
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের স্বাস্থ্যখাতের পরিধি বেড়েছে, কিন্তু আইন, নীতিমালা সংস্কার ও উন্নয়ন হয়নি। আইনের দুর্বলতার কারণে মানসম্মত ও মানহীন চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে না। যার কারণে মানহীনদের ভোগান্তির দায় সকলকে নিতে হচ্ছে। আর আইনের সীমাবদ্ধতা, নজরদারির অভাব, স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউরস (এসওপি) না থাকাসহ নানা কারণে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলো মানুষের আস্থা হারাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
তারা বলছেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়নের কাজ দীর্ঘদিন ধরে চললেও এখনো সম্পন্ন হয়নি। আর এ আইনকে দুর্বল করতে স্বার্থান্বেষীরা সক্রিয় রয়েছে, তাই সরকারের উচিত সতর্কতার সঙ্গে পুর্ণাঙ্গ আইন প্রণয়ন।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন-পবা ও বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক) বারসিক আয়োজিত এক সভায় সরকারের প্রতি এ আহ্বান জানানো হয়।
সভায় পবার নির্বাহী সভাপতি জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. লেলিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম। সভায় বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী, আইনজীবী ব্যারিষ্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, ডক্টর্স ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রমেন্ট এর সহ সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফিরোজ খান এবং বারসিকের পরিচালক ও পরিবেশ বিষয়ক লেখক পাভেল পার্থ।
সভা সঞ্চালনা করেন পবার সহ-সাধারণ সম্পাদক এম এ ওয়াহেদ রাসেল।
মূল প্রবন্ধে সৈয়দ মাহবুবুল আলম জনস্বাস্থ্য, সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে প্রায় ৪৫টি আইন জড়িত। কিন্তু হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো ‘দ্য মেডিকেল অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরি (রেগুলেশন) অর্ডিনেন্স ১৯৮২’ আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে এ আইনের কার্যকারিত নেই। এছাড়া ভোক্তা অধিকার আইন এবং দণ্ডবিধির কিছু ধারায় স্বাস্থ্য সুরক্ষার কিছু বিধান থাকলেও কোনওটাই পূর্ণাঙ্গ নয় এবং দেশের বিশাল স্বাস্থ্যখাতের জন্য পর্যাপ্তও নয়। অথচ স্বাস্থ্যসেবায় দাতা এবং গ্রহীতার সুরক্ষা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার জন্য যুগোপযোগী আইন জরুরি।
বিএমএ মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী সভায় বলেন, চিকিৎসার ব্যর্থতার দায় নেয়ার পাশাপাশি সকল নাগরিকের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে। আইনের উদ্দেশ্য কেবলমাত্র এ খাতের মানুষকে সাজা দেয়া নয়, বরং স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত সকলকে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং সঠিক স্বাস্থ্যসেবাও নিশ্চিত বিষয়টিকে প্রাধান্য দিতে হবে।
প্রস্তাবিত আইনে স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়গুলো আরো সুনির্দিষ্ট হওয়া জরুরি মন্তব্য করে ব্যারিষ্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, কিন্তু আইনে যদি বাস্তবায়নের বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে না থাকে তাহলে দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। তাই সকলকে দায়বদ্ধ করে সব নাগরিকের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে বিশেষ আদালত গঠন করা যেতে পারে।
সভাপতির বক্তব্যে পবার নির্বাহী সভাপতি ডা. লেলিন চৌধুরী সমন্বিত একটি স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন গুরুত্বপূর্ণ এক জনদাবি জানিয়ে বলেন, তবে এখানে সবার অধিকার রক্ষা করার পাশাপাশি একইসঙ্গে অধিকার লঙ্ঘনকারী ও দায়িত্ব অবহেলাকারীকে জবাবদিহিতার মুখোমুখি করার সুযোগ থাকতে হবে।

দেশের স্বাস্থ্যখাতের পরিধি বেড়েছে, কিন্তু আইন, নীতিমালা সংস্কার ও উন্নয়ন হয়নি। আইনের দুর্বলতার কারণে মানসম্মত ও মানহীন চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে না। যার কারণে মানহীনদের ভোগান্তির দায় সকলকে নিতে হচ্ছে। আর আইনের সীমাবদ্ধতা, নজরদারির অভাব, স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউরস (এসওপি) না থাকাসহ নানা কারণে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলো মানুষের আস্থা হারাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
