
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে সরকারের জ্বালানি বিল পরিশোধে অতিরিক্ত ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সব ধরনের জ্বালানি উৎসের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা এখন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
শনিবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) মিলনায়তনে আয়োজিত ‘অর্থনৈতিক পরিস্থিতি; প্রেক্ষিত রাজস্ব ও মুদ্রানীতি এবং বেসরকারি খাতের প্রত্যাশা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
দেশে জ্বালানি সংকট এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে সৌরশক্তির ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বাজেটে এ লক্ষ্যে নানা সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এখন এই খাতে বিনিয়োগে উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সাবেক উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান জায়েদি সাত্তার এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান।
বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় বিনিয়োগ না বাড়লে বিদেশি বিনিয়োগও আসবে না। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা যত গভীরই হোক না কেন, সেগুলো দূর করা হবে। সরকারি নিয়ন্ত্রণ কমানো (ডিরেগুলেশন) নিয়ে তিনি বলেন, ডিরেগুলেশন বলা যতটা সহজ, বাস্তবে তা বাস্তবায়ন করা ততটাই কঠিন। তবে এ বিষয়ে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিদ্যমান বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা এক দিনে সমাধান হবে না। এ জন্য সময় লাগবে। জ্বালানি খাতে তিন মাসের মজুত নিশ্চিত করতেও সরকার কাজ করছে। আর্থিক খাত পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে সরকার ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। যারা প্রণোদনা পাওয়ার শর্ত পূরণ করতে পারবে, তারা ঋণ সহায়তা পাবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য হবে না।
কর-জিডিপির অনুপাত বাড়ানো না গেলে সরকারের কোনো উদ্যোগই সফল হবে না বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। এ ক্ষেত্রে অটোমেশনের কোনো বিকল্প নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি। অর্থায়নের জন্য প্রচলিত উৎসের বাইরে বিকল্প অর্থায়নের সুযোগ বাড়াতে পুঁজিবাজার শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, শিগগিরই এর সুফল দেশবাসী পাবেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, অর্থনীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন একটি যুগসন্ধিক্ষণে রয়েছে। সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত গতি আসবে না। বরং পিছিয়ে পড়ার সুযোগ তৈরি হবে।
তিনি বলেন, অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে হয়রানি এখন একটি নেতিবাচক কাঠামোতে পরিণত হয়েছে। এর ফলে সংস্কার কার্যক্রমও কাঙ্ক্ষিত ফল দিচ্ছে না। করজাল সম্প্রসারণে হয়রানি কমানোর কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন।
খেলাপি ঋণ কমাতে বিদ্যমান কাঠামোগত সমস্যাগুলো দূর করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) ঋণসুবিধা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রমের বাস্তবায়ন নজরদারির জন্য ‘ইকোনমিক রিফর্ম এক্সিলারেশন ইউনিট’ গঠনের প্রস্তাবও দেন এই অর্থনীতিবিদ।
আইসিসিবির সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, বর্তমানে দেশে বিনিয়োগে স্থবিরতা বিরাজ করছে। এর সঙ্গে উচ্চ সুদের হার, উৎপাদন ও আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, বিনিময় হার এবং জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।
পিআরআইয়ের চেয়ারম্যান জায়েদি সাত্তার বলেন, দেশের নীতিমালা ও তার বাস্তবায়নের মধ্যে বড় ধরনের ফারাক রয়েছে। ফলে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, রপ্তানি পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণে বাংলাদেশ যতটা উদার, পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ততটাই কঠিন। উচ্চ শুল্কহারের কারণে স্থানীয়ভাবে মূল্যস্ফীতি ও পণ্যের দাম বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সিপিডির ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন করতে হলে কর আহরণে বিপ্লব ঘটাতে হবে। বাজেটে রাজস্ব আহরণের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা অর্জিত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তিনি বলেন, বাজেটে কিছু ভালো উদ্যোগ থাকলেও মুদ্রানীতিতে তার প্রতিফলন নেই। ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় মুদ্রানীতিতে সংস্কার আনা জরুরি।
অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক এ কে এনামুল হক, ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমান, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
সেমিনারে উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধে বলা হয়, সরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি প্রায় ২৬ শতাংশ হলেও বেসরকারি খাতে এই হার মাত্র ৫ শতাংশ। বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য এটি উদ্বেগের বিষয়। দীর্ঘ মেয়াদে ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংকনির্ভরতা কমাতে পুঁজিবাজারকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয় মূল প্রবন্ধে।

চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে সরকারের জ্বালানি বিল পরিশোধে অতিরিক্ত ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সব ধরনের জ্বালানি উৎসের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা এখন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
শনিবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) মিলনায়তনে আয়োজিত ‘অর্থনৈতিক পরিস্থিতি; প্রেক্ষিত রাজস্ব ও মুদ্রানীতি এবং বেসরকারি খাতের প্রত্যাশা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
