
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকার শিক্ষাকে আর খরচের খাত হিসেবে দেখবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, শিক্ষা হবে রাষ্ট্রের প্রথম বিনিয়োগ, মানবসম্পদের মূল কারখানা এবং জাতি গঠনের প্রধান প্রকল্প।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই জানি, শিক্ষাব্যবস্থার প্রথম শর্ত অর্থায়ন। গত বছরগুলোতে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ মোট বাজেটের প্রায় ১২ শতাংশের আশেপাশে থেকেছে এবং জিডিপির অনুপাতে তা দেড়-দুই শতাংশের কাছাকাছি ঘোরাফেরা করেছে, এটা একটি কাঠামোগত সীমা।
তিনি বলেন, আমাদের সরকারের, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নীতিগত অবস্থান পরিষ্কার— শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া, এটা আমাদের নির্বাচনি অঙ্গীকার। আর আন্তর্জাতিক মানদণ্ডও বলে, শিক্ষা খাতে জিডিপির ৪-৬ শতাংশ এবং মোট সরকারি ব্যয়ের ১৫-২০ শতাংশ এই লক্ষ্যগুলো অর্জন করতে হবে।
ববি হাজ্জাজ বলেন, উন্নয়ন বাজেটের বাস্তবায়ন শেষ ত্রৈমাসিকের হুড়োহুড়ি বন্ধ করতেই হবে। শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না খরচের গুণগত মান বদলাতে হবে। সরকার উন্নয়ন ব্যয়কে আবার অগ্রাধিকার দেবে। শিক্ষক প্রশিক্ষণ, প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, বিজ্ঞানাগার, গ্রন্থাগার, ভাষা ল্যাব, ডিজিটাল কনটেন্ট ও মূল্যায়ন সক্ষমতা, স্কুল অবকাঠামো-বিশেষ করে পানি, স্যানিটেশন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব পদ্ধতিতে যেতে চাই। আমাদের ইশতেহারে আছে ফ্রি ওয়াই-ফাই, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব। ফলে আমরা এটাকে গ্যাজেট প্রজেক্ট বানাব না। আমরা এটাকে বানাবো শিক্ষণ, শেখার অপারেটিং সিস্টেম।
শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বাংলা এবং ইংরেজির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের তৃতীয় আরেকটি ভাষা শেখাতে চাই। আন্তর্জাতিক চাহিদা ও শ্রমবাজারে সহায়ক হবে এমন একটি ভাষা আমরা নির্বাচন করব। আমাদের স্কুলগুলোকে বানাতে হবে ইনোভেশন স্পেস। আমরা মাধ্যমিক থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশমতো আমাদের লক্ষ্যে হবে শুধু সনদ নয় বরং সক্ষমতা থাকবে।

সরকার শিক্ষাকে আর খরচের খাত হিসেবে দেখবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, শিক্ষা হবে রাষ্ট্রের প্রথম বিনিয়োগ, মানবসম্পদের মূল কারখানা এবং জাতি গঠনের প্রধান প্রকল্প।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই জানি, শিক্ষাব্যবস্থার প্রথম শর্ত অর্থায়ন। গত বছরগুলোতে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ মোট বাজেটের প্রায় ১২ শতাংশের আশেপাশে থেকেছে এবং জিডিপির অনুপাতে তা দেড়-দুই শতাংশের কাছাকাছি ঘোরাফেরা করেছে, এটা একটি কাঠামোগত সীমা।
তিনি বলেন, আমাদের সরকারের, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নীতিগত অবস্থান পরিষ্কার— শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া, এটা আমাদের নির্বাচনি অঙ্গীকার। আর আন্তর্জাতিক মানদণ্ডও বলে, শিক্ষা খাতে জিডিপির ৪-৬ শতাংশ এবং মোট সরকারি ব্যয়ের ১৫-২০ শতাংশ এই লক্ষ্যগুলো অর্জন করতে হবে।
ববি হাজ্জাজ বলেন, উন্নয়ন বাজেটের বাস্তবায়ন শেষ ত্রৈমাসিকের হুড়োহুড়ি বন্ধ করতেই হবে। শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না খরচের গুণগত মান বদলাতে হবে। সরকার উন্নয়ন ব্যয়কে আবার অগ্রাধিকার দেবে। শিক্ষক প্রশিক্ষণ, প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, বিজ্ঞানাগার, গ্রন্থাগার, ভাষা ল্যাব, ডিজিটাল কনটেন্ট ও মূল্যায়ন সক্ষমতা, স্কুল অবকাঠামো-বিশেষ করে পানি, স্যানিটেশন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব পদ্ধতিতে যেতে চাই। আমাদের ইশতেহারে আছে ফ্রি ওয়াই-ফাই, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব। ফলে আমরা এটাকে গ্যাজেট প্রজেক্ট বানাব না। আমরা এটাকে বানাবো শিক্ষণ, শেখার অপারেটিং সিস্টেম।
শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বাংলা এবং ইংরেজির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের তৃতীয় আরেকটি ভাষা শেখাতে চাই। আন্তর্জাতিক চাহিদা ও শ্রমবাজারে সহায়ক হবে এমন একটি ভাষা আমরা নির্বাচন করব। আমাদের স্কুলগুলোকে বানাতে হবে ইনোভেশন স্পেস। আমরা মাধ্যমিক থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশমতো আমাদের লক্ষ্যে হবে শুধু সনদ নয় বরং সক্ষমতা থাকবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁর চিঠিতে তারেক রহমানকে ‘প্রিয় জনাব প্রধানমন্ত্রী’ উল্লেখ করে বলেন, ‘আমেরিকার জনগণের পক্ষ থেকে আপনাকে আপনার ঐতিহাসিক নির্বাচনী বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার মেয়াদ সফল হোক—এই কামনা করি।’
২ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে দ্রুত জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে হবে।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন নিজেদের দায় এড়াতে মধ্যরাতে তড়িঘড়ি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ীদের গেজেট জারি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। সুজন আয়োজিত ‘নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যগণের হলফনামার তথ্যের বিশ্লেষণ’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
২ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার চলমান থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
৩ ঘণ্টা আগে