
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চলমান উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের ভুল থাকা দুটি প্রশ্নের জন্য শিক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হওয়ার পর প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
রুমিন ফারহানা প্রশ্নে করেন, গত কয়েক দিন ধরে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বড় শহরগুলোতে জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীদের চলাচলে সমস্যা হয়েছে। এ অবস্থায় পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা পেছানোর দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তিনি জানতে চান, এইচএসসির মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা এক বা দুই দিন পেছানো হলে কী ধরনের সমস্যা হতো।
জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পদার্থবিজ্ঞানের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল ছিল। তবে ওই দুই প্রশ্নের জন্য শিক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র চার মাস হয়েছে। এর আগেই প্রশ্নপত্র তৈরি ও মডারেশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। প্রশ্ন মডারেশনের কাজ সাধারণত দুই বছর আগে থেকে শুরু করতে হয়। ফলে নতুন করে প্রশ্ন প্রস্তুতের সুযোগ ছিল না। আগের সরকারের সময় দায়িত্বে থাকা মডারেটররাই প্রশ্নপত্র তৈরি করেছিলেন।
আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ভুলের বিষয়টি জানার পর দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নের পূর্ণ নম্বর শিক্ষার্থীদের দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সারাদিন যোগাযোগ রাখা হয়েছে এবং তারা জানিয়েছেন, পরীক্ষা স্বাভাবিক ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, শুধু কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে একটি ঘটনা ঘটেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেখানেও সুষ্ঠুভাবেই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
রাজনীতি/আরআইআর

চলমান উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের ভুল থাকা দুটি প্রশ্নের জন্য শিক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হওয়ার পর প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
রুমিন ফারহানা প্রশ্নে করেন, গত কয়েক দিন ধরে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বড় শহরগুলোতে জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীদের চলাচলে সমস্যা হয়েছে। এ অবস্থায় পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা পেছানোর দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তিনি জানতে চান, এইচএসসির মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা এক বা দুই দিন পেছানো হলে কী ধরনের সমস্যা হতো।
জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পদার্থবিজ্ঞানের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল ছিল। তবে ওই দুই প্রশ্নের জন্য শিক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র চার মাস হয়েছে। এর আগেই প্রশ্নপত্র তৈরি ও মডারেশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। প্রশ্ন মডারেশনের কাজ সাধারণত দুই বছর আগে থেকে শুরু করতে হয়। ফলে নতুন করে প্রশ্ন প্রস্তুতের সুযোগ ছিল না। আগের সরকারের সময় দায়িত্বে থাকা মডারেটররাই প্রশ্নপত্র তৈরি করেছিলেন।
আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ভুলের বিষয়টি জানার পর দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নের পূর্ণ নম্বর শিক্ষার্থীদের দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সারাদিন যোগাযোগ রাখা হয়েছে এবং তারা জানিয়েছেন, পরীক্ষা স্বাভাবিক ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, শুধু কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে একটি ঘটনা ঘটেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেখানেও সুষ্ঠুভাবেই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
রাজনীতি/আরআইআর

শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরবি বিভাগের সাতজন; ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ, অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং আইন বিভাগের তিনজন করে শিক্ষার্থী রয়েছেন। ভূগোল ও পরিবেশ, ইংরেজি এবং দর্শন বিভাগ থেকে শাস্তি
২ দিন আগে
নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
২ দিন আগে
বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার জনমিতিক পরিবর্তন নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। সরকারগুলো যদি এখনই স্কুলব্যবস্থার পরিকল্পনা করে এবং এই পরিবর্তন থেকে পাওয়া সুবিধা আবার শিক্ষায় বিনিয়োগ করে, তাহলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়াকে প্রতিটি শিশুর জন্য আরও উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করার স
২ দিন আগে
নির্দেশনায় বলা হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব দাপ্তরিক মূল ভবন এবং জেলা পরিষদের আওতাধীন স্থাপনাগুলোতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে।
২ দিন আগে