তারা বলছেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়নের কাজ দীর্ঘদিন ধরে চললেও এখনো সম্পন্ন হয়নি। আর এ আইনকে দুর্বল করতে স্বার্থান্বেষীরা সক্রিয় রয়েছে, তাই সরকারের উচিত সতর্কতার সঙ্গে পুর্ণাঙ্গ আইন প্রণয়ন।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন-পবা ও বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক) বারসিক আয়োজিত এক সভায় সরকারের প্রতি এ আহ্বান জানানো হয়।
সভায় পবার নির্বাহী সভাপতি জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. লেলিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম। সভায় বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী, আইনজীবী ব্যারিষ্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, ডক্টর্স ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রমেন্ট এর সহ সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফিরোজ খান এবং বারসিকের পরিচালক ও পরিবেশ বিষয়ক লেখক পাভেল পার্থ।
সভা সঞ্চালনা করেন পবার সহ-সাধারণ সম্পাদক এম এ ওয়াহেদ রাসেল।
মূল প্রবন্ধে সৈয়দ মাহবুবুল আলম জনস্বাস্থ্য, সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে প্রায় ৪৫টি আইন জড়িত। কিন্তু হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো ‘দ্য মেডিকেল অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরি (রেগুলেশন) অর্ডিনেন্স ১৯৮২’ আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে এ আইনের কার্যকারিত নেই। এছাড়া ভোক্তা অধিকার আইন এবং দণ্ডবিধির কিছু ধারায় স্বাস্থ্য সুরক্ষার কিছু বিধান থাকলেও কোনওটাই পূর্ণাঙ্গ নয় এবং দেশের বিশাল স্বাস্থ্যখাতের জন্য পর্যাপ্তও নয়। অথচ স্বাস্থ্যসেবায় দাতা এবং গ্রহীতার সুরক্ষা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার জন্য যুগোপযোগী আইন জরুরি।
বিএমএ মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী সভায় বলেন, চিকিৎসার ব্যর্থতার দায় নেয়ার পাশাপাশি সকল নাগরিকের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে। আইনের উদ্দেশ্য কেবলমাত্র এ খাতের মানুষকে সাজা দেয়া নয়, বরং স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত সকলকে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং সঠিক স্বাস্থ্যসেবাও নিশ্চিত বিষয়টিকে প্রাধান্য দিতে হবে।
প্রস্তাবিত আইনে স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়গুলো আরো সুনির্দিষ্ট হওয়া জরুরি মন্তব্য করে ব্যারিষ্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, কিন্তু আইনে যদি বাস্তবায়নের বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে না থাকে তাহলে দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। তাই সকলকে দায়বদ্ধ করে সব নাগরিকের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে বিশেষ আদালত গঠন করা যেতে পারে।
সভাপতির বক্তব্যে পবার নির্বাহী সভাপতি ডা. লেলিন চৌধুরী সমন্বিত একটি স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন গুরুত্বপূর্ণ এক জনদাবি জানিয়ে বলেন, তবে এখানে সবার অধিকার রক্ষা করার পাশাপাশি একইসঙ্গে অধিকার লঙ্ঘনকারী ও দায়িত্ব অবহেলাকারীকে জবাবদিহিতার মুখোমুখি করার সুযোগ থাকতে হবে।

আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়ার সই করা পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
৮ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে 'আলী আলী মওলা আলী', 'পর্দা হ্যায় পর্দা', 'আমার দেহ মন বলে নবী নবী', 'ইশ্কে নবী দিল মে পয়দা করো', 'দমাদম মাস্ত কালান্দর' ও 'খাজা বাবা খাজা বাবা মারহাবা মারহাবা'-সহ জনপ্রিয় বেশ কিছু উর্দু, হিন্দি ও বাংলা কাওয়ালী পরিবেশন করা হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
সামিট জানিয়েছে, ধীরে ধীরে সরবরাহ বাড়িয়ে ১৫ আগস্ট রাত ২টার দিকে টার্মিনালের পূর্ণ সক্ষমতা অনুযায়ী প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষে কাজ চলছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সি স্পাইকের সব কার্গো ট্যাংক অক্ষত আছে। কোনো ট্যাংকে পানি ঢোকেনি। জাহাজ থেকে তেল নিঃসরণের ঘটনাও ঘটেনি। তবে সংঘর্ষে জাহাজটির ইঞ্জিনকক্ষের বাঁ পাশের পেছনের দিকে প্রায় এক বর্গমিটার ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। ওই ফাটল দিয়ে পানি ঢোকার পর জাহাজটিতে সাময়িক বিদ্যুৎ-বিপর্যয় ঘটে।
২০ ঘণ্টা আগে