
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিজ্ঞান ইতিহাসের সবচেয়ে কালো দিন। ইতালির রাজধানীর রোমের ক্যাম্পে ডি ফিওরি স্কয়ার লোকে-লোকারণ্য। তামাশা দেখতে এসেছে সবাই।
বড় নিষ্ঠুর তামাশা। এক বেয়াদব ধর্মদ্রোহীকে পুড়িয়ে মারা হবে। এই বেয়াদবই নাকি আগে পাদ্রী ছিল। খুঁটির সাথে বেঁধে রাখা হয়েছে বেয়াদবকে।
তারপর আনুষ্ঠানিকতা। ভ্যাটিক্যানের পোপের নির্দেশ পেয়ে যায় জল্লাদ। মশালের আগুন লাগিয়ে দেয় জীবন্ত তরুণের গায়ে। অকথ্য অত্যাচার, আগুনের লেহিহান শিখাও তাঁকে টলাতে পারেনি।
পুড়ে ভস্ম হওয়ার আগমুহূর্তেও ছিলেন নিজের বক্তব্যে অটল। তিনিই বিজ্ঞানের প্রথম শহীদ —জিওর্দানো ব্রুনো।
কী এমন বলেছিলেন ব্রুনো, যে কারণে তাঁকে পোপের, পাদ্রীদের চক্ষুশুল হতে হলো, জলন্ত অঙ্গারে পরিণত হয়ে ভেসে যেতে হলো টিবের নদীতে?
তিনি বলেছিলেন, পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরছে। একথা তিনিই প্রথম বলেননি, তার আগের প্রজন্মের আরেক জ্যোতির্বিদ কোপার্নিকাস বলেছিলেন একই কথা। আরও প্রায় হাজার বছর আগে বলেছিলেন গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টার্কাস।
এ তো চরম সত্যি কথা। এরজন্য কেন ব্রুনোকে মরতে হলো?
এই চরম সত্যিটাকেই একসময় ভুল মনে করতেন পোপ, ভ্যাটিক্যানে, ইতালিতে, দুনিয়াজুড়ে মুর্খতার আসন গেঁড়ে বসা ভণ্ড পাদ্রীরা। এরজন্য অবশ্য দায় এড়াতে পারেন না আরো দুই বিখ্যাত গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টোটল এবং টলেমি। অ্যারিস্টোটল বলেছিলেন পৃথিবী মহাবিশ্বের কেন্দ্র। আর চাঁদ-সূর্যসহ আকাশের সমস্ত গ্রহ-নক্ষত্র পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই ঘুরত। অ্যারিস্টোটল গণ্যমান্য লোক। সারা দেশ তাঁকে মান্য করে। এমনকি রাজাও। তাই তার এই ভুল ধারণাই আসন গেঁড়ে বসে। তবে অ্যারিস্টোটল মহাবিশ্ব নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলে গিয়েছিলেন। গ্রিসের লোকেরা মনে করত পৃথিবী চ্যাপ্টা থালার মতো। শুধু গ্রিসে নয়, গোটা দুনিয়াজুড়ে মানুষ জানত পৃথিবী চ্যাপ্ট। অ্যারিস্টোলই এই প্রথা ভাঙলেন। তাঁর অন দ্য হ্যাভেনস বইতে লিখলেন, পৃথিবী চ্যাপ্টা থালার মতো নয়। এটা একটা গোলক। কিন্তু লোকে সেটা মানবে কেন? অ্যারিস্টোটল তাঁর বইয়ে শক্ত যুক্তি দেখিয়েছিলেন। না মেনে উপায় ছিল না সেই বইয়ের পাঠকদের।
অ্যারিস্টোটলের এই যুক্তিই মানত খ্রিস্টধর্মের অনুসারীরা। তাই ব্রুনোর মতবাদকে তাঁরা ধর্মের অবমাননা মনে করেছিল। শাস্তি হিসেবে তাই ব্রুনোকে পুড়িয়ে মারার আদেশ দিয়েছিলেন ভ্যাটিক্যানের পোপ।

বিজ্ঞান ইতিহাসের সবচেয়ে কালো দিন। ইতালির রাজধানীর রোমের ক্যাম্পে ডি ফিওরি স্কয়ার লোকে-লোকারণ্য। তামাশা দেখতে এসেছে সবাই।
বড় নিষ্ঠুর তামাশা। এক বেয়াদব ধর্মদ্রোহীকে পুড়িয়ে মারা হবে। এই বেয়াদবই নাকি আগে পাদ্রী ছিল। খুঁটির সাথে বেঁধে রাখা হয়েছে বেয়াদবকে।
তারপর আনুষ্ঠানিকতা। ভ্যাটিক্যানের পোপের নির্দেশ পেয়ে যায় জল্লাদ। মশালের আগুন লাগিয়ে দেয় জীবন্ত তরুণের গায়ে। অকথ্য অত্যাচার, আগুনের লেহিহান শিখাও তাঁকে টলাতে পারেনি।
পুড়ে ভস্ম হওয়ার আগমুহূর্তেও ছিলেন নিজের বক্তব্যে অটল। তিনিই বিজ্ঞানের প্রথম শহীদ —জিওর্দানো ব্রুনো।
কী এমন বলেছিলেন ব্রুনো, যে কারণে তাঁকে পোপের, পাদ্রীদের চক্ষুশুল হতে হলো, জলন্ত অঙ্গারে পরিণত হয়ে ভেসে যেতে হলো টিবের নদীতে?
