
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকার জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তা বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে দায়বদ্ধ। জনগণকে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে সরকার।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে দেশব্যাপী বহুল প্রতীক্ষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
নারীদের স্বাবলম্বী ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী ৫ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে দেশের ৪ কোটি পরিবারের কাছে এই রাষ্ট্রীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার কেবল প্রতিশ্রুতিতে নয়, বরং বাস্তবায়নে বিশ্বাসী। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী মাসেই ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে যেকোনো পরিস্থিতি ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।
ফ্যামিলি কার্ডের বণ্টন প্রক্রিয়া সম্পর্কে অনুষ্ঠানে জানানো হয় যে, সাধারণত ৫ সদস্যের একটি পরিবারের জন্য একটি কার্ড বরাদ্দ থাকবে। তবে যেসব একান্নবর্তী বা যৌথ পরিবারে সদস্য সংখ্যা পাঁচের অধিক, তাদের ক্ষেত্রে সদস্য সংখ্যার আনুপাতিক হারে একাধিক কার্ড দেওয়ার বিষয়টি সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করবে। এতে প্রান্তিক পর্যায়ের বড় পরিবারগুলোও সরকারি সুবিধার আওতায় আসবে।
অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ হোসেন প্রকল্পের আর্থিক দিক তুলে ধরে জানান, পাইলটিং পর্যায়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য আগামী জুন পর্যন্ত ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই বরাদ্দের বড় একটি অংশ অর্থাৎ ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা (৬৬.০৬%) সরাসরি নগদ সহায়তা হিসেবে প্রদান করা হবে। বাকি ১২ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয় হবে তথ্য সংগ্রহ, অনলাইন সিস্টেম উন্নয়ন এবং কার্ড প্রস্তুত করার মতো কারিগরি খাতে।

সরকার জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তা বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে দায়বদ্ধ। জনগণকে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে সরকার।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে দেশব্যাপী বহুল প্রতীক্ষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
নারীদের স্বাবলম্বী ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী ৫ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে দেশের ৪ কোটি পরিবারের কাছে এই রাষ্ট্রীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার কেবল প্রতিশ্রুতিতে নয়, বরং বাস্তবায়নে বিশ্বাসী। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী মাসেই ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে যেকোনো পরিস্থিতি ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।
ফ্যামিলি কার্ডের বণ্টন প্রক্রিয়া সম্পর্কে অনুষ্ঠানে জানানো হয় যে, সাধারণত ৫ সদস্যের একটি পরিবারের জন্য একটি কার্ড বরাদ্দ থাকবে। তবে যেসব একান্নবর্তী বা যৌথ পরিবারে সদস্য সংখ্যা পাঁচের অধিক, তাদের ক্ষেত্রে সদস্য সংখ্যার আনুপাতিক হারে একাধিক কার্ড দেওয়ার বিষয়টি সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করবে। এতে প্রান্তিক পর্যায়ের বড় পরিবারগুলোও সরকারি সুবিধার আওতায় আসবে।
অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ হোসেন প্রকল্পের আর্থিক দিক তুলে ধরে জানান, পাইলটিং পর্যায়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য আগামী জুন পর্যন্ত ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই বরাদ্দের বড় একটি অংশ অর্থাৎ ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা (৬৬.০৬%) সরাসরি নগদ সহায়তা হিসেবে প্রদান করা হবে। বাকি ১২ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয় হবে তথ্য সংগ্রহ, অনলাইন সিস্টেম উন্নয়ন এবং কার্ড প্রস্তুত করার মতো কারিগরি খাতে।

তিস্তা নদীর পানিবণ্টন প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা নদীর পানি নিয়ে উত্তরাঞ্চলের মানুষ দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। তিস্তা সমস্যার সমাধান না হলে উত্তরবঙ্গের মানুষের কষ্ট দূর হবে না। তিনি দুই দেশের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের এই সমস্যার একটি ন্যায়সংগত ও টেকসই সমাধানের ওপর গুরুত্বা
১৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষ হয়েছে। এ অধিবেশনে ছয়টি বিল উত্থাপন হয়েছে এবং ছয়টি বিল পাসও করা হয়। আইন প্রণয়নের পাশাপাশি এ অধিবেশনে ৩৫টি সংসদীয় কমিটি গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়। এ ছাড়া একটি বিশেষ কমিটিও পুনর্গঠন করা হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দুর্নীতি দমনে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কীভাবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে প্রতি মাসে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির অন্তত দুটি বৈঠক নিয়মিতভাবে আয়োজনের
১৪ ঘণ্টা আগে
‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে বিলটি উত্থাপন করা হয়। এই বিলের মাধ্যমে এপিবিএনকে প্রথমবারের মতো ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে