
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের বর্ষপূর্তির দিনে ঘোষণা হলো বহুল আকাঙ্ক্ষিত ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের পাশে রেখে এ ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠান মঞ্চে শুরু হয় প্রধান উপদেষ্টার জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ।
২৮ অনুচ্ছেদের জুলাই ঘোষণাপত্রে ১৯৪৭ সাল-পরবর্তী পাকিস্তানের অধীনে ২৩ বছরের শাসন-শোষণের সময় থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জন এবং মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানে এরশাদ সরকারের পতন ছাড়াও শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের ১৬ বছরের শাসনামলের বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতিসহ অধিকার লঙ্ঘনের কথা উঠে এসেছে।
ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, দীর্ঘ পটভূমির পরিপ্রেক্ষিতে সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ প্রত্যাশা করছে যে একটি পরিবেশ ও জলবায়ু সহিষ্ণু, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন কৌশলের মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের অধিকার সংরক্ষিত হবে।
বাংলাদেশের জনগণের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতির অভিপ্রায়ের কথাও তুলে ধরা হয়েছে ঘোষণাপত্রে। বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কার করা সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে বলে মানুষ আশা করছে।

মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাজনৈতিক দলের নেতাদের নিয়ে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং
৫ আগস্ট ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হলো বলে ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুরো ঘোষণাপত্রটি পড়ুন এখানে—
এর আগে বিকেল ৫টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের অনুষ্ঠান মঞ্চে পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করেই এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করেছে সরকার। এটি পাঠও করা হয়েছে সবার উপস্থিতিতেই। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী, ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি রেজাউল করিম, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ অন্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে ঘোষণাপত্রটি কাজে আসবে। প্রধান উপদেষ্টাও একই প্রত্যাশার কথা জানিয়ে বলেছেন, ঘোষণাটি সংবিধানের তফসিলে সংযুক্ত হবে।

জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের বর্ষপূর্তির দিনে ঘোষণা হলো বহুল আকাঙ্ক্ষিত ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের পাশে রেখে এ ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠান মঞ্চে শুরু হয় প্রধান উপদেষ্টার জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ।
২৮ অনুচ্ছেদের জুলাই ঘোষণাপত্রে ১৯৪৭ সাল-পরবর্তী পাকিস্তানের অধীনে ২৩ বছরের শাসন-শোষণের সময় থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জন এবং মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানে এরশাদ সরকারের পতন ছাড়াও শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের ১৬ বছরের শাসনামলের বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতিসহ অধিকার লঙ্ঘনের কথা উঠে এসেছে।
ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, দীর্ঘ পটভূমির পরিপ্রেক্ষিতে সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ প্রত্যাশা করছে যে একটি পরিবেশ ও জলবায়ু সহিষ্ণু, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন কৌশলের মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের অধিকার সংরক্ষিত হবে।
বাংলাদেশের জনগণের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতির অভিপ্রায়ের কথাও তুলে ধরা হয়েছে ঘোষণাপত্রে। বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কার করা সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে বলে মানুষ আশা করছে।

মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাজনৈতিক দলের নেতাদের নিয়ে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং
৫ আগস্ট ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হলো বলে ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুরো ঘোষণাপত্রটি পড়ুন এখানে—
এর আগে বিকেল ৫টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের অনুষ্ঠান মঞ্চে পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করেই এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করেছে সরকার। এটি পাঠও করা হয়েছে সবার উপস্থিতিতেই। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী, ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি রেজাউল করিম, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ অন্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে ঘোষণাপত্রটি কাজে আসবে। প্রধান উপদেষ্টাও একই প্রত্যাশার কথা জানিয়ে বলেছেন, ঘোষণাটি সংবিধানের তফসিলে সংযুক্ত হবে।

প্রেস উইং জানায়, শনিবার সকাল ৯টায় সড়কপথে ঢাকার ত্রিশালের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দুপুর ১২টায় ত্রিশালের বালর ইউনিয়নের ধরার খাল পুনঃখনন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে খাল খননের উদ্বোধন করবেন তিনি।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত এ খাল পুনঃখনন কার্যক্রম উদ্বোধন করতে ত্রিশাল যাবেন। খালপাড়ে তিনি একটি তালগাছ রোপণ করবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে এ এলাকার মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
৯ ঘণ্টা আগে
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাত ১টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে প
৯ ঘণ্টা আগে
শোভন ও এসি উভয় ধরনের কোচই ট্রেনের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। অতিরিক্ত বগি সংযোজন হবে নীলফামারী/রকেট এবং সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসে।
১০ ঘণ্টা আগে