
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রান্নাঘরে রসুন একটি অতি পরিচিত উপাদান। রান্নার স্বাদ বাড়াতে এটি যেমন ব্যবহার করা হয়, তেমনি এর গন্ধ ও ঔষধি গুণের কারণেও রসুনের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। কিন্তু অনেকেই জানেন না, রান্না করা রসুনের চেয়ে কাঁচা রসুন শরীরের জন্য অনেক বেশি উপকারি। বিশেষ করে, যদি প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণে কাঁচা রসুন খাওয়া যায়, তবে তা অনেক জটিল রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে। এই নিয়ে গবেষণা করেছেন অনেক বিদেশি গবেষকও। তাঁদের মতে, রসুনের মধ্যে থাকা এক প্রাকৃতিক যৌগ 'অ্যালিসিন'-এর গুণেই এই উপকারিতা।
আমেরিকার “ন্যাশনাল সেন্টার ফর কমপ্লিমেন্টারি অ্যান্ড ইন্টেগ্রেটিভ হেলথ”-এর গবেষক ড. উইলিয়াম সাসম্যান বলেন, “কাঁচা রসুনে থাকা অ্যালিসিন শরীরে প্রবেশ করেই শক্তিশালী অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। তবে রান্নার সময় এই যৌগটি দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।” তাঁর মতে, দিনে এক বা দুই কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়াই যথেষ্ট। বেশি খেলেই বেশি উপকার হবে—এমনটা ভাবার কিছু নেই, বরং অতিরিক্ত খাওয়ায় ক্ষতি হতে পারে।
কাঁচা রসুনের মূল গুণ হলো এর জীবাণুনাশক শক্তি। বহু শতাব্দী আগে থেকেই বিভিন্ন সংস্কৃতিতে এটি প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রাচীন মিসর, গ্রিস, চীন ও ভারতীয় আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় রসুনের ব্যবহার ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক বিজ্ঞানও এখন এর কার্যকারিতা স্বীকার করছে।
বিখ্যাত স্বাস্থ্য গবেষণা সংস্থা “হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল”-এর গবেষক ড. জেমস স্টোন বলেন, “আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত কাঁচা রসুন খান, তাঁদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক কম। রসুন রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে। এছাড়াও এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে, যা হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা অনেকটাই কমায়।”
কাঁচা রসুন খাওয়ার আরও একটি বড় সুবিধা হলো, এটি অন্ত্রের জন্য খুব ভালো। রসুনের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণ ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়তা করে। এটি হজমশক্তি বাড়ায় এবং পেটের ফাঁপাভাব ও গ্যাস কমায়। এ বিষয়ে কানাডার “ইউনিভার্সিটি অব টরোন্টো”-র পুষ্টিবিদ ড. নিকোল কার্টার বলেন, “রসুনে এমন কিছু প্রিবায়োটিক যৌগ আছে যা অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলোর বৃদ্ধি ঘটায়। ফলে হজমব্যবস্থা সুস্থ থাকে এবং ইমিউন সিস্টেম আরও সক্রিয় হয়।”
কাঁচা রসুন খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বেড়ে যায়। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, সর্দি-কাশি বা ভাইরাল ইনফেকশনের সময় যারা কাঁচা রসুন খান, তাঁদের সুস্থ হতে সময় কম লাগে। যুক্তরাজ্যের “ইউনিভার্সিটি অব অ্যাডিনবারা”-র অধ্যাপক ড. মিরান্ডা হোয়াইট বলেন, “রসুনে থাকা সালফার যৌগ ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঠেকাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে। বিশেষ করে শীতে কাঁচা রসুন খাওয়া খুবই উপকারী।”
তবে কাঁচা রসুন খাওয়ার কিছু সাবধানতাও আছে। এর তীব্র গন্ধ অনেকেরই সহ্য হয় না। আবার কারও কারও ক্ষেত্রে পেটব্যথা, অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই প্রথমে এক কোয়া করে খাওয়া শুরু করাই ভালো। ধীরে ধীরে শরীর মানিয়ে নিতে পারলে দিনে এক থেকে দুই কোয়া খাওয়া নিরাপদ। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে এক কোয়া কাঁচা রসুন খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। তবে যাঁরা পেটের সমস্যা বা আলসারের রোগী, তাঁদের রসুন খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
এছাড়া রসুন খাওয়ার পর মুখে দুর্গন্ধের সমস্যা হতে পারে। এই সমস্যা কমাতে রসুন খাওয়ার পরপরই একটি কাঁচা পুদিনা পাতা বা একটি এলাচ চিবিয়ে খাওয়া যেতে পারে। কেউ চাইলে রসুন থেঁতো করে কিছুটা মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে গন্ধ কিছুটা কমে যায়, আবার মধুর উপকারিতাও পাওয়া যায়।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—কাঁচা রসুন খাওয়ার উপকারিতা পেতে হলে সেটি চিবিয়ে খাওয়া জরুরি। কারণ রসুন থেঁতো না করলে বা চিবানো না হলে অ্যালিসিন নামের গুরুত্বপূর্ণ যৌগটি তৈরি হয় না। এই বিষয়টি নিয়ে ২০২২ সালে “জার্নাল অব নিউট্রিশনাল বায়োকেমিস্ট্রি”-তে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন দক্ষিণ কোরিয়ার গবেষক ড. হিওন জুং। তিনি লেখেন, “রসুনের কোয়া চিবিয়ে খেলে অ্যালিনেজ এনজাইম সক্রিয় হয়, যা অ্যালিসিন তৈরি করে। রান্না করা বা আস্ত খাওয়া রসুনে এই প্রক্রিয়া ঘটেনা।”
রসুন শুধু শরীরিক উপকারই করে না, এটি মানসিক স্বাস্থ্যেরও উপকারে আসে বলে দাবি করেছেন জার্মানির “ফ্রাইবার্গ ইউনিভার্সিটি”-র মনোবিজ্ঞানী ড. সাশা ব্রুকার। তাঁর মতে, “রসুনে থাকা কিছু প্রাকৃতিক যৌগ সেরোটোনিন নিঃসরণে সহায়তা করে, যা মানসিক চাপ কমায় ও মন ভালো রাখে।”
সব মিলিয়ে বলা যায়, দৈনন্দিন জীবনে এক বা দুই কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়ার অভ্যাস করলে অনেক রোগ থেকে বাঁচা সম্ভব। তবে মনে রাখতে হবে, রসুন কোনো ‘ম্যাজিক’ নয়, এটি একটি সহায়ক খাদ্য উপাদান। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম ও মানসিক শান্তির সঙ্গে মিলিয়ে কাঁচা রসুন খেলে এর উপকারিতা সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।
তাই আজ থেকেই খাবারের তালিকায় রাখুন কাঁচা রসুন—কিন্তু সঠিক পরিমাণে, সচেতনভাবে এবং ধৈর্য নিয়ে। কারণ সুস্থতা একদিনে আসে না, আসে ধীরে ধীরে, অভ্যাসের মাধ্যমে।

রান্নাঘরে রসুন একটি অতি পরিচিত উপাদান। রান্নার স্বাদ বাড়াতে এটি যেমন ব্যবহার করা হয়, তেমনি এর গন্ধ ও ঔষধি গুণের কারণেও রসুনের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। কিন্তু অনেকেই জানেন না, রান্না করা রসুনের চেয়ে কাঁচা রসুন শরীরের জন্য অনেক বেশি উপকারি। বিশেষ করে, যদি প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণে কাঁচা রসুন খাওয়া যায়, তবে তা অনেক জটিল রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে। এই নিয়ে গবেষণা করেছেন অনেক বিদেশি গবেষকও। তাঁদের মতে, রসুনের মধ্যে থাকা এক প্রাকৃতিক যৌগ 'অ্যালিসিন'-এর গুণেই এই উপকারিতা।
আমেরিকার “ন্যাশনাল সেন্টার ফর কমপ্লিমেন্টারি অ্যান্ড ইন্টেগ্রেটিভ হেলথ”-এর গবেষক ড. উইলিয়াম সাসম্যান বলেন, “কাঁচা রসুনে থাকা অ্যালিসিন শরীরে প্রবেশ করেই শক্তিশালী অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। তবে রান্নার সময় এই যৌগটি দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।” তাঁর মতে, দিনে এক বা দুই কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়াই যথেষ্ট। বেশি খেলেই বেশি উপকার হবে—এমনটা ভাবার কিছু নেই, বরং অতিরিক্ত খাওয়ায় ক্ষতি হতে পারে।
কাঁচা রসুনের মূল গুণ হলো এর জীবাণুনাশক শক্তি। বহু শতাব্দী আগে থেকেই বিভিন্ন সংস্কৃতিতে এটি প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রাচীন মিসর, গ্রিস, চীন ও ভারতীয় আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় রসুনের ব্যবহার ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক বিজ্ঞানও এখন এর কার্যকারিতা স্বীকার করছে।
বিখ্যাত স্বাস্থ্য গবেষণা সংস্থা “হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল”-এর গবেষক ড. জেমস স্টোন বলেন, “আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত কাঁচা রসুন খান, তাঁদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক কম। রসুন রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে। এছাড়াও এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে, যা হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা অনেকটাই কমায়।”
কাঁচা রসুন খাওয়ার আরও একটি বড় সুবিধা হলো, এটি অন্ত্রের জন্য খুব ভালো। রসুনের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণ ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়তা করে। এটি হজমশক্তি বাড়ায় এবং পেটের ফাঁপাভাব ও গ্যাস কমায়। এ বিষয়ে কানাডার “ইউনিভার্সিটি অব টরোন্টো”-র পুষ্টিবিদ ড. নিকোল কার্টার বলেন, “রসুনে এমন কিছু প্রিবায়োটিক যৌগ আছে যা অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলোর বৃদ্ধি ঘটায়। ফলে হজমব্যবস্থা সুস্থ থাকে এবং ইমিউন সিস্টেম আরও সক্রিয় হয়।”
