
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে দেশে প্রায় ৪১ হাজার ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সাবিকুন্নাহারের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য দেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের তথ্য তুলে ধরে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, গত পাঁচ বছরে বন্যায় ক্ষতি হয়েছে ২৯ হাজার ২৭৭ কোটি টাকার। আর ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতির পরিমাণ ১১ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা।
তিনি জানান, ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ২৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বন্যায় মারা গেছেন ১৯০ জন, আর ঘূর্ণিঝড়ে ৫৯ জন।
এ সময়ে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ১ কোটি ৭৭ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩২ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানান ত্রাণমন্ত্রী। তিনি বলেন, বন্যায় ১ কোটি ৬৮ লাখ ৬০ হাজার ৩২৬ জন এবং ঘূর্ণিঝড়ে ৮ লাখ ৭৪ হাজার ২০৬ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
মন্ত্রী বলেন, ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পাঁচ বছরে ৪০টি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, ৩৩৭টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র এবং ১১৫টি দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য ৪ হাজার ৬৮১ দশমিক ১৫৪ কিলোমিটার দুর্যোগ সহনীয় এইচবিবি রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৬ হাজার ২৭৮টি সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে এবং ৫৮০টি সেতু ও কালভার্ট নির্মাণাধীন রয়েছে।
দুর্যোগ মোকাবিলায় আধুনিক আগাম সতর্কবার্তা ও পূর্বাভাস ব্যবস্থা, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি, ঝুঁকিভিত্তিক আগাম কার্যক্রম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবকদের সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ চলমান রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে জিআর খাদ্য, নগদ সহায়তা, ঘর নির্মাণ ও মেরামত সহায়তা, ঢেউ টিন এবং শুকনা খাবারসহ প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এতে দুর্যোগে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং দেশের দুর্যোগ মোকাবেলার সক্ষমতা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।’

বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে দেশে প্রায় ৪১ হাজার ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সাবিকুন্নাহারের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য দেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের তথ্য তুলে ধরে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, গত পাঁচ বছরে বন্যায় ক্ষতি হয়েছে ২৯ হাজার ২৭৭ কোটি টাকার। আর ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতির পরিমাণ ১১ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা।
তিনি জানান, ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ২৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বন্যায় মারা গেছেন ১৯০ জন, আর ঘূর্ণিঝড়ে ৫৯ জন।
এ সময়ে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ১ কোটি ৭৭ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩২ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানান ত্রাণমন্ত্রী। তিনি বলেন, বন্যায় ১ কোটি ৬৮ লাখ ৬০ হাজার ৩২৬ জন এবং ঘূর্ণিঝড়ে ৮ লাখ ৭৪ হাজার ২০৬ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
মন্ত্রী বলেন, ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পাঁচ বছরে ৪০টি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, ৩৩৭টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র এবং ১১৫টি দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য ৪ হাজার ৬৮১ দশমিক ১৫৪ কিলোমিটার দুর্যোগ সহনীয় এইচবিবি রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৬ হাজার ২৭৮টি সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে এবং ৫৮০টি সেতু ও কালভার্ট নির্মাণাধীন রয়েছে।
দুর্যোগ মোকাবিলায় আধুনিক আগাম সতর্কবার্তা ও পূর্বাভাস ব্যবস্থা, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি, ঝুঁকিভিত্তিক আগাম কার্যক্রম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবকদের সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ চলমান রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে জিআর খাদ্য, নগদ সহায়তা, ঘর নির্মাণ ও মেরামত সহায়তা, ঢেউ টিন এবং শুকনা খাবারসহ প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এতে দুর্যোগে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং দেশের দুর্যোগ মোকাবেলার সক্ষমতা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।’

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের সই করা আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্
৪ ঘণ্টা আগে
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে দেশজুড়ে তীব্র গণঅভ্যুত্থান গড়ে ওঠে। আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ৫ আগস্ট হাজার হাজার ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমে এলে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান। ওইদিনই উত্তেজিত জনতা গণভবনে প্রবেশ করে উদযাপন করে এবং ভবনটিতে
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ ও তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর'-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৬ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ ও তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর'-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৭ ঘণ্টা আগে