
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

প্রচণ্ড গরমে ক্লান্ত শরীর যখন একটু স্বস্তির খোঁজে, তখন এক গ্লাস ঠান্ডা ডাবের পানি যেন একেবারে অমৃতের মতো লাগে। এই প্রাকৃতিক পানীয়টি শুধু তৃষ্ণা মেটায় না, শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্যও ফিরিয়ে আনে। ডাবের পানিতে কোনো কৃত্রিম রং, চিনি বা সংরক্ষক মেশানো হয় না। এটি প্রকৃতির একদম নিখাদ, বিশুদ্ধ উপহার। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে, যখন আমাদের শরীর অতিরিক্ত ঘামের কারণে প্রচুর পানি ও লবণ হারায়, তখন ডাবের পানি হয়ে ওঠে আদর্শ রিহাইড্রেশন ড্রিংক।
ডাবের পানি মূলত কাঁচা নারকেলের ভিতরের স্বচ্ছ তরল। এই তরলে রয়েছে প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট যেমন পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ক্যালসিয়াম, যা শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে। ইউনাইটেড স্টেটস-এর হার্ভার্ড টি.এইচ. চ্যান স্কুল অফ পাবলিক হেলথ-এর পুষ্টিবিদ ড. ওয়াল্টার উইলেট বলেন, “ডাবের পানি শরীরের জন্য এক ধরনের প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট সমাধান, যা প্রচণ্ড গরমে হারানো লবণ ও পানি দ্রুত পূরণ করতে সাহায্য করে।” তিনি আরও বলেন, “এই পানীয়টি ক্রীড়াবিদ ও পরিশ্রমী মানুষের জন্য আদর্শ, কারণ এতে প্রাকৃতিক ভাবেই সোডিয়াম ও পটাশিয়াম থাকে, যা শরীরের পেশি ও স্নায়ু ঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।”
বেশিরভাগ কোমল পানীয় বা এনার্জি ড্রিংকের তুলনায় ডাবের পানি অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। মার্কিন টাফটস ইউনিভার্সিটির নিউট্রিশন রিসার্চ সেন্টারের গবেষক ড. জোয়ান স্লেভিনের মতে, “সুগার সোডা বা কৃত্রিম ইলেকট্রোলাইট ড্রিংকের পরিবর্তে যদি মানুষ ডাবের পানির দিকে ঝুঁকে, তাহলে ডায়াবেটিস, স্থূলতা এবং হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।” ড. স্লেভিন বলেন, “ডাবের পানির ক্যালরি খুবই কম এবং এতে কোনো ধরনের অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ থাকে না। এটি শরীরের জন্য যেমন নিরাপদ, তেমনি পরিপাকতন্ত্রের জন্যও হালকা ও সহনীয়।”
গরমে ঘাম ঝরার ফলে আমাদের শরীর থেকে কেবল পানি নয়, প্রয়োজনীয় মিনারেলস বা খনিজও বের হয়ে যায়। এর ফলে অনেক সময় শরীরে দুর্বলতা, মাথা ঘোরা বা অস্থিরতা দেখা দেয়। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ডাবের পানি অত্যন্ত কার্যকর। এতে আছে ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম। এগুলো পেশির সংকোচন-প্রসারণে সাহায্য করে, ফলে শরীর থাকে চাঙা। পাশাপাশি এতে থাকা প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষগুলোকে রক্ষা করে এবং দেহের ফ্রি র্যাডিকেল দূর করতে সাহায্য করে।
বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় ডাবের পানি শুধু পানীয় হিসেবে নয়, ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বহু প্রাচীনকাল থেকে ডায়রিয়া বা হজমের সমস্যায় ডাবের পানি খাওয়ার প্রচলন আছে। নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির মেডিসিন বিভাগের গবেষক ড. রবার্ট হেন্ডারসন বলেন, “ডাবের পানি হালকা জ্বর, হজমের গোলমাল বা বমিভাবের ক্ষেত্রে একটি প্রাকৃতিক ও আরামদায়ক সমাধান হতে পারে। এতে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা ও খনিজ পদার্থ শরীরকে দ্রুত চাঙ্গা করে তোলে।”
