
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশজুড়ে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। বিশেষ করে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। গত কয়েকদিন ধরেই সারা দেশে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
এদিকে অতিরিক্ত গরমে গা ঘেমে শরীরে বসে যাওয়ায় জ্বর, সর্দি, ডায়রিয়া, হিটস্ট্রোকসহ রোগবালাই বেড়ে চলেছে। শিশু ও বৃদ্ধদের প্রতি বিশেষ যত্ন নিতে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
বুধবার ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি হলেও গরমের অনুভূতি ছিল ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যও তার তাপ ছড়িয়ে গেছে সমানতালে। আর গত সোমবার চলতি মৌসুমে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা ছিল পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায়। তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৯৮১ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে অর্থাৎ গত ৪৩ বছরের মধ্যে যা ছিল সর্বোচ্চ।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়, এদিনে এখানে তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এই মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। গতকালও একই তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায়। এ ছাড়া রাজশাহীতে ৩৯ দশমিক ৩, রংপুরে ৩৪ দশমিক ৩, ময়মনসিংহে ৩৬ দশমিক ৫, সিলেটে ৩৫ দশমিক ৩, চট্টগ্রামে ৩৫, খুলনায় ৩৯ দশমিক ৫ এবং বরিশালে ৩৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ১১ এপ্রিল থেকে শুরু করে পুরো এপ্রিল মাস জুড়েই গরম তার তীব্রতা ছড়াবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ৩৬ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রাকে মৃদু তাপপ্রবাহ, ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত মাঝারি তাপপ্রবাহ, ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তীব্র তাপপ্রবাহ এবং ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ওপরের তাপমাত্রাকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরো জানায়, গত ছয় বছরের মধ্যে এবারের পহেল বৈশাখ ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উত্তপ্ত। সেদিন পয়লা বৈশাখে ৪০ ডিগ্রি নিয়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয় রাঙামাটিতে। আর গত বছরের এই দিনে ৪১ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস দিয়ে সর্বোচ্চ ছিল চুয়াডাঙ্গায়।
এর আগের চার বছর এত তাপমাত্রা ছিল না পয়লা বৈশাখে। ২০২২ সালের পয়লা বৈশাখে রাজশাহীতে ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ২০২১ সালে রাজশাহীতে ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ২০২০ সালে রাঙামাটিতে ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ২০১৯ সালে বাগেরহাটের মোংলায় ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তীব্র গরমে হিটস্ট্রোক হয়। ডায়রিয়াতে আক্রান্ত হয় মানুষ। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য এ সময়টা খুবই শঙ্কার। চর্মরোগ, খিঁচুনি, ক্লান্তিবোধ, মাথাঘোরা, মাথাব্যথা, নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়ার মতো ঘটনা ঘটে।
ইতোমধ্যে গত ৩ এপ্রিলে মাদারীপুরের কালকিনিতে তীব্র গরমে হিটস্ট্রোক করে শুক্কুর আলী নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, হিটস্ট্রোক সবার হতে পারে। তবে শ্রমজীবী মানুষ যেমন- পোশাক কারখানার শ্রমিক, কৃষক, রিকশাচলকসহ যারা খোলা ও বদ্ধ জায়গায় কাজ করেন, তাদের এ শঙ্কা বেশি।
আইসিডিডিআরবি (আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) এই তীব্র তাপমাত্রায় হিটস্ট্রোক প্রতিরোধে কিছু সুপারিশ করেছে।
প্রতিষ্ঠান থেকে বলা হয়, এ সময় পানিশূন্যতার মতো মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললেই প্রতিরোধ করা যায়।
তাপপ্রবাহের সময় ডায়রিয়া, আমাশয়সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। আর এ সময় সুস্থতার নিশ্চিতে তারা দিনের বেলায় যথাসম্ভব বাইরে বের হতে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে বলেছে, বের হলেও রোদ এড়িয়ে চলতে হবে।
* বাইরে বের হলে ছাতা, টুপি/ক্যাপ, বা কাপড় দিয়ে যথাসম্ভব মাথা ঢেকে রাখতে হবে
* হালকা রঙের, ঢিলে ঢালা এবং সম্ভব হলে সুতির পোশাক পরতে হবে
* প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে
* সহজে হজম যোগ্য খাবার খেতে হবে, বাসি ও খোলা খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে
* দিনের বেলায় একটানা শারীরিক পরিশ্রম করা থেকে বিরত থাকতে হবে
* সম্ভব হলে একাধিকবার পানির ঝাপটা বা গোসল করতে হবে
* প্রস্রাবের রঙের দিকে খেয়াল রাখতে হবে; হলুদ বা গাঢ় হলে অবশ্যই পানি পানের পরিমাণ বাড়াতে হবে
* ঘরের পরিবেশ যেন অতিরিক্ত গরম বা ভ্যাপসা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে এবং বেশি অসুস্থ বোধ করলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ঝুঁকিতে যারা
একইসঙ্গে আইসিডিডিআরবি এই সময়ে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীরা রয়েছেন জানিয়ে জানায়, সেইসঙ্গে শ্রমজীবী ব্যক্তি, যেমন রিকশাচালক, কৃষক, নির্মাণশ্রমিক, যাদের ওজন বেশি এবং যারা শারীরিকভাবে অসুস্থ, বিশেষ করে যাদের হৃদরোগ বা উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে।

দেশজুড়ে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। বিশেষ করে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। গত কয়েকদিন ধরেই সারা দেশে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
