
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অমর একুশে বইমেলা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি। তবে রমজান ও নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় এ মেলা ঈদুল ফিতরের পরে আবেদন করতে চান প্রকাশকরা। এ বিষয়ে জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে সরকার গঠনের পথে থাকা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে খোলা চিঠি দিয়েছেন তারা।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশকদের সংগঠন প্রকাশক ঐক্য এই চিঠির একটি অনুলিপি পাঠিয়েছে গণমাধ্যমে৷ চিঠিতে দেশের প্রকাশনা খাতকে রুগ্ণ উল্লেখ করে তা রক্ষার বিষয়েও বিএনপি চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন প্রকাশকরা।
একটি ‘সফল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক মেলা’ চাওয়া ছিল উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়েছে, আমরা চেয়েছিলাম মেলাটি পিছিয়ে ঈদুল ফিতরের পর আয়োজন করা হোক, যখন পাঠকদের হাতে সময় ও অর্থ-উভয়ই থাকবে। কিন্তু যৌক্তিক এই দাবিগুলো উপেক্ষা করে জোর করেই প্রকাশকদের একটি ব্যর্থ মেলার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এ মেলায় দেশের সামনের সারির প্রায় সব প্রকাশকসহ তিন শতাধিক মূলধারার প্রকাশক অংশ নিতে অপারগ।
চিঠিতে প্রকাশক ঐক্য বলেছে, ‘সামনেই আপনি সরকার গঠনের মাধ্যমে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। একটি নতুন সরকারের যাত্রা শুরুতে আমরা চাই না একুশের চেতনার এই মেলাটি কোনোভাবে ব্যর্থ বা বিতর্কিত হোক। আমরা বিশ্বাস করি, আপনার সুচিন্তিত একটি নির্দেশই ধ্বংসের হাত থেকে এই শিল্পকে বাঁচাতে পারে। আপনার এই একটি সিদ্ধান্ত কেবল হাজারো প্রকাশককে দেউলিয়া হওয়া থেকে বাঁচাবে না, বরং প্রমাণ করবে যে নতুন সরকার জ্ঞান, সৃজনশীলতা ও জনমতের প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল।’
খোলা চিঠিতে আরও বলা হয়, সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনের কারণে গত দুই মাস দেশের ছাপাখানাগুলো নির্বাচনি কাজে ব্যস্ত ছিল। ফলে সৃজনশীল বই উৎপাদনের কাজ পুরোপুরি বন্ধ ছিল। কাগজের আকাশচুম্বী দাম ও আনুষঙ্গিক সংকটে প্রকাশকেরা আজ দিশাহারা। এমন বাস্তবতাতেও বিদায়ী প্রশাসন ও বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ মাহে রমজানের মধ্যেই ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২৬’ আয়োজনে অনড় অবস্থানে রয়েছে।
প্রকাশকরা বলেন, রোজার ফলে দেশের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাবে। শিক্ষার্থীরাই বইমেলার প্রাণ। তাদের অনুপস্থিতি এবং রোজার মাস হওয়ায় এই মেলা হবে নিশ্চিতভাবেই পাঠকশূন্য ও নিষ্প্রাণ। দেশের ৯০ ভাগ প্রকাশক মনে করছেন, এই সময়ে মেলায় অংশগ্রহণ করা হবে তাদের জন্য ‘ব্যবসায়িক আত্মহত্যা’র শামিল।
এ অবস্থায় কাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য রোজা চলাকালীন ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে অমর একুশে বইমেলা আয়োজনে এত তৎপরতা— তা নিয়ে প্রশ্ন রাখেন প্রকাশকরা।
দেশের সব স্তরের প্রকাশকের পক্ষে চিঠিতে ১৪ জন প্রকাশকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন— মেছবাহউদ্দীন আহমদ (আহমদ পাবলিশিং হাউজ), এ কে নাসির আহমেদ (কাকলী), মাজহারুল ইসলাম (অন্যপ্রকাশ), মনিরুল হক (অনন্যা), সৈয়দ জাকির হোসাইন (অ্যাডর্ন পাবলিকেশন), জসীম উদ্দিন (কথাপ্রকাশ), মোহামম্মদ নাজিম উদ্দিন (বাতিঘর প্রকাশনী), মো. মোবারক হোসেন (পাণ্ডুলিপি সমন্বয়ক, প্রথমা প্রকাশন), মো. গফুর হোসেন (রিদম ), ইকবাল হোসেন সানু (লাবনী), দীপঙ্কর দাশ (বাতিঘর), মো. জহির দীপ্তি (ইতি প্রকাশন, সদস্য, অমর একুশে বইমেলা কমিটি ২০২৬), মাহরুখ মহিউদ্দীন (ইউপিএল: সদস্য, অমর একুশে বইমেলা কমিটি ২০২৬) এবং মাহাবুর রাহমান (আদর্শ; সদস্য, অমর একুশে বইমেলা কমিটি ২০২৬)।
চিঠিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বাংলাদেশের সৃজনশীল প্রকাশক সমাজের পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়।

অমর একুশে বইমেলা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি। তবে রমজান ও নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় এ মেলা ঈদুল ফিতরের পরে আবেদন করতে চান প্রকাশকরা। এ বিষয়ে জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে সরকার গঠনের পথে থাকা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে খোলা চিঠি দিয়েছেন তারা।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশকদের সংগঠন প্রকাশক ঐক্য এই চিঠির একটি অনুলিপি পাঠিয়েছে গণমাধ্যমে৷ চিঠিতে দেশের প্রকাশনা খাতকে রুগ্ণ উল্লেখ করে তা রক্ষার বিষয়েও বিএনপি চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন প্রকাশকরা।
