
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাগেরহাটের ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামকে তার স্ত্রী ও ৯ মাস বয়সী সন্তানের শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার জন্য প্যারোলে মুক্তি না দিয়ে জেলগেটে মরদেহ দেখানোর ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন দেশের ৩৮ জন বিশিষ্ট নাগরিক।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই ঘটনাকে 'অমানবিক ও নিষ্ঠুর' আখ্যা দিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আমলাতান্ত্রিক উদাসীনতাকে ধিক্কার জানান।
মানবাধিকার কর্মী ও নাগরিক সমাজের মতে, একজন বন্দির জন্য এমন পরিস্থিতিতে প্যারোলে মুক্তি পাওয়া আইনি অধিকার হলেও প্রতিহিংসার কারণে তাকে তা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
বিবৃতিতে মানবাধিকার কর্মী ও বিশিষ্টজনরা বলেন, সাদ্দামের স্ত্রী সুবর্ণা স্বর্ণালী ও তার ৯ মাস বয়সী শিশু সন্তানের মৃত্যুর পর শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাওয়া সাদ্দামের আইনগত অধিকার ছিল। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক উদাসীনতা ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনের ঠুনকো অজুহাতে তাকে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। উল্টো নিরাপত্তাহীনতার অজুহাত তুলে ডিএসবি নেতিবাচক প্রতিবেদন দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত পরিবার নিরুপায় হয়ে লাশবাহী গাড়িতে করে মরদেহ জেলগেটে নিয়ে যায়, যেখানে মাত্র ৫ মিনিটের জন্য সাদ্দাম তার আদরের সন্তান ও স্ত্রীকে দেখার সুযোগ পান।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাদ্দাম কোনও ফাঁসির আসামি ছিলেন না যে তাকে প্যারোলে মুক্তি দিলে অনেক ভয়ের কারণ হতে পারে। তার রাজনৈতিক পরিচয় বা অপরাধ যাই হোক না কেন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্যারোলে মুক্তি না দেওয়া চরম প্রতিহিংসামূলক ও অমানবিক। এই নিষ্ঠুর আচরণের দায় অন্তর্বর্তী সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও এড়াতে পারেন না।
নাগরিকরা এই ঘটনার জন্য দায়ী সরকারি কর্মকর্তাদের উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, অন্যায় ও বিচারহীনতা দূর করার অঙ্গীকার নিয়ে আসা এই সরকারের সময়ে এমন আচরণ শুধু ‘কথার কথা’ হয়েই থাকছে।
যৌথ বিবৃতিতে সই করেছেন— সুলতানা কামাল, শিরীন পারভিন হক, খুশী কবির, ড. ইফতেখারুজ্জামান (টিআইবি), রাশেদা কে. চৌধুরী, অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না, আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলম, ব্যারিস্টার সারা হোসেন, শামসুল হুদা, শাহীন আনাম, ড. শাহনাজ হুদা, মো. নুর খান, ড. সামিনা লুৎফা, ড. সুমাইয়া খায়ের, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, রোবায়েত ফেরদৌস, ড. জোবাইদা নাসরীন, অ্যাডভোকেট তবারক হোসেন, ফস্টিনা পেরেইরা, অ্যাডভোকেট মিনহাজুল হক চৌধুরী, তাসনিম সিরাজ মাহবুব, ড. ফিরদৌস আজিম, পাভেল পার্থ, অ্যাডভোকেট সালমা আলী, রেহেনুমা আহমেদ, সায়দিয়া গুলরুখ, ঈশিতা দস্তিদার, সালেহ আহমেদ, পারভেজ হাসেম, রেজাউল করিম চৌধুরী, জাকির হোসেন, অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান, সাঈদ আহমেদ, দীপায়ন খীসা, মেইনথিন প্রমীলা, আবু আহমেদ ফয়জুল কবির, মাবরুক মোহাম্মদ, হানা শামস আহমেদ।
উল্লেখ্য, গত ২৩ জানুয়ারি সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, সাদ্দামের মুক্তি না হওয়া ও দীর্ঘদিনের হতাশা থেকেই এই বিয়োগান্তক ঘটনা ঘটেছে।

বাগেরহাটের ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামকে তার স্ত্রী ও ৯ মাস বয়সী সন্তানের শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার জন্য প্যারোলে মুক্তি না দিয়ে জেলগেটে মরদেহ দেখানোর ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন দেশের ৩৮ জন বিশিষ্ট নাগরিক।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই ঘটনাকে 'অমানবিক ও নিষ্ঠুর' আখ্যা দিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আমলাতান্ত্রিক উদাসীনতাকে ধিক্কার জানান।
