
ক্রীড়া ডেস্ক

৪৫ রাতে ৩ উইকেট হারানোর পর সেই পুরনো চিত্রনাট্যের মতো ব্যাটিং লাইনআপে বড় ধরনের ধসের শঙ্কাই ছিল অনুমিত। প্রথম সেশনের বাকি প্রায় ১২ ওভার নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দিয়ে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত আর অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ভরসা দিয়েছিলেন। দিনের শেষ সেশনে সেঞ্চুরি পূরণ করে শেষ বল পর্যন্ত অপরাজিত থেকে এক অনন্য দিনই উপহার দিলেন দুজনে। প্রথম দিন শেষ হয়েছে ২৯২/৩ স্কোরকার্ড নিয়ে।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) শ্রীলংকার গলে ২০২৫-২৭ ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ সাইকেলের প্রথম টেস্টে শ্রীলংকার মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। ৩ উইকেটে ২৯২ রান নিয়ে দিন শেষ করে এই টেস্টের প্রথম দিনটি পুরোটাই বাংলাদেশ নিজেদের করে নিয়েছে। দুজন গড়েছেন চতুর্থ উইকেটে লংকানদের বিপক্ষে রেকর্ড ২৪৭ রানের জুটি।
টসে জিতে ব্যাটিং নিয়েছিলেন অধিনায়ক শান্ত। দুই ওপেনারসহ ওয়ান ডাউনে নামা মুমিনুল হকও সে সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত মুশফিকের সঙ্গে জুটি গড়ে অধিনায়ক শান্ত নিজেই সে সিদ্ধান্ত সঠিক করার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন।
দিন শেষে ২৬০ বলে ১৩৬ রানে অপরাজিত শান্ত, মুশফিক অপরাজিত ১৮৬ বলে ১০৫ রানে। দুজনে মিলে ৭৩ ওভার ৫ বল (৪৪৩ বল) খেলে গড়েছেন অপরাজিত ২৪৭ রানের জুটি। এর মধ্যে
দিনের খেলা শেষ হওয়ার ওভার পাঁচেক আগে ৮৬তম ওভারের তৃতীয় বলে সিংগেল নিয়ে সেঞ্চুরি পূরণ করেন মুশফিকুর রহিম। টেস্টের ১২তম সেঞ্চুরি পূরণ করতে তিনি খেলেন ১৭৬ বল। ইনিংসে কোনো ছক্কা নেই, বাউন্ডারি মাত্র পাঁচটি।
এরও ১৩ ওভার আগে ৭৪তম ওভারের পঞ্চম বলে ডাবল নিয়ে শতক পূরণ করেন শান্ত। টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ এই সেঞ্চুরি তুলে নিতে শান্ত খেলেন ২০২ বল। দিন শেষে এক ছক্কার সঙ্গে ইনিংসে রয়েছে ১৪টি বাউন্ডারি।
এ নিয়ে শান্ত সেঞ্চুরি পেলেন ১৯ মাস আর ২০ ইনিংস পর। সবশেষ ২০২৩ সালের নভেম্বরে সিলেটে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
মুশফিকের অপেক্ষা অবশ্য এত বেশি নয়। গত বছরের আগস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্টে খেলেছিলেন ১৯১ রানের ইনিংস। এর পরের পারফরম্যান্স অবশ্য ছিল বিস্মরণযোগ্য। ১৩ ইনিংসে সাকুল্যে সংগ্রহ ১৮৮, সর্বোচ্চ ৪০ করেছেন শেষ ইনিংসটিতে। এর আগের চার ইনিংস ৪, ৪, ২, ০। রীতিমতো দলে স্থান নিয়েই প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। গলের সেঞ্চুরি তাই স্বস্তি হয়েই এসেছে মুশির জন্য।
দিনের শুরুটা অবশ্য শান্তদের জন্য ছিল চরম ভঙ্গুর। শুরুতেই এলোমেলো টাইগারদের ব্যাটিং অর্ডার। পঞ্চম ওভারেই প্রথম উইকেটের পতন। ১০ বল খেলে কোনো রান সংগ্রহ না করেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন এনামুল হক বিজয়। দলের সংগ্রহ তখন মাত্র ৫ রান।
আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম আর ওয়ান ডাউনে নামা মুমিনুল পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে তাদের প্রতিরোধ খুব একটা স্থায়ী হয়নি। ১৫তম ওভারের শেষ বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিং রুমে ফেরেন সাদমান। নামের পাশে ৫৩ বলে ১৪ রান।
মুমিনুল বেশ স্বচ্ছন্দেই লংকার বোলারদের খেলছিলেন মনে হচ্ছিল। ৩২ বলে ২৯ রান সংগ্রহ করে ফেলেছিলেন। এর মধ্যে চারটি বাউন্ডারিও হাঁকিয়েছিলেন। কিন্তু সাদমান আউট হয়ে যাওয়ার এক ওভার পরই মনোযোগ হারান। ১৭তম ওভারের প্রথম বলেই ক্যাচ দিয়ে আউট হয়ে যান।
শেষ দুটি উইকেটই পেয়েছেন অভিষিক্ত শ্রীলংকান স্পিনার থারিন্দু রথনায়েক। দিনের ৯০ ওভারের মধ্যে ৩২ ওভারই তিনি করেছেন। রান দিয়েছেন ১২৪টি। অন্য উইকেটটি নিয়েছেন পেসার আসিথা ফার্নান্দো। বাকি আর কোনো বোলার সাফল্যের মুখ দেখেননি।

৪৫ রাতে ৩ উইকেট হারানোর পর সেই পুরনো চিত্রনাট্যের মতো ব্যাটিং লাইনআপে বড় ধরনের ধসের শঙ্কাই ছিল অনুমিত। প্রথম সেশনের বাকি প্রায় ১২ ওভার নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দিয়ে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত আর অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ভরসা দিয়েছিলেন। দিনের শেষ সেশনে সেঞ্চুরি পূরণ করে শেষ বল পর্যন্ত অপরাজিত থেকে এক অনন্য দিনই উপহার দিলেন দুজনে। প্রথম দিন শেষ হয়েছে ২৯২/৩ স্কোরকার্ড নিয়ে।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) শ্রীলংকার গলে ২০২৫-২৭ ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ সাইকেলের প্রথম টেস্টে শ্রীলংকার মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। ৩ উইকেটে ২৯২ রান নিয়ে দিন শেষ করে এই টেস্টের প্রথম দিনটি পুরোটাই বাংলাদেশ নিজেদের করে নিয়েছে। দুজন গড়েছেন চতুর্থ উইকেটে লংকানদের বিপক্ষে রেকর্ড ২৪৭ রানের জুটি।
টসে জিতে ব্যাটিং নিয়েছিলেন অধিনায়ক শান্ত। দুই ওপেনারসহ ওয়ান ডাউনে নামা মুমিনুল হকও সে সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত মুশফিকের সঙ্গে জুটি গড়ে অধিনায়ক শান্ত নিজেই সে সিদ্ধান্ত সঠিক করার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন।
দিন শেষে ২৬০ বলে ১৩৬ রানে অপরাজিত শান্ত, মুশফিক অপরাজিত ১৮৬ বলে ১০৫ রানে। দুজনে মিলে ৭৩ ওভার ৫ বল (৪৪৩ বল) খেলে গড়েছেন অপরাজিত ২৪৭ রানের জুটি। এর মধ্যে
দিনের খেলা শেষ হওয়ার ওভার পাঁচেক আগে ৮৬তম ওভারের তৃতীয় বলে সিংগেল নিয়ে সেঞ্চুরি পূরণ করেন মুশফিকুর রহিম। টেস্টের ১২তম সেঞ্চুরি পূরণ করতে তিনি খেলেন ১৭৬ বল। ইনিংসে কোনো ছক্কা নেই, বাউন্ডারি মাত্র পাঁচটি।
এরও ১৩ ওভার আগে ৭৪তম ওভারের পঞ্চম বলে ডাবল নিয়ে শতক পূরণ করেন শান্ত। টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ এই সেঞ্চুরি তুলে নিতে শান্ত খেলেন ২০২ বল। দিন শেষে এক ছক্কার সঙ্গে ইনিংসে রয়েছে ১৪টি বাউন্ডারি।
এ নিয়ে শান্ত সেঞ্চুরি পেলেন ১৯ মাস আর ২০ ইনিংস পর। সবশেষ ২০২৩ সালের নভেম্বরে সিলেটে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