তিনি বলেছিলেন, পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরছে। একথা তিনিই প্রথম বলেননি, তার আগের প্রজন্মের আরেক জ্যোতির্বিদ কোপার্নিকাস বলেছিলেন একই কথা। আরও প্রায় হাজার বছর আগে বলেছিলেন গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টার্কাস।
এ তো চরম সত্যি কথা। এরজন্য কেন ব্রুনোকে মরতে হলো?
এই চরম সত্যিটাকেই একসময় ভুল মনে করতেন পোপ, ভ্যাটিক্যানে, ইতালিতে, দুনিয়াজুড়ে মুর্খতার আসন গেঁড়ে বসা ভণ্ড পাদ্রীরা। এরজন্য অবশ্য দায় এড়াতে পারেন না আরো দুই বিখ্যাত গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টোটল এবং টলেমি। অ্যারিস্টোটল বলেছিলেন পৃথিবী মহাবিশ্বের কেন্দ্র। আর চাঁদ-সূর্যসহ আকাশের সমস্ত গ্রহ-নক্ষত্র পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই ঘুরত। অ্যারিস্টোটল গণ্যমান্য লোক। সারা দেশ তাঁকে মান্য করে। এমনকি রাজাও। তাই তার এই ভুল ধারণাই আসন গেঁড়ে বসে। তবে অ্যারিস্টোটল মহাবিশ্ব নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলে গিয়েছিলেন। গ্রিসের লোকেরা মনে করত পৃথিবী চ্যাপ্টা থালার মতো। শুধু গ্রিসে নয়, গোটা দুনিয়াজুড়ে মানুষ জানত পৃথিবী চ্যাপ্ট। অ্যারিস্টোলই এই প্রথা ভাঙলেন। তাঁর অন দ্য হ্যাভেনস বইতে লিখলেন, পৃথিবী চ্যাপ্টা থালার মতো নয়। এটা একটা গোলক। কিন্তু লোকে সেটা মানবে কেন? অ্যারিস্টোটল তাঁর বইয়ে শক্ত যুক্তি দেখিয়েছিলেন। না মেনে উপায় ছিল না সেই বইয়ের পাঠকদের।
অ্যারিস্টোটলের এই যুক্তিই মানত খ্রিস্টধর্মের অনুসারীরা। তাই ব্রুনোর মতবাদকে তাঁরা ধর্মের অবমাননা মনে করেছিল। শাস্তি হিসেবে তাই ব্রুনোকে পুড়িয়ে মারার আদেশ দিয়েছিলেন ভ্যাটিক্যানের পোপ।

চলমান জ্বালানি সমস্যার সমাধানে কমপক্ষে দুই বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। ছয় মাস কিংবা এক বছরে এর সমাধান হবে না। ন্যূনতম দুই বছর লাগবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তখন নারীদের ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করে দিয়েছিলেন। দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। এই নারী সমাজকে যদি আমরা পিছিয়ে রাখি, তাহলে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সে কারণেই বর্তমান সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নারীদের অনার্স
১৪ ঘণ্টা আগে
রোববার (১৬ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, পে স্কেল সরকারের বিবেচনায় রয়েছে এবং এটি বাস্তবায়নে সরকারের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। তিনি বলেন, “এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। যেকোনো মুহূর্তে পে স্কেল ঘোষণা হতে পারে।”
১৫ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগের প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’। সংগঠনটি এ ধরনের পদক্ষেপকে ‘অগণতান্ত্রিক, প্রতিহিংসামূলক
১৫ ঘণ্টা আগে