মানবাধিকার কর্মী ও নাগরিক সমাজের মতে, একজন বন্দির জন্য এমন পরিস্থিতিতে প্যারোলে মুক্তি পাওয়া আইনি অধিকার হলেও প্রতিহিংসার কারণে তাকে তা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
বিবৃতিতে মানবাধিকার কর্মী ও বিশিষ্টজনরা বলেন, সাদ্দামের স্ত্রী সুবর্ণা স্বর্ণালী ও তার ৯ মাস বয়সী শিশু সন্তানের মৃত্যুর পর শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাওয়া সাদ্দামের আইনগত অধিকার ছিল। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক উদাসীনতা ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনের ঠুনকো অজুহাতে তাকে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। উল্টো নিরাপত্তাহীনতার অজুহাত তুলে ডিএসবি নেতিবাচক প্রতিবেদন দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত পরিবার নিরুপায় হয়ে লাশবাহী গাড়িতে করে মরদেহ জেলগেটে নিয়ে যায়, যেখানে মাত্র ৫ মিনিটের জন্য সাদ্দাম তার আদরের সন্তান ও স্ত্রীকে দেখার সুযোগ পান।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাদ্দাম কোনও ফাঁসির আসামি ছিলেন না যে তাকে প্যারোলে মুক্তি দিলে অনেক ভয়ের কারণ হতে পারে। তার রাজনৈতিক পরিচয় বা অপরাধ যাই হোক না কেন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্যারোলে মুক্তি না দেওয়া চরম প্রতিহিংসামূলক ও অমানবিক। এই নিষ্ঠুর আচরণের দায় অন্তর্বর্তী সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও এড়াতে পারেন না।
নাগরিকরা এই ঘটনার জন্য দায়ী সরকারি কর্মকর্তাদের উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, অন্যায় ও বিচারহীনতা দূর করার অঙ্গীকার নিয়ে আসা এই সরকারের সময়ে এমন আচরণ শুধু ‘কথার কথা’ হয়েই থাকছে।
যৌথ বিবৃতিতে সই করেছেন— সুলতানা কামাল, শিরীন পারভিন হক, খুশী কবির, ড. ইফতেখারুজ্জামান (টিআইবি), রাশেদা কে. চৌধুরী, অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না, আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলম, ব্যারিস্টার সারা হোসেন, শামসুল হুদা, শাহীন আনাম, ড. শাহনাজ হুদা, মো. নুর খান, ড. সামিনা লুৎফা, ড. সুমাইয়া খায়ের, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, রোবায়েত ফেরদৌস, ড. জোবাইদা নাসরীন, অ্যাডভোকেট তবারক হোসেন, ফস্টিনা পেরেইরা, অ্যাডভোকেট মিনহাজুল হক চৌধুরী, তাসনিম সিরাজ মাহবুব, ড. ফিরদৌস আজিম, পাভেল পার্থ, অ্যাডভোকেট সালমা আলী, রেহেনুমা আহমেদ, সায়দিয়া গুলরুখ, ঈশিতা দস্তিদার, সালেহ আহমেদ, পারভেজ হাসেম, রেজাউল করিম চৌধুরী, জাকির হোসেন, অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান, সাঈদ আহমেদ, দীপায়ন খীসা, মেইনথিন প্রমীলা, আবু আহমেদ ফয়জুল কবির, মাবরুক মোহাম্মদ, হানা শামস আহমেদ।
উল্লেখ্য, গত ২৩ জানুয়ারি সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, সাদ্দামের মুক্তি না হওয়া ও দীর্ঘদিনের হতাশা থেকেই এই বিয়োগান্তক ঘটনা ঘটেছে।

জনভোগান্তি লাঘবে ট্রাফিক পুলিশের দৃষ্টান্তমূলক উদ্যোগ; আদাবরে অস্ত্রধারী ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তার; আনোয়ারায় চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তার এবং চকরিয়ায় আলোচিত ডাকাতি ও গণধর্ষণ মামলার আসামিদের আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ছোট্ট বন্ধুরা খেলাধুলার পাশাপাশি লেখাপড়া ও সাংস্কৃতিক কাজেও পারদর্শী হতে হবে। তবে অবশ্যই নানা ধরনের খেলা খেলতে হবে। এ বছর এই গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট মাধ্যমিক পর্যায়ে আয়োজন করার পরিকল্পনা আছে। পরের বছর প্রাইম মিনিস্টার কাপের আয়োজন করা হবে।’
৪ ঘণ্টা আগে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ৮৮৭ জন। এর মধ্যে ৮০ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। বাকি ৮০৭ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
গতকাল (শুক্রবার) মিয়ানমার বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতের ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।
৯ ঘণ্টা আগে