গবেষণায় দেখা গেছে, ডাবের পানি হজমে সহায়তা করে এবং অন্ত্রের কার্যক্রমকে স্বাভাবিক রাখে। এতে থাকা ফাইবার ও প্রাকৃতিক শর্করা অন্ত্র পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে এটি কিডনির কার্যক্রম ঠিক রাখতে সাহায্য করে এবং ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন বা ইউটিআই প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চের পুষ্টিবিদ ড. শোভা নারায়ণ জানান, “গ্রীষ্মকালে মেয়েদের ইউরিন ইনফেকশনের প্রবণতা বেশি দেখা যায়, আর এই ক্ষেত্রে ডাবের পানি অনেকটাই প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। এটি শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয় এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে কিডনিকে পরিষ্কার রাখে।”
ডাবের পানির আরেকটি বিশেষ গুণ হলো, এটি শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। যখন বাইরে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি, তখন শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে পড়ে। এই অতিরিক্ত তাপ রক্তচাপ বাড়াতে পারে এবং অনেক সময় হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি হয়। ডাবের পানি এই ঝুঁকি অনেকটা কমিয়ে দেয়। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া-র ফিজিওলজি বিভাগের গবেষক ড. এমিলি কার্টার বলেন, “ডাবের পানি শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা করে এবং ঘাম হওয়ার প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখে। ফলে হিটস্ট্রোকের মতো পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়।”
তবে একটি বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি—ডাবের পানি যতই স্বাস্থ্যকর হোক না কেন, এটি অতিরিক্ত খাওয়া ঠিক নয়। দিনে এক বা দুইটি ডাব যথেষ্ট। বিশেষ করে যাদের কিডনির সমস্যা বা রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে ডাবের পানি বেশি খেলে ক্ষতি হতে পারে। আবার কৃত্রিমভাবে মিষ্টি বা সংরক্ষিত ডাবের পানি বাজারে পাওয়া গেলেও, প্রকৃত ডাব কেটে তাৎক্ষণিকভাবে পান করাই সবচেয়ে ভালো।

প্রচণ্ড গরমে ক্লান্ত শরীর যখন একটু স্বস্তির খোঁজে, তখন এক গ্লাস ঠান্ডা ডাবের পানি যেন একেবারে অমৃতের মতো লাগে। এই প্রাকৃতিক পানীয়টি শুধু তৃষ্ণা মেটায় না, শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্যও ফিরিয়ে আনে। ডাবের পানিতে কোনো কৃত্রিম রং, চিনি বা সংরক্ষক মেশানো হয় না। এটি প্রকৃতির একদম নিখাদ, বিশুদ্ধ উপহার। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে, যখন আমাদের শরীর অতিরিক্ত ঘামের কারণে প্রচুর পানি ও লবণ হারায়, তখন ডাবের পানি হয়ে ওঠে আদর্শ রিহাইড্রেশন ড্রিংক।
ডাবের পানি মূলত কাঁচা নারকেলের ভিতরের স্বচ্ছ তরল। এই তরলে রয়েছে প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট যেমন পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ক্যালসিয়াম, যা শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে। ইউনাইটেড স্টেটস-এর হার্ভার্ড টি.এইচ. চ্যান স্কুল অফ পাবলিক হেলথ-এর পুষ্টিবিদ ড. ওয়াল্টার উইলেট বলেন, “ডাবের পানি শরীরের জন্য এক ধরনের প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট সমাধান, যা প্রচণ্ড গরমে হারানো লবণ ও পানি দ্রুত পূরণ করতে সাহায্য করে।” তিনি আরও বলেন, “এই পানীয়টি ক্রীড়াবিদ ও পরিশ্রমী মানুষের জন্য আদর্শ, কারণ এতে প্রাকৃতিক ভাবেই সোডিয়াম ও পটাশিয়াম থাকে, যা শরীরের পেশি ও স্নায়ু ঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।”
বেশিরভাগ কোমল পানীয় বা এনার্জি ড্রিংকের তুলনায় ডাবের পানি অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। মার্কিন টাফটস ইউনিভার্সিটির নিউট্রিশন রিসার্চ সেন্টারের গবেষক ড. জোয়ান স্লেভিনের মতে, “সুগার সোডা বা কৃত্রিম ইলেকট্রোলাইট ড্রিংকের পরিবর্তে যদি মানুষ ডাবের পানির দিকে ঝুঁকে, তাহলে ডায়াবেটিস, স্থূলতা এবং হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।” ড. স্লেভিন বলেন, “ডাবের পানির ক্যালরি খুবই কম এবং এতে কোনো ধরনের অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ থাকে না। এটি শরীরের জন্য যেমন নিরাপদ, তেমনি পরিপাকতন্ত্রের জন্যও হালকা ও সহনীয়।”
