
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী তিনি পদত্যাগ করায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে স্পিকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকালে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এরপর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ উদ্দিন রাষ্ট্রপতি হিসেবে এবং ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্পিকারের দায়িত্ব পালনের বিষয়টি জানানো হয়।
এসময় হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছি, সেদিনই প্রয়োজন হলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের জন্যও শপথ নিয়েছি। একইভাবে ডেপুটি স্পিকার শপথ নেওয়ার সময়ও শপথের অংশ হিসেবে উল্লেখ থাকে—কোনো কারণে স্পিকারের পদ শূন্য হলে তিনি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।’
হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশে এ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল। তবে দুপুরে এসে জানতে পারলাম, বিষয়টি সত্য। তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণেই পদত্যাগ করেছেন। আমি তার মঙ্গল ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি। আমার মনে হয়, তিনি মাফিয়া সরকারের (আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন) সময়ে নির্বাচিত হলেও, বর্তমানে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রতি সবসময় সমর্থন ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন। আমি তার সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করছি।’

গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী তিনি পদত্যাগ করায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে স্পিকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকালে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এরপর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ উদ্দিন রাষ্ট্রপতি হিসেবে এবং ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্পিকারের দায়িত্ব পালনের বিষয়টি জানানো হয়।
এসময় হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছি, সেদিনই প্রয়োজন হলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের জন্যও শপথ নিয়েছি। একইভাবে ডেপুটি স্পিকার শপথ নেওয়ার সময়ও শপথের অংশ হিসেবে উল্লেখ থাকে—কোনো কারণে স্পিকারের পদ শূন্য হলে তিনি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।’
হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশে এ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল। তবে দুপুরে এসে জানতে পারলাম, বিষয়টি সত্য। তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণেই পদত্যাগ করেছেন। আমি তার মঙ্গল ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি। আমার মনে হয়, তিনি মাফিয়া সরকারের (আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন) সময়ে নির্বাচিত হলেও, বর্তমানে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রতি সবসময় সমর্থন ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন। আমি তার সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করছি।’

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে স্পিকারের কার্যালয়ে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব। এ অবস্থায় জরুরি সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
৪ ঘণ্টা আগে
স্পিকার বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আজ ২৪ জুলাই, ৯ শ্রাবণ, শুক্রবার অপরাহ্ন ৫টা ১ মিনিটে আমার নিকট পদত্যাগপত্র দাখিল করেছেন। ফলশ্রুতিতে আমি সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।
৪ ঘণ্টা আগে
এর কিছুক্ষণ পরই জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখার সহকারী পরিচালক গণমাধ্যমে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠান। সেখানো জানানো হয়, বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করবেন স্পিকার।
৪ ঘণ্টা আগে
বিমানবন্দরে সাংবাদিকরা হাজির হলে তাদের প্রশ্নের জবাবে স্পিকার বলেছেন, মেডিকেল চেকআপ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে এবং ব্যক্তিগত কিছু কাজ থাকায় তিনি নির্ধারিত সময়ের দুদিন আগেই দেশে ফিরে এসেছেন। এ সময় রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনিও অন্য সবার মতো শুনেছেন, কিছু জানেন না।
৫ ঘণ্টা আগে