একটি ‘সফল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক মেলা’ চাওয়া ছিল উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়েছে, আমরা চেয়েছিলাম মেলাটি পিছিয়ে ঈদুল ফিতরের পর আয়োজন করা হোক, যখন পাঠকদের হাতে সময় ও অর্থ-উভয়ই থাকবে। কিন্তু যৌক্তিক এই দাবিগুলো উপেক্ষা করে জোর করেই প্রকাশকদের একটি ব্যর্থ মেলার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এ মেলায় দেশের সামনের সারির প্রায় সব প্রকাশকসহ তিন শতাধিক মূলধারার প্রকাশক অংশ নিতে অপারগ।
চিঠিতে প্রকাশক ঐক্য বলেছে, ‘সামনেই আপনি সরকার গঠনের মাধ্যমে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। একটি নতুন সরকারের যাত্রা শুরুতে আমরা চাই না একুশের চেতনার এই মেলাটি কোনোভাবে ব্যর্থ বা বিতর্কিত হোক। আমরা বিশ্বাস করি, আপনার সুচিন্তিত একটি নির্দেশই ধ্বংসের হাত থেকে এই শিল্পকে বাঁচাতে পারে। আপনার এই একটি সিদ্ধান্ত কেবল হাজারো প্রকাশককে দেউলিয়া হওয়া থেকে বাঁচাবে না, বরং প্রমাণ করবে যে নতুন সরকার জ্ঞান, সৃজনশীলতা ও জনমতের প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল।’
খোলা চিঠিতে আরও বলা হয়, সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনের কারণে গত দুই মাস দেশের ছাপাখানাগুলো নির্বাচনি কাজে ব্যস্ত ছিল। ফলে সৃজনশীল বই উৎপাদনের কাজ পুরোপুরি বন্ধ ছিল। কাগজের আকাশচুম্বী দাম ও আনুষঙ্গিক সংকটে প্রকাশকেরা আজ দিশাহারা। এমন বাস্তবতাতেও বিদায়ী প্রশাসন ও বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ মাহে রমজানের মধ্যেই ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২৬’ আয়োজনে অনড় অবস্থানে রয়েছে।
প্রকাশকরা বলেন, রোজার ফলে দেশের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাবে। শিক্ষার্থীরাই বইমেলার প্রাণ। তাদের অনুপস্থিতি এবং রোজার মাস হওয়ায় এই মেলা হবে নিশ্চিতভাবেই পাঠকশূন্য ও নিষ্প্রাণ। দেশের ৯০ ভাগ প্রকাশক মনে করছেন, এই সময়ে মেলায় অংশগ্রহণ করা হবে তাদের জন্য ‘ব্যবসায়িক আত্মহত্যা’র শামিল।
এ অবস্থায় কাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য রোজা চলাকালীন ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে অমর একুশে বইমেলা আয়োজনে এত তৎপরতা— তা নিয়ে প্রশ্ন রাখেন প্রকাশকরা।
দেশের সব স্তরের প্রকাশকের পক্ষে চিঠিতে ১৪ জন প্রকাশকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন— মেছবাহউদ্দীন আহমদ (আহমদ পাবলিশিং হাউজ), এ কে নাসির আহমেদ (কাকলী), মাজহারুল ইসলাম (অন্যপ্রকাশ), মনিরুল হক (অনন্যা), সৈয়দ জাকির হোসাইন (অ্যাডর্ন পাবলিকেশন), জসীম উদ্দিন (কথাপ্রকাশ), মোহামম্মদ নাজিম উদ্দিন (বাতিঘর প্রকাশনী), মো. মোবারক হোসেন (পাণ্ডুলিপি সমন্বয়ক, প্রথমা প্রকাশন), মো. গফুর হোসেন (রিদম ), ইকবাল হোসেন সানু (লাবনী), দীপঙ্কর দাশ (বাতিঘর), মো. জহির দীপ্তি (ইতি প্রকাশন, সদস্য, অমর একুশে বইমেলা কমিটি ২০২৬), মাহরুখ মহিউদ্দীন (ইউপিএল: সদস্য, অমর একুশে বইমেলা কমিটি ২০২৬) এবং মাহাবুর রাহমান (আদর্শ; সদস্য, অমর একুশে বইমেলা কমিটি ২০২৬)।
চিঠিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বাংলাদেশের সৃজনশীল প্রকাশক সমাজের পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়।

এ কর্মসূচি কৃষি ও সেচ কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে; কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে এবং গ্রামীণ জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। একইসঙ্গে ভূ-উপরিস্থ পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ভূ-গর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা হ্রাস পাবে; যার ফলে খরা, বন্যা ও জলাবদ্ধতা হ্রাসে সহায়ক হবে।
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ দল জানায়, বৃষ্টিবলয় ‘গোধূলি’র প্রভাবে দেশের প্রায় ৪০-৫০ শতাংশ এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই আংশিক বৃষ্টিবলয়টি মূলত দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে বেশি প্রভাব ফেলবে।
৮ ঘণ্টা আগে
চাকরির বাজারকে 'অসম্ভব' আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, 'তরুণদের আত্মকর্মসংস্থান তৈরির জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখতে হবে।' এ সময় নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ও ফোরলেন মহাসড়ক নির্মাণসহ নানা অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন মির্জা ফখরুল।
৮ ঘণ্টা আগে
উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়ার পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা এই মুহূর্তে দেশের বাইরে নেওয়ার মতো না থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে