
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে চলমান তাপদাহ ও প্রচণ্ড খরায় মানুষ ও প্রাণিকূলের জীবন ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছে। প্রতিদিনই ভাঙছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড। আর এরই মধ্যে মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গত ৫২ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানায়, চলতি মৌসুমে মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৩ ডিগ্রী সেলসিয়াম। বাতাসের আদ্রতা ১৮ শতাংশ। এর আগে ১৯৭২ সালের ১৮ মে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪৫.১ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এরপর গত ৫২ বছরের মধ্যে মঙ্গলবারই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে গিয়ে উঠেছে। এদিকে, ২০০৫ সালের ২ জুন তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ৪২.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এরপর ২০১৪ সালের ২১ মে এবং ২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৪২.৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
আগামী আরও কয়েকদিন একই রকম তাপমাত্রা অব্যাহত থাকতে পারে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বুধবারও (০১ মে) তাপমাত্রার পারদ এর চেয়ে বেশি কিংবা এমন উঠতে পারে। তবে আপাতত রাজশাহীতে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। ফলে তাপমাত্রা সামনে আরো কয়েকদিন এমন উত্তপ্ত থাকতে পারে।’
এদিকে, অব্যাহত এই তাপমাত্রার কারণে সূর্য ওঠার পর থেকেই তীর্যক রশ্মি আর আগুন মিশ্রিত লু-হাওয়ায় মানুষের মাঝে রীতিমত তৈরি হয়েছে নাভিশ্বাস। এই পরিস্থিতিতে যেন মানুষের বেঁচে থাকাটাই দায় হয়ে পড়েছে। ফলে কয়েকদিন থেকেই রাজশাহীতে দুপুরের পর প্রধান প্রধান সড়ক ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় মনে হয়েছে, যেন রাজশাহীতে অঘোষিত কোন কারফিউ চলছে। তবে রাজশাহীর রাস্তাঘাটে কিছু রিকশা চালক ও খেটে খাওয়া মানুষদের অতি তীব্র তাপপ্রবাহ উপেক্ষা করে রিকশা চালাতে কিংবা কাজ করতে দেখা গেছে। যদিও শরীর দ্রুত ক্লান্ত হওয়ায় ও রোদের প্রখরতায় তাদের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। এমনকি তারা তীব্র গরমের কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ছে। ফলে বেশীর ভাগ মানুষ একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে তেমন কেউ বের হচ্ছে না। শিশু ও বৃদ্ধরা নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম জানান, সাধারণত দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে হলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলা হয়। তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বলা হয়। এছাড়া ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রাকে তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। আর তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপর উঠলেই তাকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সে হিসেবে গত কয়েকদিন থেকেই রাজশাহীতে বয়ে যাচ্ছে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ।’
ফলে এমন পরিস্থিতিতে অতি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে ঘরের বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

রাজশাহীতে চলমান তাপদাহ ও প্রচণ্ড খরায় মানুষ ও প্রাণিকূলের জীবন ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছে। প্রতিদিনই ভাঙছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড। আর এরই মধ্যে মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গত ৫২ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানায়, চলতি মৌসুমে মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৩ ডিগ্রী সেলসিয়াম। বাতাসের আদ্রতা ১৮ শতাংশ। এর আগে ১৯৭২ সালের ১৮ মে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪৫.১ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এরপর গত ৫২ বছরের মধ্যে মঙ্গলবারই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে গিয়ে উঠেছে। এদিকে, ২০০৫ সালের ২ জুন তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ৪২.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এরপর ২০১৪ সালের ২১ মে এবং ২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৪২.৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
আগামী আরও কয়েকদিন একই রকম তাপমাত্রা অব্যাহত থাকতে পারে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বুধবারও (০১ মে) তাপমাত্রার পারদ এর চেয়ে বেশি কিংবা এমন উঠতে পারে। তবে আপাতত রাজশাহীতে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। ফলে তাপমাত্রা সামনে আরো কয়েকদিন এমন উত্তপ্ত থাকতে পারে।’
এদিকে, অব্যাহত এই তাপমাত্রার কারণে সূর্য ওঠার পর থেকেই তীর্যক রশ্মি আর আগুন মিশ্রিত লু-হাওয়ায় মানুষের মাঝে রীতিমত তৈরি হয়েছে নাভিশ্বাস। এই পরিস্থিতিতে যেন মানুষের বেঁচে থাকাটাই দায় হয়ে পড়েছে। ফলে কয়েকদিন থেকেই রাজশাহীতে দুপুরের পর প্রধান প্রধান সড়ক ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় মনে হয়েছে, যেন রাজশাহীতে অঘোষিত কোন কারফিউ চলছে। তবে রাজশাহীর রাস্তাঘাটে কিছু রিকশা চালক ও খেটে খাওয়া মানুষদের অতি তীব্র তাপপ্রবাহ উপেক্ষা করে রিকশা চালাতে কিংবা কাজ করতে দেখা গেছে। যদিও শরীর দ্রুত ক্লান্ত হওয়ায় ও রোদের প্রখরতায় তাদের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। এমনকি তারা তীব্র গরমের কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ছে। ফলে বেশীর ভাগ মানুষ একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে তেমন কেউ বের হচ্ছে না। শিশু ও বৃদ্ধরা নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম জানান, সাধারণত দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে হলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলা হয়। তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বলা হয়। এছাড়া ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রাকে তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। আর তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপর উঠলেই তাকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সে হিসেবে গত কয়েকদিন থেকেই রাজশাহীতে বয়ে যাচ্ছে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ।’
ফলে এমন পরিস্থিতিতে অতি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে ঘরের বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

চলমান জ্বালানি সমস্যার সমাধানে কমপক্ষে দুই বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। ছয় মাস কিংবা এক বছরে এর সমাধান হবে না। ন্যূনতম দুই বছর লাগবে।
১১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তখন নারীদের ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করে দিয়েছিলেন। দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। এই নারী সমাজকে যদি আমরা পিছিয়ে রাখি, তাহলে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সে কারণেই বর্তমান সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নারীদের অনার্স
১১ ঘণ্টা আগে
রোববার (১৬ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, পে স্কেল সরকারের বিবেচনায় রয়েছে এবং এটি বাস্তবায়নে সরকারের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। তিনি বলেন, “এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। যেকোনো মুহূর্তে পে স্কেল ঘোষণা হতে পারে।”
১১ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগের প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’। সংগঠনটি এ ধরনের পদক্ষেপকে ‘অগণতান্ত্রিক, প্রতিহিংসামূলক
১১ ঘণ্টা আগে