
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কিপ থর্ন ও স্টিফেন হকিং। দুই বিজ্ঞানী মিলে একটা বাজি ধরলেন। ব্ল্যাকহোল নিয়ে।
সেটা ১৯৭৫ সালে। সিগনাস এক্স-১ নামের একটা ভারী বস্তু আছে মহাকাশে। সেটি কি ব্ল্যাকহোল? এটা নিয়েই বিতর্ক! প্রশ্নটার একটা তাৎপর্যও আছে। তখনো কৃষ্ণগহ্বরের অস্তিত্ব অতটা শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়ায়নি।
তাই কৃষ্ণগহ্বর প্রমাণ করা গেলে ব্ল্যাকহোলবিরোধীদের কণ্ঠ মিইয়ে যাবে। থর্ন বললেন, সিগনাস এক্স-১ সত্যিকারের একটা ব্ল্যাকহোল।
কিন্তু হকিং বললেন, ওটা ব্ল্যাকহোল নয়। হকিং ব্ল্যাকহোল নিয়ে তত দিনে অনেক কাজ করেছেন।
যদি সিগনাস এক্স-১ ব্ল্যাকহোল হয়, তাহলে হকিংয়েরই গবেষণার জিত। যদি না হয়, তাহলে তাঁর ব্ল্যাকহোল গবেষণাই হুমকির মুখে পড়তে পারে। তখন সান্ত¡না হিসেবে বাজি জেতার তৃপ্তি তো থাকবে!
বাজির পণটাও ছিল অদ্ভুত। যদি হকিং হারেন, তাহলে তিনি থর্নকে এক বছরের জন্য পেন্টহাউজ নামে একটি পর্নো ম্যাগাজিনের গ্রাহক করিয়ে দেবেন নিজের গাঁটের পয়সা খরচ করে। আর যদি জেতেন হকিং, তাহলে হকিংয়ের নামে চার বছর আসবে কমেডি ম্যাগাজিন প্রাইভেট আই।
খরচা থর্নের। বছর দশেক পর প্রমাণ হয়, সিগনাস এক্স-১ সত্যিই একটা ব্ল্যাকহোল। হার স্বীকার করেন হকিং। এক বছর ধরে থর্নের বাড়িতে নিয়মিত পৌঁছায় নির্ধারিত ওই ম্যাগাজিনটি। কিন্তু ওই পত্রিকা নিয়ে আপত্তি ছিল থর্নের স্ত্রীর। জানা যায়, এজন্য স্বামীর ওপরে ভীষণ খেপেছিলেন ভদ্রমহিলা। হয়তো শাপ-শাপান্ত করতেন হকিংকেও!
থর্নের যেমন বাজির নেশা, সমান নেশা হকিংয়েরও। এবার দুজন এক হয়ে বাজি ধরলেন। ক্যালটেকের বিজ্ঞানী জন প্রেসকিলের বিপক্ষে। হকিংয়ের একটা তত্ত্ব নিয়ে বাজিটা। সত্তর দশকে হকিং বলেছিলেন, ব্ল্যাকহোল যদি কিছু গিলে নেয়, সেটার কোনো তথ্য আর অবশিষ্ট থাকে না। ধরা যাক, বিরাট একটা পাথর গিলে নিল ব্ল্যাকহোল, কিংবা আস্ত একটা গ্রহ। ঘটনার দিকে কেউ নজর রাখেনি। তাই গিলে ফেলার পর জানা সম্ভব নয়, ব্ল্যাকহোল কী হজম করল কিংবা আদৌ কিছু খেয়েছে কি না।
প্রেসকিলের ধারণা, ব্ল্যাকহোল চুপচাপ একটা বস্তুটা গিলে ফেলবে, তার কোনো খবর মহাবিশ্বে থাকবে না, এটা অসম্ভব। সুতরাং ধরো বাজি। যে পক্ষ জিতবে, তারা পাবে ঢাউস একটা এনসাইক্লোপিডিয়া। সাত বছর পরে হার মানেন হকিং। বাজির পণ হিসেবে প্রেসকিলকে দেন সাত কেজি ওজনের এক বেসবল এনসাইক্লোপিডিয়া। হার মেনেছিলেন হকিং, থর্ন কিন্তু তাঁর নিজের বিশ্বাসে অনড়। তাই হার স্বীকার করেননি তিনি। তিনি এখনো মনে করেন, ব্ল্যাকহোল নীরব ঘাতক। কী খেল না খেল তার তথ্য মহাবিশ্বকে দেয় না। হকিং-থর্নের সেই ধারণাই কিন্তু দিন দিন হালে পানি পাচ্ছে। হকিং বাজিতে হার না মানলেই বোধ হয় ভালো করতেন।
সূত্র: সায়েন্স হিস্ট্রি

কিপ থর্ন ও স্টিফেন হকিং। দুই বিজ্ঞানী মিলে একটা বাজি ধরলেন। ব্ল্যাকহোল নিয়ে।
সেটা ১৯৭৫ সালে। সিগনাস এক্স-১ নামের একটা ভারী বস্তু আছে মহাকাশে। সেটি কি ব্ল্যাকহোল? এটা নিয়েই বিতর্ক! প্রশ্নটার একটা তাৎপর্যও আছে। তখনো কৃষ্ণগহ্বরের অস্তিত্ব অতটা শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়ায়নি।
তাই কৃষ্ণগহ্বর প্রমাণ করা গেলে ব্ল্যাকহোলবিরোধীদের কণ্ঠ মিইয়ে যাবে। থর্ন বললেন, সিগনাস এক্স-১ সত্যিকারের একটা ব্ল্যাকহোল।
কিন্তু হকিং বললেন, ওটা ব্ল্যাকহোল নয়। হকিং ব্ল্যাকহোল নিয়ে তত দিনে অনেক কাজ করেছেন।
যদি সিগনাস এক্স-১ ব্ল্যাকহোল হয়, তাহলে হকিংয়েরই গবেষণার জিত। যদি না হয়, তাহলে তাঁর ব্ল্যাকহোল গবেষণাই হুমকির মুখে পড়তে পারে। তখন সান্ত¡না হিসেবে বাজি জেতার তৃপ্তি তো থাকবে!