গরমে ঘাম ঝরার ফলে আমাদের শরীর থেকে কেবল পানি নয়, প্রয়োজনীয় মিনারেলস বা খনিজও বের হয়ে যায়। এর ফলে অনেক সময় শরীরে দুর্বলতা, মাথা ঘোরা বা অস্থিরতা দেখা দেয়। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ডাবের পানি অত্যন্ত কার্যকর। এতে আছে ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম। এগুলো পেশির সংকোচন-প্রসারণে সাহায্য করে, ফলে শরীর থাকে চাঙা। পাশাপাশি এতে থাকা প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষগুলোকে রক্ষা করে এবং দেহের ফ্রি র্যাডিকেল দূর করতে সাহায্য করে।
বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় ডাবের পানি শুধু পানীয় হিসেবে নয়, ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বহু প্রাচীনকাল থেকে ডায়রিয়া বা হজমের সমস্যায় ডাবের পানি খাওয়ার প্রচলন আছে। নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির মেডিসিন বিভাগের গবেষক ড. রবার্ট হেন্ডারসন বলেন, “ডাবের পানি হালকা জ্বর, হজমের গোলমাল বা বমিভাবের ক্ষেত্রে একটি প্রাকৃতিক ও আরামদায়ক সমাধান হতে পারে। এতে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা ও খনিজ পদার্থ শরীরকে দ্রুত চাঙ্গা করে তোলে।”
গবেষণায় দেখা গেছে, ডাবের পানি হজমে সহায়তা করে এবং অন্ত্রের কার্যক্রমকে স্বাভাবিক রাখে। এতে থাকা ফাইবার ও প্রাকৃতিক শর্করা অন্ত্র পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে এটি কিডনির কার্যক্রম ঠিক রাখতে সাহায্য করে এবং ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন বা ইউটিআই প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চের পুষ্টিবিদ ড. শোভা নারায়ণ জানান, “গ্রীষ্মকালে মেয়েদের ইউরিন ইনফেকশনের প্রবণতা বেশি দেখা যায়, আর এই ক্ষেত্রে ডাবের পানি অনেকটাই প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। এটি শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয় এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে কিডনিকে পরিষ্কার রাখে।”
ডাবের পানির আরেকটি বিশেষ গুণ হলো, এটি শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। যখন বাইরে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি, তখন শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে পড়ে। এই অতিরিক্ত তাপ রক্তচাপ বাড়াতে পারে এবং অনেক সময় হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি হয়। ডাবের পানি এই ঝুঁকি অনেকটা কমিয়ে দেয়। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া-র ফিজিওলজি বিভাগের গবেষক ড. এমিলি কার্টার বলেন, “ডাবের পানি শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা করে এবং ঘাম হওয়ার প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখে। ফলে হিটস্ট্রোকের মতো পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়।”
তবে একটি বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি—ডাবের পানি যতই স্বাস্থ্যকর হোক না কেন, এটি অতিরিক্ত খাওয়া ঠিক নয়। দিনে এক বা দুইটি ডাব যথেষ্ট। বিশেষ করে যাদের কিডনির সমস্যা বা রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে ডাবের পানি বেশি খেলে ক্ষতি হতে পারে। আবার কৃত্রিমভাবে মিষ্টি বা সংরক্ষিত ডাবের পানি বাজারে পাওয়া গেলেও, প্রকৃত ডাব কেটে তাৎক্ষণিকভাবে পান করাই সবচেয়ে ভালো।

ফরিদের ছোট ভাই স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলম বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।”
১ দিন আগে
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
২ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ চলছে। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপরই ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
২ দিন আগে