মুশফিকের অপেক্ষা অবশ্য এত বেশি নয়। গত বছরের আগস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্টে খেলেছিলেন ১৯১ রানের ইনিংস। এর পরের পারফরম্যান্স অবশ্য ছিল বিস্মরণযোগ্য। ১৩ ইনিংসে সাকুল্যে সংগ্রহ ১৮৮, সর্বোচ্চ ৪০ করেছেন শেষ ইনিংসটিতে। এর আগের চার ইনিংস ৪, ৪, ২, ০। রীতিমতো দলে স্থান নিয়েই প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। গলের সেঞ্চুরি তাই স্বস্তি হয়েই এসেছে মুশির জন্য।
দিনের শুরুটা অবশ্য শান্তদের জন্য ছিল চরম ভঙ্গুর। শুরুতেই এলোমেলো টাইগারদের ব্যাটিং অর্ডার। পঞ্চম ওভারেই প্রথম উইকেটের পতন। ১০ বল খেলে কোনো রান সংগ্রহ না করেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন এনামুল হক বিজয়। দলের সংগ্রহ তখন মাত্র ৫ রান।
আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম আর ওয়ান ডাউনে নামা মুমিনুল পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে তাদের প্রতিরোধ খুব একটা স্থায়ী হয়নি। ১৫তম ওভারের শেষ বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিং রুমে ফেরেন সাদমান। নামের পাশে ৫৩ বলে ১৪ রান।
মুমিনুল বেশ স্বচ্ছন্দেই লংকার বোলারদের খেলছিলেন মনে হচ্ছিল। ৩২ বলে ২৯ রান সংগ্রহ করে ফেলেছিলেন। এর মধ্যে চারটি বাউন্ডারিও হাঁকিয়েছিলেন। কিন্তু সাদমান আউট হয়ে যাওয়ার এক ওভার পরই মনোযোগ হারান। ১৭তম ওভারের প্রথম বলেই ক্যাচ দিয়ে আউট হয়ে যান।
শেষ দুটি উইকেটই পেয়েছেন অভিষিক্ত শ্রীলংকান স্পিনার থারিন্দু রথনায়েক। দিনের ৯০ ওভারের মধ্যে ৩২ ওভারই তিনি করেছেন। রান দিয়েছেন ১২৪টি। অন্য উইকেটটি নিয়েছেন পেসার আসিথা ফার্নান্দো। বাকি আর কোনো বোলার সাফল্যের মুখ দেখেননি।

তিনি বলেন, গ্রামে মাসে ৭৫ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় না। এ কারণে যারা মাসে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন, তাদের জন্য বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। প্রান্তিক মানুষ যাতে কষ্ট না পান, সে বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান গণমাধ্যমকে জানান, আগামী সপ্তাহের মধ্যবর্তী সময়ে (১৯ থেকে ২৩ জুলাই) উজানের ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চলের প্রধান নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়তে পারে। বিশেষ করে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে লাল
২১ ঘণ্টা আগে
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার প্রভাবে বরগুনার প্রধান তিন নদী—পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বরের পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে প্রায় দুই থেকে তিন ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। পানির তোড়ে বরগুনার বড়ইতলা ও পুরকাটা ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে সড়ক সম্পূর্ণ তলিয়ে গেছে।
১ দিন আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের যেসব এলাকা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেসব এলাকায় সরকারের পক্ষ থেকে জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে তারা দ্রুত
১ দিন আগে