
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অর্থ প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান বলেছেন, বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নাগরিক যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এজন্য সরকার শহরের পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে। সবার জন্য স্বাস্থ্য সেবা সুনিশ্চিত করা প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার।
শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগে ডেভ কেয়ার ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বিশেষজ্ঞ মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. এম এ ফয়েজ।
তিনি বলেন, প্রত্যেক বাজেটের সময় জনসাধারণের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে স্বাস্থ্যখাতে প্রত্যেক বছর বাজেটের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া হয়। এ সরকারের আন্তরিকতায় দেশে অনেক সরকারি মেডিকেল কলেজ নতুনভাবে হয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি অনেক মেডিকেল কলেজ হয়েছে জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য। রাজনীতিও সেবা, চিকিৎসাও সেবা, উভয়ের কাজ হল জনগণকে সঠিক সেবা দেয়া।
ওয়াসিকা আয়শা খান বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্দেশ্য ছিল দেশের প্রতিটা ইউনিয়ন ও উপজেলায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়া। পাকিস্তান আমলে মাত্র একটি ডিভিশনে একটি থানায় হেলথ কমপ্লেক্স ছিল। বঙ্গবন্ধু সারা দেশে ৩৬৭টি হেলথ কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিটি ইউনিয়নে তিনি স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্র তৈরীর পদক্ষেপ নেন।
তিনি বলেন, বিগত সময়ের চাইতেও প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টিতে এখন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবা অনেক উন্নত। মানুষ অনেক সহজে চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন। তার সর্বশ্রেষ্ঠ উদাহরণ কোভিডের মত মহামারিকালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রত্যেক জেলা-উপজেলা এবং গ্রামাঞ্চলে করোনার টিকা বিনামূল্যে নিশ্চিত করেছেন। যা বহিঃবিশ্বে বাংলাদেশের মতো একটি রাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপ প্রশংসা কুড়িয়েছেন। বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে বিনামূল্যে করোনাকালীন টিকা পায়নি, এমন অনেক রাষ্ট্রের জনগণ আছে।
অর্থ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডেভ কেয়ার ফাউন্ডেশন সরকারের পাশাপাশি নিঃস্বার্থভাবে ও নিরলসভাবে আত্ম-মানবতার সেবায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। তার জন্য বাংলাদেশ সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আমি তাদেরকে সাধুবাদ জানাই।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন মো. ইলিয়াছ চৌধুরী, আনোয়ারা উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. ইশতিয়াক ইমন, ডেভ কেয়ার ফাউন্ডেশনের কার্যকরি পরিষদ সদস্য ও এ্যামেরিটাস চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. জয়নব বেগম, বিএমএ সভাপতি অধ্যাপক ডাক্তার মুজিবুল হক খান, অধ্যাপক আমির হোসেন, কাজী মোজাম্মেল, রাজিন দাশ রাহুল, মোহাম্মদ আজিজুল হক আজিজ, প্রণব দাশগুপ্ত, সাগর মিত্র, ডাক্তার সন্তোষ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোজাম্মেল হক, শাহাদাত হোসেন, জিয়াউদ্দিন বাবলু, আবু তৈয়ব রাসেল প্রমুখ।

অর্থ প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান বলেছেন, বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নাগরিক যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এজন্য সরকার শহরের পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে। সবার জন্য স্বাস্থ্য সেবা সুনিশ্চিত করা প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার।
শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগে ডেভ কেয়ার ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বিশেষজ্ঞ মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. এম এ ফয়েজ।
তিনি বলেন, প্রত্যেক বাজেটের সময় জনসাধারণের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে স্বাস্থ্যখাতে প্রত্যেক বছর বাজেটের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া হয়। এ সরকারের আন্তরিকতায় দেশে অনেক সরকারি মেডিকেল কলেজ নতুনভাবে হয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি অনেক মেডিকেল কলেজ হয়েছে জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য। রাজনীতিও সেবা, চিকিৎসাও সেবা, উভয়ের কাজ হল জনগণকে সঠিক সেবা দেয়া।
ওয়াসিকা আয়শা খান বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্দেশ্য ছিল দেশের প্রতিটা ইউনিয়ন ও উপজেলায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়া। পাকিস্তান আমলে মাত্র একটি ডিভিশনে একটি থানায় হেলথ কমপ্লেক্স ছিল। বঙ্গবন্ধু সারা দেশে ৩৬৭টি হেলথ কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিটি ইউনিয়নে তিনি স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্র তৈরীর পদক্ষেপ নেন।
তিনি বলেন, বিগত সময়ের চাইতেও প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টিতে এখন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবা অনেক উন্নত। মানুষ অনেক সহজে চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন। তার সর্বশ্রেষ্ঠ উদাহরণ কোভিডের মত মহামারিকালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রত্যেক জেলা-উপজেলা এবং গ্রামাঞ্চলে করোনার টিকা বিনামূল্যে নিশ্চিত করেছেন। যা বহিঃবিশ্বে বাংলাদেশের মতো একটি রাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপ প্রশংসা কুড়িয়েছেন। বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে বিনামূল্যে করোনাকালীন টিকা পায়নি, এমন অনেক রাষ্ট্রের জনগণ আছে।
অর্থ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডেভ কেয়ার ফাউন্ডেশন সরকারের পাশাপাশি নিঃস্বার্থভাবে ও নিরলসভাবে আত্ম-মানবতার সেবায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। তার জন্য বাংলাদেশ সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আমি তাদেরকে সাধুবাদ জানাই।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন মো. ইলিয়াছ চৌধুরী, আনোয়ারা উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. ইশতিয়াক ইমন, ডেভ কেয়ার ফাউন্ডেশনের কার্যকরি পরিষদ সদস্য ও এ্যামেরিটাস চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. জয়নব বেগম, বিএমএ সভাপতি অধ্যাপক ডাক্তার মুজিবুল হক খান, অধ্যাপক আমির হোসেন, কাজী মোজাম্মেল, রাজিন দাশ রাহুল, মোহাম্মদ আজিজুল হক আজিজ, প্রণব দাশগুপ্ত, সাগর মিত্র, ডাক্তার সন্তোষ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোজাম্মেল হক, শাহাদাত হোসেন, জিয়াউদ্দিন বাবলু, আবু তৈয়ব রাসেল প্রমুখ।

চলমান জ্বালানি সমস্যার সমাধানে কমপক্ষে দুই বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। ছয় মাস কিংবা এক বছরে এর সমাধান হবে না। ন্যূনতম দুই বছর লাগবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তখন নারীদের ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করে দিয়েছিলেন। দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। এই নারী সমাজকে যদি আমরা পিছিয়ে রাখি, তাহলে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সে কারণেই বর্তমান সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নারীদের অনার্স
১৫ ঘণ্টা আগে
রোববার (১৬ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, পে স্কেল সরকারের বিবেচনায় রয়েছে এবং এটি বাস্তবায়নে সরকারের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। তিনি বলেন, “এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। যেকোনো মুহূর্তে পে স্কেল ঘোষণা হতে পারে।”
১৬ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগের প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’। সংগঠনটি এ ধরনের পদক্ষেপকে ‘অগণতান্ত্রিক, প্রতিহিংসামূলক
১৬ ঘণ্টা আগে