কাঁচা রসুন খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বেড়ে যায়। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, সর্দি-কাশি বা ভাইরাল ইনফেকশনের সময় যারা কাঁচা রসুন খান, তাঁদের সুস্থ হতে সময় কম লাগে। যুক্তরাজ্যের “ইউনিভার্সিটি অব অ্যাডিনবারা”-র অধ্যাপক ড. মিরান্ডা হোয়াইট বলেন, “রসুনে থাকা সালফার যৌগ ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঠেকাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে। বিশেষ করে শীতে কাঁচা রসুন খাওয়া খুবই উপকারী।”
তবে কাঁচা রসুন খাওয়ার কিছু সাবধানতাও আছে। এর তীব্র গন্ধ অনেকেরই সহ্য হয় না। আবার কারও কারও ক্ষেত্রে পেটব্যথা, অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই প্রথমে এক কোয়া করে খাওয়া শুরু করাই ভালো। ধীরে ধীরে শরীর মানিয়ে নিতে পারলে দিনে এক থেকে দুই কোয়া খাওয়া নিরাপদ। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে এক কোয়া কাঁচা রসুন খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। তবে যাঁরা পেটের সমস্যা বা আলসারের রোগী, তাঁদের রসুন খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
এছাড়া রসুন খাওয়ার পর মুখে দুর্গন্ধের সমস্যা হতে পারে। এই সমস্যা কমাতে রসুন খাওয়ার পরপরই একটি কাঁচা পুদিনা পাতা বা একটি এলাচ চিবিয়ে খাওয়া যেতে পারে। কেউ চাইলে রসুন থেঁতো করে কিছুটা মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে গন্ধ কিছুটা কমে যায়, আবার মধুর উপকারিতাও পাওয়া যায়।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—কাঁচা রসুন খাওয়ার উপকারিতা পেতে হলে সেটি চিবিয়ে খাওয়া জরুরি। কারণ রসুন থেঁতো না করলে বা চিবানো না হলে অ্যালিসিন নামের গুরুত্বপূর্ণ যৌগটি তৈরি হয় না। এই বিষয়টি নিয়ে ২০২২ সালে “জার্নাল অব নিউট্রিশনাল বায়োকেমিস্ট্রি”-তে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন দক্ষিণ কোরিয়ার গবেষক ড. হিওন জুং। তিনি লেখেন, “রসুনের কোয়া চিবিয়ে খেলে অ্যালিনেজ এনজাইম সক্রিয় হয়, যা অ্যালিসিন তৈরি করে। রান্না করা বা আস্ত খাওয়া রসুনে এই প্রক্রিয়া ঘটেনা।”
রসুন শুধু শরীরিক উপকারই করে না, এটি মানসিক স্বাস্থ্যেরও উপকারে আসে বলে দাবি করেছেন জার্মানির “ফ্রাইবার্গ ইউনিভার্সিটি”-র মনোবিজ্ঞানী ড. সাশা ব্রুকার। তাঁর মতে, “রসুনে থাকা কিছু প্রাকৃতিক যৌগ সেরোটোনিন নিঃসরণে সহায়তা করে, যা মানসিক চাপ কমায় ও মন ভালো রাখে।”
সব মিলিয়ে বলা যায়, দৈনন্দিন জীবনে এক বা দুই কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়ার অভ্যাস করলে অনেক রোগ থেকে বাঁচা সম্ভব। তবে মনে রাখতে হবে, রসুন কোনো ‘ম্যাজিক’ নয়, এটি একটি সহায়ক খাদ্য উপাদান। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম ও মানসিক শান্তির সঙ্গে মিলিয়ে কাঁচা রসুন খেলে এর উপকারিতা সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।
তাই আজ থেকেই খাবারের তালিকায় রাখুন কাঁচা রসুন—কিন্তু সঠিক পরিমাণে, সচেতনভাবে এবং ধৈর্য নিয়ে। কারণ সুস্থতা একদিনে আসে না, আসে ধীরে ধীরে, অভ্যাসের মাধ্যমে।

জনভোগান্তি লাঘবে ট্রাফিক পুলিশের দৃষ্টান্তমূলক উদ্যোগ; আদাবরে অস্ত্রধারী ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তার; আনোয়ারায় চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তার এবং চকরিয়ায় আলোচিত ডাকাতি ও গণধর্ষণ মামলার আসামিদের আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ছোট্ট বন্ধুরা খেলাধুলার পাশাপাশি লেখাপড়া ও সাংস্কৃতিক কাজেও পারদর্শী হতে হবে। তবে অবশ্যই নানা ধরনের খেলা খেলতে হবে। এ বছর এই গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট মাধ্যমিক পর্যায়ে আয়োজন করার পরিকল্পনা আছে। পরের বছর প্রাইম মিনিস্টার কাপের আয়োজন করা হবে।’
৮ ঘণ্টা আগে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ৮৮৭ জন। এর মধ্যে ৮০ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। বাকি ৮০৭ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে।
১২ ঘণ্টা আগে
গতকাল (শুক্রবার) মিয়ানমার বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতের ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।
১২ ঘণ্টা আগে