দেশে জ্বালানি সংকট এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে সৌরশক্তির ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বাজেটে এ লক্ষ্যে নানা সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এখন এই খাতে বিনিয়োগে উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সাবেক উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান জায়েদি সাত্তার এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান।
বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় বিনিয়োগ না বাড়লে বিদেশি বিনিয়োগও আসবে না। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা যত গভীরই হোক না কেন, সেগুলো দূর করা হবে। সরকারি নিয়ন্ত্রণ কমানো (ডিরেগুলেশন) নিয়ে তিনি বলেন, ডিরেগুলেশন বলা যতটা সহজ, বাস্তবে তা বাস্তবায়ন করা ততটাই কঠিন। তবে এ বিষয়ে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিদ্যমান বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা এক দিনে সমাধান হবে না। এ জন্য সময় লাগবে। জ্বালানি খাতে তিন মাসের মজুত নিশ্চিত করতেও সরকার কাজ করছে। আর্থিক খাত পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে সরকার ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। যারা প্রণোদনা পাওয়ার শর্ত পূরণ করতে পারবে, তারা ঋণ সহায়তা পাবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য হবে না।
কর-জিডিপির অনুপাত বাড়ানো না গেলে সরকারের কোনো উদ্যোগই সফল হবে না বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। এ ক্ষেত্রে অটোমেশনের কোনো বিকল্প নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি। অর্থায়নের জন্য প্রচলিত উৎসের বাইরে বিকল্প অর্থায়নের সুযোগ বাড়াতে পুঁজিবাজার শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, শিগগিরই এর সুফল দেশবাসী পাবেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, অর্থনীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন একটি যুগসন্ধিক্ষণে রয়েছে। সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত গতি আসবে না। বরং পিছিয়ে পড়ার সুযোগ তৈরি হবে।
তিনি বলেন, অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে হয়রানি এখন একটি নেতিবাচক কাঠামোতে পরিণত হয়েছে। এর ফলে সংস্কার কার্যক্রমও কাঙ্ক্ষিত ফল দিচ্ছে না। করজাল সম্প্রসারণে হয়রানি কমানোর কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন।
খেলাপি ঋণ কমাতে বিদ্যমান কাঠামোগত সমস্যাগুলো দূর করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) ঋণসুবিধা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রমের বাস্তবায়ন নজরদারির জন্য ‘ইকোনমিক রিফর্ম এক্সিলারেশন ইউনিট’ গঠনের প্রস্তাবও দেন এই অর্থনীতিবিদ।
আইসিসিবির সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, বর্তমানে দেশে বিনিয়োগে স্থবিরতা বিরাজ করছে। এর সঙ্গে উচ্চ সুদের হার, উৎপাদন ও আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, বিনিময় হার এবং জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।
পিআরআইয়ের চেয়ারম্যান জায়েদি সাত্তার বলেন, দেশের নীতিমালা ও তার বাস্তবায়নের মধ্যে বড় ধরনের ফারাক রয়েছে। ফলে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, রপ্তানি পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণে বাংলাদেশ যতটা উদার, পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ততটাই কঠিন। উচ্চ শুল্কহারের কারণে স্থানীয়ভাবে মূল্যস্ফীতি ও পণ্যের দাম বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সিপিডির ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন করতে হলে কর আহরণে বিপ্লব ঘটাতে হবে। বাজেটে রাজস্ব আহরণের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা অর্জিত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তিনি বলেন, বাজেটে কিছু ভালো উদ্যোগ থাকলেও মুদ্রানীতিতে তার প্রতিফলন নেই। ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় মুদ্রানীতিতে সংস্কার আনা জরুরি।
অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক এ কে এনামুল হক, ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমান, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
সেমিনারে উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধে বলা হয়, সরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি প্রায় ২৬ শতাংশ হলেও বেসরকারি খাতে এই হার মাত্র ৫ শতাংশ। বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য এটি উদ্বেগের বিষয়। দীর্ঘ মেয়াদে ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংকনির্ভরতা কমাতে পুঁজিবাজারকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয় মূল প্রবন্ধে।

শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলা নিষ্পত্তি করতে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারকে ৪০ কোটি ডলার (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে চার হাজার ৮৮০ কোটি টাকা) দিতে রাজি হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটক। শিশুদের গোপনীয়তা রক্ষার আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম বড় আ
১০ ঘণ্টা আগে
তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের পরিবর্তে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কারফিউ শিথিল করে এক ঘণ্টা সময় বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানায় ‘অবরোধবাসিনী’। সংগঠনটির দাবি, নারী শিক্ষার্থীদের নাগরিক ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার পরিবর্তে এ ধরনের সীমিত শিথিলতা সমস্যার সমাধান নয়।
২১ ঘণ্টা আগে
যে শিশুটিকে পরিবার মৃত বলেই ধরে নিয়েছিল, সেই মোহাম্মদ ফরিদ দীর্ঘ ২৫ বছর পর শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে কক্সবাজারের উখিয়ার নিজ বাড়িতে ফিরে এসেছেন। ১০ বছর বয়সে বাবার হাত ধরে বিদেশে যাওয়ার পর মানবপাচারের শিকার হয়ে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি।
১ দিন আগে
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে ২৫৫ জন সংসদ সদস্যের ভোটে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ ভোট পান ৮৮টি।
১ দিন আগে