বিজ্ঞান

সবচেয়ে বড় মাছ

অরুণ কুমার
হোয়েল শার্ক

মাছেভাতে বাঙালি আমরা। কতশত মাছ প্রতিদিন আমাদের পাতে ওঠে। নখের সমান কাচকি থেকে বিশাল বিশাল সামুদ্রিক মাছ আমাদের ভোজনবিলাসের উপাদন হয়। কিন্তু সবচেয়ে বড় মাছ কোনটি, সেটা কি জানেন?

না, তিমি মাছ নয়। সমুদ্রের পানিতে বাস করলেও এটা স্তন্যপায়ী প্রাণী। মাছেরা স্তন্যপায়ী নয়। এরা ডিম পাড়ে। তিমি, ডলফিনের মতো প্রাণীরা ডিম পাড়ে না। এরা সরাসরি বাচ্চা জন্ম দেয়।

বাচ্চাকে দুধ পানও করায়। অন্যদিকে চেহারায় কিছুটা মিল থাকলেও হাঙর কিন্তু মাছ। হাঙরের তো আর একটা প্রজতি নয়। শত প্রজাতি রয়েছে এদের।

তারমধ্যে কোনটা বড়? এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেলেই জানা যাবে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মাছ কোনটা?

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মাছটি ২০ মিটার লম্বা আর ওজনে প্রায় উনিশ টন। সবচেয়ে বড় মাছ হওয়ার জন্য আর কী চাই! বছর দশেক আগে কাতারের গবেষকরা এই মাপের এক মাছের কথা নিশ্চিত করেন। এই মাছটার নামও অদ্ভুত। হোয়েল শার্ক বা তিমি-হাঙর। কাতারের জীববিজ্ঞানীরা গালফ উপসাগরে হোয়েল শার্কের শরীরে স্যাটেলাইট লাগিয়ে এই গবেষণা চালান।

সেই গবেষণা থেকেই জানা যায় এটাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় মাছ।

সূত্র : বিবিসি নেচার

Ad
Ad
ad
ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

অর্থের অভাবে চিকিৎসা থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না: প্রধানমন্ত্রী

উদ্বোধনকালে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে তিনি মোনাজাতে অংশ নেন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

২১ ঘণ্টা আগে

নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হাসপাতালের নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। অধিকাংশ যন্ত্রপাতি স্থাপনের কাজও শেষ হয়েছে। এতে হাসপাতালটির মোট শয্যা সংখ্যা বেড়ে এক হাজারে দাঁড়ায়। এর ফলে এটি দেশের বৃহত্তম বিশেষায়িত স্নায়ুরোগ চিকিৎসা কেন্দ্রে পরিণত হয়।

১ দিন আগে

খুলনা-চট্টগ্রামসহ ৭ অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়ার সই করা পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

১ দিন আগে

জাতীয় প্রেস ক্লাবে জমকালো কাওয়ালী সন্ধ্যা

অনুষ্ঠানে 'আলী আলী মওলা আলী', 'পর্দা হ্যায় পর্দা', 'আমার দেহ মন বলে নবী নবী', 'ইশ্কে নবী দিল মে পয়দা করো', 'দমাদম মাস্ত কালান্দর' ও 'খাজা বাবা খাজা বাবা মারহাবা মারহাবা'-সহ জনপ্রিয় বেশ কিছু উর্দু, হিন্দি ও বাংলা কাওয়ালী পরিবেশন করা হয়।

১ দিন আগে