এদিকে অতিরিক্ত গরমে গা ঘেমে শরীরে বসে যাওয়ায় জ্বর, সর্দি, ডায়রিয়া, হিটস্ট্রোকসহ রোগবালাই বেড়ে চলেছে। শিশু ও বৃদ্ধদের প্রতি বিশেষ যত্ন নিতে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
বুধবার ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি হলেও গরমের অনুভূতি ছিল ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যও তার তাপ ছড়িয়ে গেছে সমানতালে। আর গত সোমবার চলতি মৌসুমে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা ছিল পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায়। তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৯৮১ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে অর্থাৎ গত ৪৩ বছরের মধ্যে যা ছিল সর্বোচ্চ।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়, এদিনে এখানে তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এই মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। গতকালও একই তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায়। এ ছাড়া রাজশাহীতে ৩৯ দশমিক ৩, রংপুরে ৩৪ দশমিক ৩, ময়মনসিংহে ৩৬ দশমিক ৫, সিলেটে ৩৫ দশমিক ৩, চট্টগ্রামে ৩৫, খুলনায় ৩৯ দশমিক ৫ এবং বরিশালে ৩৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ১১ এপ্রিল থেকে শুরু করে পুরো এপ্রিল মাস জুড়েই গরম তার তীব্রতা ছড়াবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ৩৬ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রাকে মৃদু তাপপ্রবাহ, ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত মাঝারি তাপপ্রবাহ, ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তীব্র তাপপ্রবাহ এবং ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ওপরের তাপমাত্রাকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরো জানায়, গত ছয় বছরের মধ্যে এবারের পহেল বৈশাখ ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উত্তপ্ত। সেদিন পয়লা বৈশাখে ৪০ ডিগ্রি নিয়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয় রাঙামাটিতে। আর গত বছরের এই দিনে ৪১ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস দিয়ে সর্বোচ্চ ছিল চুয়াডাঙ্গায়।
এর আগের চার বছর এত তাপমাত্রা ছিল না পয়লা বৈশাখে। ২০২২ সালের পয়লা বৈশাখে রাজশাহীতে ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ২০২১ সালে রাজশাহীতে ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ২০২০ সালে রাঙামাটিতে ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ২০১৯ সালে বাগেরহাটের মোংলায় ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তীব্র গরমে হিটস্ট্রোক হয়। ডায়রিয়াতে আক্রান্ত হয় মানুষ। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য এ সময়টা খুবই শঙ্কার। চর্মরোগ, খিঁচুনি, ক্লান্তিবোধ, মাথাঘোরা, মাথাব্যথা, নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়ার মতো ঘটনা ঘটে।
ইতোমধ্যে গত ৩ এপ্রিলে মাদারীপুরের কালকিনিতে তীব্র গরমে হিটস্ট্রোক করে শুক্কুর আলী নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, হিটস্ট্রোক সবার হতে পারে। তবে শ্রমজীবী মানুষ যেমন- পোশাক কারখানার শ্রমিক, কৃষক, রিকশাচলকসহ যারা খোলা ও বদ্ধ জায়গায় কাজ করেন, তাদের এ শঙ্কা বেশি।
আইসিডিডিআরবি (আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) এই তীব্র তাপমাত্রায় হিটস্ট্রোক প্রতিরোধে কিছু সুপারিশ করেছে।
প্রতিষ্ঠান থেকে বলা হয়, এ সময় পানিশূন্যতার মতো মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললেই প্রতিরোধ করা যায়।
তাপপ্রবাহের সময় ডায়রিয়া, আমাশয়সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। আর এ সময় সুস্থতার নিশ্চিতে তারা দিনের বেলায় যথাসম্ভব বাইরে বের হতে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে বলেছে, বের হলেও রোদ এড়িয়ে চলতে হবে।
* বাইরে বের হলে ছাতা, টুপি/ক্যাপ, বা কাপড় দিয়ে যথাসম্ভব মাথা ঢেকে রাখতে হবে
* হালকা রঙের, ঢিলে ঢালা এবং সম্ভব হলে সুতির পোশাক পরতে হবে
* প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে
* সহজে হজম যোগ্য খাবার খেতে হবে, বাসি ও খোলা খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে
* দিনের বেলায় একটানা শারীরিক পরিশ্রম করা থেকে বিরত থাকতে হবে
* সম্ভব হলে একাধিকবার পানির ঝাপটা বা গোসল করতে হবে
* প্রস্রাবের রঙের দিকে খেয়াল রাখতে হবে; হলুদ বা গাঢ় হলে অবশ্যই পানি পানের পরিমাণ বাড়াতে হবে
* ঘরের পরিবেশ যেন অতিরিক্ত গরম বা ভ্যাপসা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে এবং বেশি অসুস্থ বোধ করলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ঝুঁকিতে যারা
একইসঙ্গে আইসিডিডিআরবি এই সময়ে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীরা রয়েছেন জানিয়ে জানায়, সেইসঙ্গে শ্রমজীবী ব্যক্তি, যেমন রিকশাচালক, কৃষক, নির্মাণশ্রমিক, যাদের ওজন বেশি এবং যারা শারীরিকভাবে অসুস্থ, বিশেষ করে যাদের হৃদরোগ বা উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এসব তথ্য জানান।
৩ ঘণ্টা আগে
সোমবার (১৭ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
সোমবার (১৭ আগস্ট) তাদের ঢাকায় এসে পৌঁছানোদ কথা রয়েছে। দুই দিনের সফরে তারা সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবে।
৬ ঘণ্টা আগে
গ্রিসে পৌঁছানোর আশায় লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগরে পাড়ি দিতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৯ বাংলাদেশি। উদ্ধার করা হয়েছে আরও ২৯ জন বাংলাদেশি নাগরিক।
৬ ঘণ্টা আগে