বাজির পণটাও ছিল অদ্ভুত। যদি হকিং হারেন, তাহলে তিনি থর্নকে এক বছরের জন্য পেন্টহাউজ নামে একটি পর্নো ম্যাগাজিনের গ্রাহক করিয়ে দেবেন নিজের গাঁটের পয়সা খরচ করে। আর যদি জেতেন হকিং, তাহলে হকিংয়ের নামে চার বছর আসবে কমেডি ম্যাগাজিন প্রাইভেট আই।
খরচা থর্নের। বছর দশেক পর প্রমাণ হয়, সিগনাস এক্স-১ সত্যিই একটা ব্ল্যাকহোল। হার স্বীকার করেন হকিং। এক বছর ধরে থর্নের বাড়িতে নিয়মিত পৌঁছায় নির্ধারিত ওই ম্যাগাজিনটি। কিন্তু ওই পত্রিকা নিয়ে আপত্তি ছিল থর্নের স্ত্রীর। জানা যায়, এজন্য স্বামীর ওপরে ভীষণ খেপেছিলেন ভদ্রমহিলা। হয়তো শাপ-শাপান্ত করতেন হকিংকেও!
থর্নের যেমন বাজির নেশা, সমান নেশা হকিংয়েরও। এবার দুজন এক হয়ে বাজি ধরলেন। ক্যালটেকের বিজ্ঞানী জন প্রেসকিলের বিপক্ষে। হকিংয়ের একটা তত্ত্ব নিয়ে বাজিটা। সত্তর দশকে হকিং বলেছিলেন, ব্ল্যাকহোল যদি কিছু গিলে নেয়, সেটার কোনো তথ্য আর অবশিষ্ট থাকে না। ধরা যাক, বিরাট একটা পাথর গিলে নিল ব্ল্যাকহোল, কিংবা আস্ত একটা গ্রহ। ঘটনার দিকে কেউ নজর রাখেনি। তাই গিলে ফেলার পর জানা সম্ভব নয়, ব্ল্যাকহোল কী হজম করল কিংবা আদৌ কিছু খেয়েছে কি না।
প্রেসকিলের ধারণা, ব্ল্যাকহোল চুপচাপ একটা বস্তুটা গিলে ফেলবে, তার কোনো খবর মহাবিশ্বে থাকবে না, এটা অসম্ভব। সুতরাং ধরো বাজি। যে পক্ষ জিতবে, তারা পাবে ঢাউস একটা এনসাইক্লোপিডিয়া। সাত বছর পরে হার মানেন হকিং। বাজির পণ হিসেবে প্রেসকিলকে দেন সাত কেজি ওজনের এক বেসবল এনসাইক্লোপিডিয়া। হার মেনেছিলেন হকিং, থর্ন কিন্তু তাঁর নিজের বিশ্বাসে অনড়। তাই হার স্বীকার করেননি তিনি। তিনি এখনো মনে করেন, ব্ল্যাকহোল নীরব ঘাতক। কী খেল না খেল তার তথ্য মহাবিশ্বকে দেয় না। হকিং-থর্নের সেই ধারণাই কিন্তু দিন দিন হালে পানি পাচ্ছে। হকিং বাজিতে হার না মানলেই বোধ হয় ভালো করতেন।
সূত্র: সায়েন্স হিস্ট্রি

পুলিশের পরিদর্শক পদমর্যাদার ৪৯ কর্মকর্তাকে একযোগে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। চাকরির ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় ‘জনস্বার্থে’ তাদের অবসরে পাঠানো হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যেই নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। শেষ হয়েছে অধিকাংশ যন্ত্রপাতি স্থাপনের কাজও। এটি চালু হলে হাসপাতালটির মোট শয্যা সংখ্যা বেড়ে এক হাজারে দাঁড়াবে। এর ফলে এটি দেশের বৃহত্তম বিশেষায়িত স্নায়ুরোগ চিকিৎসা কেন্দ্রে পরিণত হবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৬ আগস্ট পালন করা হবে ঈদে মিলাদুন্নবি। বাংলাদেশে দিনটি সরকারি ছুটি।
১ দিন আগে
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) গণমাধ্যমকে বলেন, ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করে ১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রথম ধাপের আবেদন গ্রহণ শুরুর প্রস্তাব করা হয়েছে।
১ দিন আগে