
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল-কলেজ) টিউশন ফি ছাড়াও ২৩ ধরনের নতুন ফি নির্ধারণ করেছে সরকার, যা চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত। ক্যাটাগরিগুলো হলো-মাধ্যমিক (এমপিওভুক্ত ও নন-এমপিওভুক্ত) এবং কলেজ (এমপিওভুক্ত ও নন-এমপিওভুক্ত)।এসব ফি আদায়ের ক্ষেত্রে মহানগর ও জেলা সদরে পৃথক কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৩ নভেম্বর) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলীর সই করা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের টিউশন ফি নীতিমালা-২৪ সংক্রান্ত পরিপত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
নীতিমালায় অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা, মুদ্রণ, টিফিন, ম্যাগাজিন, ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক উৎসব, বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপন, বিভিন্ন ক্লাব গঠন, লাইব্রেরি, কল্যাণ/দারিদ্র্য তহবিল, আইসিটি, বাগান ও বাগান পরিচর্যা, ল্যাবরেটরি, স্কাউট, কমনরুম, পরিচয়পত্র, নবীনবরণ-বিদায় সংবর্ধনা, চিকিৎসা সেবা, বিবিধ, উন্নয়ন, বিদ্যুৎ, শিক্ষা সফর ফি ইত্যাদি খাতে কত টাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আদায় করতে পারবে-এ বিষয়েও নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এই ফি সর্বনিম্ন ১০ থেকে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা।
নীতিমালায় টিউশন ফি নির্ধারণে মহানগর ও জেলা কমিটি করার কথা বলা হয়েছে। মহানগর কমিটিতে সভাপতি হিসেবে থাকবেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার শিক্ষা ও আইসিটি/সার্বিক এবং সদস্য সচিব হিসেবে থাকবেন আঞ্চলিক উপপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।
সদস্য জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি, এমপিওভুক্ত কলেজের একজন অধ্যক্ষ (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত), নন-এমপিও কলেজের একজন অধ্যক্ষ (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত), এমপিওভুক্ত স্কুলের একজন প্রধান শিক্ষক (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত) নন-এমপিও স্কুলের একজন প্রধান শিক্ষক (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত) ও উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।
আর জেলা সদর পৌর এলাকার ও উপজেলার কমিটিতে সভাপতি থাকবেন-জেলা প্রশাসক, সদস্য সচিব হিসেবে থাকবেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। সদস্য হিসেবে থাকবেন উপজেলা পর্যায়ে এমপিওভুক্ত কলেজের একজন অধ্যক্ষ (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত), পৌরসভা পর্যায়ে নন-এমপিও কলেজের একজন অধ্যক্ষ (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত), উপজেলা পর্যায়ে এমপিওভুক্ত স্কুলের একজন প্রধান শিক্ষক (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত) ও উপজেলা পর্যায়ে নন-এমপিও স্কুলের একজন প্ৰধান শিক্ষক (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত) ও উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অক্টোবর মাসের মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্রতিনিধি নির্বাচন করে কমিটির সভাপতিকে অবহিত করবে।
এছাড়া নীতিমালায় মাসিক বেতন/টিউশন ফি এবং তফসিলে বর্ণিত খাতে আদায়কৃত অর্থ তফসিলি ব্যাংকে নির্দিষ্ট হিসাবে রাখার কথা বলা হয়েছে। আরও বলা হয়েছে, কোনো একক খাতে বাৎসরিক আদায় ১০ লাখ টাকার অধিক হলে এ খাতের জন্য আলাদা ব্যাংক হিসাব খুলতে হবে।
আদায়কৃত অর্থ আবশ্যিকভাবে খাতভিত্তিক ব্যয় করতে হবে এবং এক খাতের অর্থ অন্য খাতে ব্যয় করা যাবে না। সব আয় ও ব্যয় ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল-কলেজ) টিউশন ফি ছাড়াও ২৩ ধরনের নতুন ফি নির্ধারণ করেছে সরকার, যা চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত। ক্যাটাগরিগুলো হলো-মাধ্যমিক (এমপিওভুক্ত ও নন-এমপিওভুক্ত) এবং কলেজ (এমপিওভুক্ত ও নন-এমপিওভুক্ত)।এসব ফি আদায়ের ক্ষেত্রে মহানগর ও জেলা সদরে পৃথক কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৩ নভেম্বর) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলীর সই করা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের টিউশন ফি নীতিমালা-২৪ সংক্রান্ত পরিপত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
