
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর ঢাকা কলেজের বিভিন্ন হলে অভিযান চালিয়ে বিপুল দেশীয় অস্ত্র জব্দ করেছে শিক্ষার্থীরা। অভিযানে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কক্ষ থেকে রামদা, হকিস্টিক, স্ট্যাম্প, লাঠি, পাইপ, রড, হেলমেট ও মদসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঢাকা কলেজের আটটি হলে তল্লাশি চালিয়ে এসব অস্ত্র জব্দ করা হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ, শহিদ ফরহাদ ও ইন্টারন্যাশনাল ইত্যাদি হলে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঢাকা কলেজের অন্যতম সমন্বয়ক রাকিব হোসেন বলেন, যেহেতু আগামী ২০ তারিখ থেকে আমাদের হলগুলোতে সিট বরাদ্দ দেবে, তাই আমরা হলগুলো ক্লিন করার চেষ্টা করছি।
আরেক সমন্বয়ক মুইনুল ইসলাম বলেন, আজকে সাধারণ শিক্ষার্থী ও হল সুপারদের নিয়ে হলগুলোতে অভিযান চালানো হয়। এতে বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র, রামদা, গাজা, হকিস্টিক ইত্যাদি পেয়েছি। তিনি আরও বলেন, আমরা যখন সকালে এখানে আসি, তখন দেখি প্রত্যেকটা হল আগে থেকে খোলা। কারা হল খুলেছে তার দায়ভার হল প্রশাসনকে নিতে হবে।
রসায়ন বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, আজকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা হলগুলোতে ছাত্রলীগের নেতাদের রুমগুলোতে অভিযান চালিয়েছে। আমাদের হলগুলোতে সাধারণ ছাত্ররা কখনো বুক ফুলিয়ে কথা বলতে পারতো না। তাদের বাক স্বাধীনতা বা গণতন্ত্র চর্চা কোনোটি ছিল না।
দক্ষিণ হল সুপার আনোয়ারুল হক বলেন, আমরা বার বার বলেছি হলগুলোতে অভিযানের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু কখনো কোনো অভিযান করা হয়নি। যেসব শিক্ষক অতীতে ছাত্রলীগ করে আসছেন, বা মন্ত্রী বা এমপিদের যেসব আত্মীয় স্বজন ছিলেন, তাদের ছত্রছায়ায় এসব করার সুযোগ পেয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি বার বার বলেছি আমি হল সুপারের দায়িত্বে থাকবো না। কিন্তু তারা বলে এখানে কোনো হল সুপারই আসতে চায় না

রাজধানীর ঢাকা কলেজের বিভিন্ন হলে অভিযান চালিয়ে বিপুল দেশীয় অস্ত্র জব্দ করেছে শিক্ষার্থীরা। অভিযানে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কক্ষ থেকে রামদা, হকিস্টিক, স্ট্যাম্প, লাঠি, পাইপ, রড, হেলমেট ও মদসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঢাকা কলেজের আটটি হলে তল্লাশি চালিয়ে এসব অস্ত্র জব্দ করা হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ, শহিদ ফরহাদ ও ইন্টারন্যাশনাল ইত্যাদি হলে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঢাকা কলেজের অন্যতম সমন্বয়ক রাকিব হোসেন বলেন, যেহেতু আগামী ২০ তারিখ থেকে আমাদের হলগুলোতে সিট বরাদ্দ দেবে, তাই আমরা হলগুলো ক্লিন করার চেষ্টা করছি।
আরেক সমন্বয়ক মুইনুল ইসলাম বলেন, আজকে সাধারণ শিক্ষার্থী ও হল সুপারদের নিয়ে হলগুলোতে অভিযান চালানো হয়। এতে বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র, রামদা, গাজা, হকিস্টিক ইত্যাদি পেয়েছি। তিনি আরও বলেন, আমরা যখন সকালে এখানে আসি, তখন দেখি প্রত্যেকটা হল আগে থেকে খোলা। কারা হল খুলেছে তার দায়ভার হল প্রশাসনকে নিতে হবে।
রসায়ন বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, আজকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা হলগুলোতে ছাত্রলীগের নেতাদের রুমগুলোতে অভিযান চালিয়েছে। আমাদের হলগুলোতে সাধারণ ছাত্ররা কখনো বুক ফুলিয়ে কথা বলতে পারতো না। তাদের বাক স্বাধীনতা বা গণতন্ত্র চর্চা কোনোটি ছিল না।
দক্ষিণ হল সুপার আনোয়ারুল হক বলেন, আমরা বার বার বলেছি হলগুলোতে অভিযানের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু কখনো কোনো অভিযান করা হয়নি। যেসব শিক্ষক অতীতে ছাত্রলীগ করে আসছেন, বা মন্ত্রী বা এমপিদের যেসব আত্মীয় স্বজন ছিলেন, তাদের ছত্রছায়ায় এসব করার সুযোগ পেয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি বার বার বলেছি আমি হল সুপারের দায়িত্বে থাকবো না। কিন্তু তারা বলে এখানে কোনো হল সুপারই আসতে চায় না

প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত গ্রামগুলো হলো- রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার পানখালী এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর।
৩ ঘণ্টা আগে
মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত প্রসারিত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায
৩ ঘণ্টা আগে
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এবার দেশের ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে যতজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল সবাই পাস করেছে। অন্যদিকে দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সবাই ফেল
৪ ঘণ্টা আগে
এবার সবচেয়ে কম পাসের হার মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
৪ ঘণ্টা আগে