
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ভার্চ্যুয়াল শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন।
মামলাটি রাজধানীর বনানী থানার। তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম গত ২ জুলাই এই মামলায় খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখাতে আবেদন করেছিলেন।
আট মামলায় গ্রেপ্তার থাকা খায়রুল হক গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) শেষ মামলাটিতেও জামিন পেয়েছিলেন। ওই দিন তার আইনজীবীরা জানান, এর ফলে তার মুক্তিতে বাধা নেই। দুদিন পরই পুলিশ তাকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে।
আবেদনের ওপর শুনানির জন্য ৬ জুলাই তারিখ ধার্য করেছিলেন আদালত। তবে সেদিন মামলার নথি আদালতে উপস্থাপন না হওয়ায় শুনানি পেছানো হয়। ৮ জুলাই ভার্চ্যুয়ালি শুনানির তারিখ ধার্য করেন আদালত। আজ শুনানি শেষে আদালত খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিলেন।
বনানী থানার ওই মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, চব্বিশের জুলাই আন্দোলন চলাকালে ৪ আগস্ট দুপুরে মহাখালীতে সেতু ভবনের সামনে আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ করছিলেন। সেখান থেকে তারা শাহবাগে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। পথে তাদের ওপর গুলি চালানো হয় এবং হাতবোমা নিক্ষেপ করা হয়।
অতর্কিত এ হামলায় উজ্জ্বল মিয়াসহ ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হন। এ ঘটনায় উজ্জ্বল মিয়া বনানী থানায় হত্যাচেষ্টাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেন। সে মামলাতেই খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছে পুলিশ।
জুলাই অভ্যুত্থানের এক বছর পর ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই খায়রুল হককে ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। সবশেষ মঙ্গলবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার খোয়াইব হত্যা মামলায় তাকে জামিন দেন হাইকোর্ট। তাকে কেন স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে একটি রুলও জারি করেন।
এ নিয়ে মোট আট মামলায় জামিন পান সাবেক এই প্রধান বিচারপতি। এর আগেও একাধিক মামলায় জামিনের পর তার মুক্তির বিষয়ে ইতিবাচক বক্তব্য দিয়েছিলেন আইনজীবীরা। মঙ্গলবারও আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা বলেন, ‘মোট আটটি মামলায় তিনি জামিন পেলেন। তার বিরুদ্ধে আর কোনো পেন্ডিং মামলা নেই এবং নতুন কোনো মামলায় তাকে এখন পর্যন্ত অ্যারেস্ট দেখানো হয়নি। ফলে আপাতত তার কারামুক্তিতে কোনো বাধা নেই।’
সাঈদ আহমেদ রাজা আরও বলেন, ‘আমরা জামিন করালেই নতুন মামলায় তাকে অ্যারেস্ট দেখানো হয়। এর আগেও হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর আমরা দেখেছি, এক দিন আগের পুরনো তারিখে তাকে নতুন করে অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছিল। এবারও যদি তারা এমন কিছু করে বসে, তাহলে তো সেটি আমাদের আগে থেকে জানার কোনো সুযোগ নেই।’
এ আইনজীবীর বক্তব্য যে অমূলক নয়, বৃহস্পতিবার আদালতে পুলিশের আবেদনে সেটিই প্রমাণিত হয়েছে। তবে পুলিশের এ আবেদন আদালত গ্রহণ করবেন কি না, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে ৬ জুলাই পর্যন্ত।
এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন। ২০১১ সালের ১০ মে তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দিলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল হয়। ওই রায় দেওয়ার সাত দিন পর ১৭ মে তিনি প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসরে যান।
২০১৩ সালের ২৩ জুলাই তাকে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান করা হয়। আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তিনি ওই পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এর বছরখানেক পর ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রাতে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে যুবদল কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর এখন পর্যন্ত কারাগার থেকে মুক্তি পাননি তিনি।

জুলাই আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ভার্চ্যুয়াল শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন।
মামলাটি রাজধানীর বনানী থানার। তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম গত ২ জুলাই এই মামলায় খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখাতে আবেদন করেছিলেন।
