
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা ও ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায়সহ কয়েকটি জায়গায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। দেশটির ক্ষমতাসীন দল বিজেপিসহ হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠন এসব বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিয়েছে।
বিবিসি বাংলা ও ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দিনের বিভিন্ন সময়ে কলকাতা, হাওড়া ও আগরতলায় এসব বিক্ষোভ হয়। এর আগের দুই দিনেও রাজধানী নয়া দিল্লিসহ কলকাতা, আগরতলা, শিলিগুড়িসহ ভারতের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে।
ময়মনসিংহের ভালুকায় দিপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা ও তার মরদেহ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ভারতে কয়েকদিন ধরে এমন বিক্ষোভ চলছে। এর মধ্যে দিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাস ও কলকাতায় উপতদূতাবাসের কার্যক্রম সীমিত করা হয়েছে। শিলিগুড়িতে ভিসা কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার একটি বিক্ষোভ হয়েছে বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্ত চেকপোস্ট পেট্রাপোলে। পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আগেই ঘোষণা করেছিলেন, বুধবার তারা সীমান্তে প্রতীকী প্রতিবাদ করবেন। সে অনুযায়ী পেট্রাপোলে হাজির হয়েছিলেন বিজেপি সমর্থকরা।
পেট্রাপোলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের কুশপুত্তলিকা পুড়িয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। বিজেপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা বিক্ষোভে অংশ নেন। এ সময় ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ সীমান্তের কিছুটা দূরে আটকে দেয় বিক্ষোভকারীদের।
কলকাতার লাগোয়া হাওড়াতেও বিক্ষোভ করেছেন বিজেপির কর্মীরা। কলকাতার প্রতীক যে বিখ্যাত হাওড়া ব্রিজ, বিজেপি নেতাকর্মীদের আটকাতে এর আগেই ব্যারিকেড দেয় পুলিশ। বিজেপির নেতাকর্মীরা সেই ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন। পরে তারা হাওড়া ব্রিজ অবরোধ করেন।
হাওড়াতেও হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ তুলে এর বিরুদ্ধে স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। তারা অবিলম্বে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
এদিকে ত্রিপুরাতেও বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে বিক্ষোভ করছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)। আগরতলায় বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএসের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি।
এ সময় এখানেও ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাসকে হত্যা ও তার মরদেহ পোড়ানোর ঘটনার বিরুদ্ধে স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। তারা প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কুশপুত্তলিকা পোড়ান।
এর আগে গত কয়েক দিনে ভারতের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে দূতাবাস ঘিরে বিক্ষোভ ঘিরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন করে অবনতি ঘটছে। এরই মধ্যে দুই দেশের হাইকমিশনারকে তলব-পালটা তলবের ঘটনাও ঘটেছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা ও ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায়সহ কয়েকটি জায়গায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। দেশটির ক্ষমতাসীন দল বিজেপিসহ হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠন এসব বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিয়েছে।
বিবিসি বাংলা ও ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দিনের বিভিন্ন সময়ে কলকাতা, হাওড়া ও আগরতলায় এসব বিক্ষোভ হয়। এর আগের দুই দিনেও রাজধানী নয়া দিল্লিসহ কলকাতা, আগরতলা, শিলিগুড়িসহ ভারতের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে।
ময়মনসিংহের ভালুকায় দিপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা ও তার মরদেহ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ভারতে কয়েকদিন ধরে এমন বিক্ষোভ চলছে। এর মধ্যে দিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাস ও কলকাতায় উপতদূতাবাসের কার্যক্রম সীমিত করা হয়েছে। শিলিগুড়িতে ভিসা কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার একটি বিক্ষোভ হয়েছে বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্ত চেকপোস্ট পেট্রাপোলে। পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আগেই ঘোষণা করেছিলেন, বুধবার তারা সীমান্তে প্রতীকী প্রতিবাদ করবেন। সে অনুযায়ী পেট্রাপোলে হাজির হয়েছিলেন বিজেপি সমর্থকরা।
পেট্রাপোলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের কুশপুত্তলিকা পুড়িয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। বিজেপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা বিক্ষোভে অংশ নেন। এ সময় ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ সীমান্তের কিছুটা দূরে আটকে দেয় বিক্ষোভকারীদের।
কলকাতার লাগোয়া হাওড়াতেও বিক্ষোভ করেছেন বিজেপির কর্মীরা। কলকাতার প্রতীক যে বিখ্যাত হাওড়া ব্রিজ, বিজেপি নেতাকর্মীদের আটকাতে এর আগেই ব্যারিকেড দেয় পুলিশ। বিজেপির নেতাকর্মীরা সেই ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন। পরে তারা হাওড়া ব্রিজ অবরোধ করেন।
হাওড়াতেও হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ তুলে এর বিরুদ্ধে স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। তারা অবিলম্বে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
এদিকে ত্রিপুরাতেও বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে বিক্ষোভ করছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)। আগরতলায় বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএসের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি।
এ সময় এখানেও ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাসকে হত্যা ও তার মরদেহ পোড়ানোর ঘটনার বিরুদ্ধে স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। তারা প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কুশপুত্তলিকা পোড়ান।
এর আগে গত কয়েক দিনে ভারতের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে দূতাবাস ঘিরে বিক্ষোভ ঘিরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন করে অবনতি ঘটছে। এরই মধ্যে দুই দেশের হাইকমিশনারকে তলব-পালটা তলবের ঘটনাও ঘটেছে।

বৈঠকে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দুর্নীতি দমনে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কীভাবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে প্রতি মাসে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির অন্তত দুটি বৈঠক নিয়মিতভাবে আয়োজনের
১৩ ঘণ্টা আগে
‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে বিলটি উত্থাপন করা হয়। এই বিলের মাধ্যমে এপিবিএনকে প্রথমবারের মতো ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সংকট উত্তরণে সৌরবিদ্যুতের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এতদিন আমরা আমদানিনির্ভর উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের গ্রাহক ছিলাম। বর্তমান সরকার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে, তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে আমরা কেবল গ্রাহক থাকব না, বরং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদক হব।’
১৫ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেজেইউ আহ্বায়ক সাইফুর সাগর বলেন, অভ্যুত্থানের আড়াই বছরেও এমন সংগঠন হয়নি। এখন কেন হয়েছে? হয়েছে সময়ের প্রয়োজনে। জুলাইপন্থি সব সাংবাদিকের জন্য এটি উন্মুক্ত। গণমাধ্যমকে সঠিক পথে রাখতে জুলাইয়ের সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।
১৫ ঘণ্টা আগে