো ফরমে আবেদন বা মনোনয়ন গ্রহণ করা হবে না।
আগ্রহী প্রার্থীদের পদক প্রাপ্তির ক্ষেত্র উল্লেখ করে আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী আবেদনপত্রের সফট কপি (নিকষ ফন্টে এমএস ওয়ার্ড ফাইলে) ই-মেইলে পাঠাতে হবে।
একই সঙ্গে আবেদনপত্রের দুই সেট হার্ড কপি ডাকযোগে বা সরাসরি সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা বরাবর জমা দিতে হবে।
বেগম রোকেয়া পদক দেশের নারীদের জন্য অন্যতম সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা। নারী শিক্ষা, অধিকার, সমাজ সংস্কার ও নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদান রাখা নারীদের প্রতি বছর এ পদকের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
সবশেষ ২০২৫ সালে নারী শিক্ষা, শ্রম অধিকার, মানবাধিকার এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বেগম রোকেয়া পুরস্কার পান ড. রুভানা রাকিব, কল্পনা আক্তার, ড. নাবিলা ইদ্রিস ও ঋতুপর্ণা চাকমা।
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের স্বপ্ন ছিল নারী-পুরুষ সমান মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে সমাজে বসবাস করবে। সেই স্বপ্নের কথাই তিনি তার গল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধে তুলে ধরেছেন। নারী শিক্ষার প্রসারে তিনি আমৃত্যু কাজ করেছেন। নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং ভোটাধিকারের আন্দোলনের পথিকৃৎ ছিলেন তিনি।
১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুরের পায়রাবন্দের এক জমিদার পরিবারে তার জন্ম। রোকেয়া খাতুন, রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন এবং মিসেস আর. এস. হোসেন নামেও তিনি লেখালেখি করতেন এবং পরিচিত ছিলেন।
ঊনবিংশ শতকে নারীরা যখন অবরোধবাসিনী, তখন নারীর পরাধীনতার বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার হন। ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর, জন্মদিনেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। দিনটি প্রতিবছর ‘রোকেয়া দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

নারী শিক্ষা, নারী অধিকার, নারীর আর্থসামাজিক উন্নয়ন, সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণ এবং পল্লী উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সর্বোচ্চ পাঁচ বাংলাদেশি নারীকে ‘বেগম রোকেয়া পদক-২০২৬’ প্রদান করা হবে। এসব ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা বাংলাদেশি নারীরা এ পদকের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নারীর ক্ষমতায়ন ও সমাজে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘বেগম রোকেয়া পদক-২০২৬’-এর জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নারী শিক্ষা, নারী অধিকার, নারীর আর্থসামাজিক উন্নয়ন, সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণ, পল্লী উন্নয়ন এবং সরকার নির্ধারিত অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা বাংলাদেশি নারীরা এ পদকের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এ বছর সর্বোচ্চ পাঁচজন নারীকে এ সম্মাননা দেওয়া হবে। আবেদনপত্রের নির্ধারিত ‘ছক’ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় (www.mowca.gov.bd) ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (www.dwa.gov.bd) থেকে সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত ‘ছক’ ছাড়া অন্য কোনো ফরমে আবেদন বা মনোনয়ন গ্রহণ করা হবে না।
আগ্রহী প্রার্থীদের পদক প্রাপ্তির ক্ষেত্র উল্লেখ করে আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী আবেদনপত্রের সফট কপি (নিকষ ফন্টে এমএস ওয়ার্ড ফাইলে) ই-মেইলে পাঠাতে হবে।
একই সঙ্গে আবেদনপত্রের দুই সেট হার্ড কপি ডাকযোগে বা সরাসরি সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা বরাবর জমা দিতে হবে।
বেগম রোকেয়া পদক দেশের নারীদের জন্য অন্যতম সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা। নারী শিক্ষা, অধিকার, সমাজ সংস্কার ও নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদান রাখা নারীদের প্রতি বছর এ পদকের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
সবশেষ ২০২৫ সালে নারী শিক্ষা, শ্রম অধিকার, মানবাধিকার এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বেগম রোকেয়া পুরস্কার পান ড. রুভানা রাকিব, কল্পনা আক্তার, ড. নাবিলা ইদ্রিস ও ঋতুপর্ণা চাকমা।
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের স্বপ্ন ছিল নারী-পুরুষ সমান মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে সমাজে বসবাস করবে। সেই স্বপ্নের কথাই তিনি তার গল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধে তুলে ধরেছেন। নারী শিক্ষার প্রসারে তিনি আমৃত্যু কাজ করেছেন। নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং ভোটাধিকারের আন্দোলনের পথিকৃৎ ছিলেন তিনি।
১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুরের পায়রাবন্দের এক জমিদার পরিবারে তার জন্ম। রোকেয়া খাতুন, রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন এবং মিসেস আর. এস. হোসেন নামেও তিনি লেখালেখি করতেন এবং পরিচিত ছিলেন।
ঊনবিংশ শতকে নারীরা যখন অবরোধবাসিনী, তখন নারীর পরাধীনতার বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার হন। ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর, জন্মদিনেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। দিনটি প্রতিবছর ‘রোকেয়া দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ রোগীদের তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করছে। সেই হিসাব অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ছয় মাসে প্রাণ গেছে ১ হাজার ৩৬ জনের। দেশের ইতিহাসে হামে এত মৃত্যুর ঘটনা আগে ঘ
২ ঘণ্টা আগে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণে এয়ারবাস কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, যেকোনো ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে
৩ ঘণ্টা আগে
মামলার নথি ও দুদক সূত্রে জানা গেছে, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সুপর্ণা সুর, তার স্বামী এস কে সুর এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে অর্জিত সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ দাখিলের জন্য সুপর্ণাকে নোটিশ দেওয়া হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, তার হাতে এখনো অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সাত মাসের মধ্যে সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে উদ্যোগ এবং কাজের গতি দৃশ্যমান হওয়া দরকার। উপাচার্যের নেতৃত্বে যে দল গঠন করা হয়েছে, তাদের উৎপাদনশীলতা ও
৩ ঘণ্টা আগে