আট মামলায় গ্রেপ্তার থাকা খায়রুল হক গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) শেষ মামলাটিতেও জামিন পেয়েছিলেন। ওই দিন তার আইনজীবীরা জানান, এর ফলে তার মুক্তিতে বাধা নেই। দুদিন পরই পুলিশ তাকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে।
আবেদনের ওপর শুনানির জন্য ৬ জুলাই তারিখ ধার্য করেছিলেন আদালত। তবে সেদিন মামলার নথি আদালতে উপস্থাপন না হওয়ায় শুনানি পেছানো হয়। ৮ জুলাই ভার্চ্যুয়ালি শুনানির তারিখ ধার্য করেন আদালত। আজ শুনানি শেষে আদালত খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিলেন।
বনানী থানার ওই মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, চব্বিশের জুলাই আন্দোলন চলাকালে ৪ আগস্ট দুপুরে মহাখালীতে সেতু ভবনের সামনে আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ করছিলেন। সেখান থেকে তারা শাহবাগে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। পথে তাদের ওপর গুলি চালানো হয় এবং হাতবোমা নিক্ষেপ করা হয়।
অতর্কিত এ হামলায় উজ্জ্বল মিয়াসহ ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হন। এ ঘটনায় উজ্জ্বল মিয়া বনানী থানায় হত্যাচেষ্টাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেন। সে মামলাতেই খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছে পুলিশ।
জুলাই অভ্যুত্থানের এক বছর পর ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই খায়রুল হককে ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। সবশেষ মঙ্গলবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার খোয়াইব হত্যা মামলায় তাকে জামিন দেন হাইকোর্ট। তাকে কেন স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে একটি রুলও জারি করেন।
এ নিয়ে মোট আট মামলায় জামিন পান সাবেক এই প্রধান বিচারপতি। এর আগেও একাধিক মামলায় জামিনের পর তার মুক্তির বিষয়ে ইতিবাচক বক্তব্য দিয়েছিলেন আইনজীবীরা। মঙ্গলবারও আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা বলেন, ‘মোট আটটি মামলায় তিনি জামিন পেলেন। তার বিরুদ্ধে আর কোনো পেন্ডিং মামলা নেই এবং নতুন কোনো মামলায় তাকে এখন পর্যন্ত অ্যারেস্ট দেখানো হয়নি। ফলে আপাতত তার কারামুক্তিতে কোনো বাধা নেই।’
সাঈদ আহমেদ রাজা আরও বলেন, ‘আমরা জামিন করালেই নতুন মামলায় তাকে অ্যারেস্ট দেখানো হয়। এর আগেও হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর আমরা দেখেছি, এক দিন আগের পুরনো তারিখে তাকে নতুন করে অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছিল। এবারও যদি তারা এমন কিছু করে বসে, তাহলে তো সেটি আমাদের আগে থেকে জানার কোনো সুযোগ নেই।’
এ আইনজীবীর বক্তব্য যে অমূলক নয়, বৃহস্পতিবার আদালতে পুলিশের আবেদনে সেটিই প্রমাণিত হয়েছে। তবে পুলিশের এ আবেদন আদালত গ্রহণ করবেন কি না, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে ৬ জুলাই পর্যন্ত।
এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন। ২০১১ সালের ১০ মে তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দিলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল হয়। ওই রায় দেওয়ার সাত দিন পর ১৭ মে তিনি প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসরে যান।
২০১৩ সালের ২৩ জুলাই তাকে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান করা হয়। আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তিনি ওই পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এর বছরখানেক পর ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রাতে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে যুবদল কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর এখন পর্যন্ত কারাগার থেকে মুক্তি পাননি তিনি।

নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোতে সরকারি বিজ্ঞাপন দেওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনকে অনুরোধ জানিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক ও প্রকাশকরা। এ সময় মন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান আইনি কাঠামো ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রেখেই অনলাইন স
১০ ঘণ্টা আগে
রিমান্ডে পাঠানো দুই আসামি হলেন শাহ আমানত সাবির ও হোসাইন তানিম। কারাগারে পাঠানো চারজন হলেন জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান ও বায়েজিদ।
১০ ঘণ্টা আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
১২ ঘণ্টা আগে