নীতিমালায় অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা, মুদ্রণ, টিফিন, ম্যাগাজিন, ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক উৎসব, বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপন, বিভিন্ন ক্লাব গঠন, লাইব্রেরি, কল্যাণ/দারিদ্র্য তহবিল, আইসিটি, বাগান ও বাগান পরিচর্যা, ল্যাবরেটরি, স্কাউট, কমনরুম, পরিচয়পত্র, নবীনবরণ-বিদায় সংবর্ধনা, চিকিৎসা সেবা, বিবিধ, উন্নয়ন, বিদ্যুৎ, শিক্ষা সফর ফি ইত্যাদি খাতে কত টাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আদায় করতে পারবে-এ বিষয়েও নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এই ফি সর্বনিম্ন ১০ থেকে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা।
নীতিমালায় টিউশন ফি নির্ধারণে মহানগর ও জেলা কমিটি করার কথা বলা হয়েছে। মহানগর কমিটিতে সভাপতি হিসেবে থাকবেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার শিক্ষা ও আইসিটি/সার্বিক এবং সদস্য সচিব হিসেবে থাকবেন আঞ্চলিক উপপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।
সদস্য জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি, এমপিওভুক্ত কলেজের একজন অধ্যক্ষ (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত), নন-এমপিও কলেজের একজন অধ্যক্ষ (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত), এমপিওভুক্ত স্কুলের একজন প্রধান শিক্ষক (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত) নন-এমপিও স্কুলের একজন প্রধান শিক্ষক (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত) ও উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।
আর জেলা সদর পৌর এলাকার ও উপজেলার কমিটিতে সভাপতি থাকবেন-জেলা প্রশাসক, সদস্য সচিব হিসেবে থাকবেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। সদস্য হিসেবে থাকবেন উপজেলা পর্যায়ে এমপিওভুক্ত কলেজের একজন অধ্যক্ষ (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত), পৌরসভা পর্যায়ে নন-এমপিও কলেজের একজন অধ্যক্ষ (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত), উপজেলা পর্যায়ে এমপিওভুক্ত স্কুলের একজন প্রধান শিক্ষক (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত) ও উপজেলা পর্যায়ে নন-এমপিও স্কুলের একজন প্ৰধান শিক্ষক (শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত) ও উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অক্টোবর মাসের মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্রতিনিধি নির্বাচন করে কমিটির সভাপতিকে অবহিত করবে।
এছাড়া নীতিমালায় মাসিক বেতন/টিউশন ফি এবং তফসিলে বর্ণিত খাতে আদায়কৃত অর্থ তফসিলি ব্যাংকে নির্দিষ্ট হিসাবে রাখার কথা বলা হয়েছে। আরও বলা হয়েছে, কোনো একক খাতে বাৎসরিক আদায় ১০ লাখ টাকার অধিক হলে এ খাতের জন্য আলাদা ব্যাংক হিসাব খুলতে হবে।
আদায়কৃত অর্থ আবশ্যিকভাবে খাতভিত্তিক ব্যয় করতে হবে এবং এক খাতের অর্থ অন্য খাতে ব্যয় করা যাবে না। সব আয় ও ব্যয় ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।

যদিও এসব ভূমিকম্পের বেশিরভাগই মাঝারি বা অপেক্ষাকৃত কম মাত্রার, তবুও বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে আরেকটি বিষয়, আর তা হলো উৎপত্তিস্থলগুলোর অবস্থান।
২ ঘণ্টা আগে
‘গারফিল্ড এআই’ নামের প্রতিষ্ঠানটি গত মাসে ইংল্যান্ডের ওয়ান্ডসওয়ার্থ কাউন্টি কোর্টে একজন ফ্রিল্যান্স কর্মীর বকেয়া পারিশ্রমিক সংক্রান্ত মামলায় জয়লাভ করে। গত বছর যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানটি দেশটির প্রথম এআইভিত্তিক ল’ ফার্ম।
২ ঘণ্টা আগে
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে— ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
৩ ঘণ্টা আগে
উজানের ঢলে বৃদ্ধি পাওয়া তিস্তা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। বর্তমানে নদীটির পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় তিস্তাপাড়ের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
৩ ঘণ্টা আগে