
ঢাবি প্রতিনিধি

একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যূদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের বেকসুর খালাস পাওয়া এবং এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের হামলার প্রতিবাদে মশাল মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট।
মশাল মিছিল হলপাড়া অতিক্রম করার সময় একদল শিক্ষার্থী ভুয়া ভুয়া বলে মিছিলকারীদের দুয়োধ্বনি দেন।এতে দুপক্ষের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
বুধবার (২৮ মে) সন্ধ্যা ৭ টায় মশাল মিছিল শুরু হয় এরপর হলপাড়া প্রদক্ষিন করে আবার রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ফিরে আসে। প্রতিবাদ সমাবেশ করে।এখানে তারা জামায়াত -শিবিরের এরকম কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানান এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করেন।
এসময় তারা "জামাত শিবির রাজাকার, এই মুহূর্ত বাংলা ছাড়","গুপ্ত বাহিনীর আস্তানা ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও", "শিবিরের আস্তানা ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও","হাসিনা আজহার এই বাংলার গাদ্দার","লীগ গেছে যেই পথে শিবির যাবে সেই পথে" ইত্যাদি স্লোগান স্লোগান দেন।
এ সময় সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি সালমান সিদ্দিকী বলেন, গতকাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের মিছিলে শিবির হামলা চালিয়েছে। আজ চট্টগ্রামে হামলা চালিয়েছে। পুলিশের উপস্থিততে তারা হামলা চালিয়েছে, পুলিশ ও রাষ্ট্রযন্ত্র জামাত শিবিরের পক্ষে কাজ করেছে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় ছিল তখন তারা কোর্টের রায়কে প্রভাবিত করা হতো। ৫ আগস্টের পরেও কোর্টের রায় প্রাভাবিত জামাত শিবিরের পক্ষে হচ্ছে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াত গণহত্যা চালিয়েছে। নিজের দেশের মানুষের বিপক্ষে অস্ত্র ধরেছে। তাদের বিচার বাংলাদেশ হয়নি। ২৪ এর জুলাই গণহত্যার বিচার আমরা চাই সাথে ৭১ এ গণহত্যার বিচারও আমরা চাই।
গণতান্ত্রিক ছাত্রকাউন্সিলের সাধারন সম্পাদক ফাহিম আহমেদ বলেন,ছাত্রলীগের আমলে মিছিলের মধ্যে যেমন মব সৃষ্টি করতে দেখা যেত আজকেও তা হলপাড়ায় শিবিরের মধ্যে দেখা গেছে।
তিনি বলেন,গতকাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রামে শিবিরের হামলা নতুন কিছু না এটি তাদের ঐতিহ্য। আমরা স্পষ্ট বলে দিতে চাই,রাজশাহী এবং চট্রগ্রামে হামলা জামায়াত- শিবিরের এক্ষেত্রে বিরোধীতাকে স্পষ্ট করে, একত্তরের বিরোধী শক্তি এই জামাত-শিবির যাদের হাতে বীরাঙ্গনাদের রক্ত লেগে আছে তারা এদেশে কখনো দাঁড়াতে পারবে না।
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সভাপতি মিতু সরকার বলেন,আওয়ামী ফ্যাসিবাদের জামানা এই ইন্টেরিম বহন করছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ইন্টেরিম।আওয়ামী ফ্যাসিবাদের জনক শেখ মুজিব প্রথম যুদ্ধরাপধীদের মুক্তি দিয়েছে তারই পুনরাবৃত্তি করছে এই ইন্টেরিম।
বিপ্লবী যুব আন্দোলন মহানগরের আহবায়ক নাঈম উদ্দিন বলেন, জামাত -শিবির যে একাত্তরে গণহত্যা চালিয়েছিলো তা আবারও রাজশাহী, চট্রগ্রাম বিপ্লবী কমিউনিস্টের উপর হামলার মাধ্যমে প্রমাণিত।
আজ আমরা দেখতে পাই এই শিবির আদিবাসীরা যখন তাদের দাবির জন্য আন্দোলন করে সেখানে হামলা চালায়,বইমেলায় স্যানিটারি প্যাড বিক্রি করার সময় তৌহিদি জনতা নামে মব সৃষ্টি করে হামলা করে।
তিনি আরও বলেন,এই জামাত -শিবির ভারত বিদ্বেষের কথা বলে কিন্তু ২০১৭ সালে মোদি নির্বাচিত হলে এই জামাত শুভেচ্ছা জানায় অন্যদিকে আমাদের কমিউনিস্ট মাওবাদীরা ভারতের বিপক্ষে যুদ্ধ করছে।

একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যূদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের বেকসুর খালাস পাওয়া এবং এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের হামলার প্রতিবাদে মশাল মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট।
মশাল মিছিল হলপাড়া অতিক্রম করার সময় একদল শিক্ষার্থী ভুয়া ভুয়া বলে মিছিলকারীদের দুয়োধ্বনি দেন।এতে দুপক্ষের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
বুধবার (২৮ মে) সন্ধ্যা ৭ টায় মশাল মিছিল শুরু হয় এরপর হলপাড়া প্রদক্ষিন করে আবার রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ফিরে আসে। প্রতিবাদ সমাবেশ করে।এখানে তারা জামায়াত -শিবিরের এরকম কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানান এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করেন।
এসময় তারা "জামাত শিবির রাজাকার, এই মুহূর্ত বাংলা ছাড়","গুপ্ত বাহিনীর আস্তানা ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও", "শিবিরের আস্তানা ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও","হাসিনা আজহার এই বাংলার গাদ্দার","লীগ গেছে যেই পথে শিবির যাবে সেই পথে" ইত্যাদি স্লোগান স্লোগান দেন।
এ সময় সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি সালমান সিদ্দিকী বলেন, গতকাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের মিছিলে শিবির হামলা চালিয়েছে। আজ চট্টগ্রামে হামলা চালিয়েছে। পুলিশের উপস্থিততে তারা হামলা চালিয়েছে, পুলিশ ও রাষ্ট্রযন্ত্র জামাত শিবিরের পক্ষে কাজ করেছে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় ছিল তখন তারা কোর্টের রায়কে প্রভাবিত করা হতো। ৫ আগস্টের পরেও কোর্টের রায় প্রাভাবিত জামাত শিবিরের পক্ষে হচ্ছে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াত গণহত্যা চালিয়েছে। নিজের দেশের মানুষের বিপক্ষে অস্ত্র ধরেছে। তাদের বিচার বাংলাদেশ হয়নি। ২৪ এর জুলাই গণহত্যার বিচার আমরা চাই সাথে ৭১ এ গণহত্যার বিচারও আমরা চাই।
গণতান্ত্রিক ছাত্রকাউন্সিলের সাধারন সম্পাদক ফাহিম আহমেদ বলেন,ছাত্রলীগের আমলে মিছিলের মধ্যে যেমন মব সৃষ্টি করতে দেখা যেত আজকেও তা হলপাড়ায় শিবিরের মধ্যে দেখা গেছে।
তিনি বলেন,গতকাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রামে শিবিরের হামলা নতুন কিছু না এটি তাদের ঐতিহ্য। আমরা স্পষ্ট বলে দিতে চাই,রাজশাহী এবং চট্রগ্রামে হামলা জামায়াত- শিবিরের এক্ষেত্রে বিরোধীতাকে স্পষ্ট করে, একত্তরের বিরোধী শক্তি এই জামাত-শিবির যাদের হাতে বীরাঙ্গনাদের রক্ত লেগে আছে তারা এদেশে কখনো দাঁড়াতে পারবে না।
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সভাপতি মিতু সরকার বলেন,আওয়ামী ফ্যাসিবাদের জামানা এই ইন্টেরিম বহন করছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ইন্টেরিম।আওয়ামী ফ্যাসিবাদের জনক শেখ মুজিব প্রথম যুদ্ধরাপধীদের মুক্তি দিয়েছে তারই পুনরাবৃত্তি করছে এই ইন্টেরিম।
বিপ্লবী যুব আন্দোলন মহানগরের আহবায়ক নাঈম উদ্দিন বলেন, জামাত -শিবির যে একাত্তরে গণহত্যা চালিয়েছিলো তা আবারও রাজশাহী, চট্রগ্রাম বিপ্লবী কমিউনিস্টের উপর হামলার মাধ্যমে প্রমাণিত।
আজ আমরা দেখতে পাই এই শিবির আদিবাসীরা যখন তাদের দাবির জন্য আন্দোলন করে সেখানে হামলা চালায়,বইমেলায় স্যানিটারি প্যাড বিক্রি করার সময় তৌহিদি জনতা নামে মব সৃষ্টি করে হামলা করে।
তিনি আরও বলেন,এই জামাত -শিবির ভারত বিদ্বেষের কথা বলে কিন্তু ২০১৭ সালে মোদি নির্বাচিত হলে এই জামাত শুভেচ্ছা জানায় অন্যদিকে আমাদের কমিউনিস্ট মাওবাদীরা ভারতের বিপক্ষে যুদ্ধ করছে।

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মেঘনা-গোমতী সেতুতে টোল আদায়ে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আগামী ২০ সেপ্টেম্বর ধার্য করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
পদত্যাগী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ আলী সাংবাদিকদের বলেন, বিরোধী মতের সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল একযোগে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদে মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, তাদের সংসদে উপস্থিত থেকে সদস্যদের বক্তব্য শোনা উচিত। তিনি বলেছেন, ‘কোনো রাষ্ট্রীয় কাজ সংসদ অধিবেশনের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। সকল রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের মধ্যে সংসদ অধিবেশন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়।’
৩ ঘণ্টা আগে
সংসদ সদস্যের বক্তব্যের পর বিষয়গুলো নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
৩ ঘণ্টা আগে