
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নিয়ে মোহাম্মদ আকরাম হোসেন (২৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বিকালে তার এক সহযোদ্ধা রাশিয়া থেকে নিহত ওই যুবকের গ্রামের বাড়িতে এ খবর জানান। নিহত আকরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের মোরশেদ মিয়ার ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র বলেছে, দিনমজুর বাবার সংসারের সচ্ছলতা ও নিজের ভবিষ্যতের আশায় ১১ মাস আগে ধারদেনা করে রাশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন আকরাম। সেখানে যাবার পর আট মাস সেখানকার একটি চায়না কোম্পানিতে ওয়েল্ডার হিসেবে চাকরি করেন তিনি।
আড়াই মাস আগে তিনি রুশ সেনাবাহিনীতে চুক্তিভিত্তিক যোদ্ধা হিসেবে যোগ দেন। রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়ার ছবিও নিজের ফেসবুকে আপলোড করেছিলেন আকরাম।
এ প্রসঙ্গে আকরামের বাবা মোরশেদ মিয়া বলেন, কোম্পানিতে ভালো বেতন না পাওয়ায় দালালের প্রলোভনে চুক্তিভিত্তিক যোদ্ধা হিসেবে আকরাম রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। শর্ত ছিল যুদ্ধের সম্মুখসারিতে থাকতে হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হলেও আকরাম জানিয়েছিলেন, তার আর ফিরে আসার উপায় নেই।
আকরামের মা মোবিনা বেগম বলেন, যুদ্ধ চলাকালে ছেলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হলেও ১৩ এপ্রিল থেকে কোনো যোগাযোগ নেই। শুক্রবার তার এক সহযোদ্ধা ফোন করে জানান, যুদ্ধে ইউক্রেন সেনাবাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আকরাম নিহত হয়েছেন।
আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাফে মোহাম্মদ ছড়া বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জেনে মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছি। সেখান থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, মরদেহটি কোথায় আছে সেটি পরিবারকে প্রথমে শনাক্ত করতে হবে। সেই অনুযায়ী কাগজপত্র সংগ্রহ করে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আবেদনের পর তারা ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে গত ২৭ মার্চ ইউক্রেনে যুদ্ধরত অবস্থায় নিহত হন আরেক বাংলাদেশি যুবক ইয়াসিন শেখ। তার বাড়ি ময়মনসিংহের গৌরীপুরে। পরিবার জানিয়েছিল, ইয়াসিন রাশিয়ায় একটি কোম্পানিতে চাকরি করছিলেন। পরে দালালের খপ্পরে পড়ে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার সময় ইয়াসিনের মা ও বড় ভাইকে ঢাকায় নিয়ে অনাপত্তিপত্রে স্বাক্ষর নেন ইয়াসিনকে রাশিয়ায় পাঠানো এজেন্সির লোকজন। এ পর্যন্ত অন্তত ১০০ তরুণ এভাবে দেশটিতে গেছেন। তাদের মধ্যে তিনজন নিহত ও বেশ কয়েকজনের আহত হওয়ার খবরও এসেছে। বিষয়টি নজরে আসার পর ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ আন্তর্জাতিক তিন বিমানবন্দরেই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
গত জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়াগামী সন্দেহে ১১ তরুণকে ঢাকার বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নিয়ে মোহাম্মদ আকরাম হোসেন (২৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বিকালে তার এক সহযোদ্ধা রাশিয়া থেকে নিহত ওই যুবকের গ্রামের বাড়িতে এ খবর জানান। নিহত আকরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের মোরশেদ মিয়ার ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র বলেছে, দিনমজুর বাবার সংসারের সচ্ছলতা ও নিজের ভবিষ্যতের আশায় ১১ মাস আগে ধারদেনা করে রাশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন আকরাম। সেখানে যাবার পর আট মাস সেখানকার একটি চায়না কোম্পানিতে ওয়েল্ডার হিসেবে চাকরি করেন তিনি।
আড়াই মাস আগে তিনি রুশ সেনাবাহিনীতে চুক্তিভিত্তিক যোদ্ধা হিসেবে যোগ দেন। রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়ার ছবিও নিজের ফেসবুকে আপলোড করেছিলেন আকরাম।
এ প্রসঙ্গে আকরামের বাবা মোরশেদ মিয়া বলেন, কোম্পানিতে ভালো বেতন না পাওয়ায় দালালের প্রলোভনে চুক্তিভিত্তিক যোদ্ধা হিসেবে আকরাম রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। শর্ত ছিল যুদ্ধের সম্মুখসারিতে থাকতে হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হলেও আকরাম জানিয়েছিলেন, তার আর ফিরে আসার উপায় নেই।
আকরামের মা মোবিনা বেগম বলেন, যুদ্ধ চলাকালে ছেলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হলেও ১৩ এপ্রিল থেকে কোনো যোগাযোগ নেই। শুক্রবার তার এক সহযোদ্ধা ফোন করে জানান, যুদ্ধে ইউক্রেন সেনাবাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আকরাম নিহত হয়েছেন।
আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাফে মোহাম্মদ ছড়া বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জেনে মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছি। সেখান থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, মরদেহটি কোথায় আছে সেটি পরিবারকে প্রথমে শনাক্ত করতে হবে। সেই অনুযায়ী কাগজপত্র সংগ্রহ করে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আবেদনের পর তারা ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে গত ২৭ মার্চ ইউক্রেনে যুদ্ধরত অবস্থায় নিহত হন আরেক বাংলাদেশি যুবক ইয়াসিন শেখ। তার বাড়ি ময়মনসিংহের গৌরীপুরে। পরিবার জানিয়েছিল, ইয়াসিন রাশিয়ায় একটি কোম্পানিতে চাকরি করছিলেন। পরে দালালের খপ্পরে পড়ে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার সময় ইয়াসিনের মা ও বড় ভাইকে ঢাকায় নিয়ে অনাপত্তিপত্রে স্বাক্ষর নেন ইয়াসিনকে রাশিয়ায় পাঠানো এজেন্সির লোকজন। এ পর্যন্ত অন্তত ১০০ তরুণ এভাবে দেশটিতে গেছেন। তাদের মধ্যে তিনজন নিহত ও বেশ কয়েকজনের আহত হওয়ার খবরও এসেছে। বিষয়টি নজরে আসার পর ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ আন্তর্জাতিক তিন বিমানবন্দরেই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
গত জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়াগামী সন্দেহে ১১ তরুণকে ঢাকার বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

‘এই আন্দোলনে অংশ নেয়া কোটি কোটি যুবক এখনও জীবিত রয়েছেন। বাংলাদেশের জনগণ আওয়ামী লীগ ও ফ্যাসিবাদকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। আমরা তাদের ফাঁসির দড়ি হাতে নিয়ে বসে আছি। তারা আসুক বাংলাদেশে, আমরাও দেখিয়ে দেবো যে বাংলাদেশের জনগণ কীভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে জানেন; যা ২০২৪ সালের জুলাই মাসে আমরা দেখিয়েছি।’
১৩ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ফুটবল ম্যাচটি দেখার পর দুই সাংবাদিক মোটরসাইকেলে করে জসিমউদ্দীন মোড় থেকে রাজলক্ষ্মীর মাঝামাঝি এলাকায় পৌঁছালে একটি দ্রুতগতির বাস তাদের চাপা দেয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষ
১৫ ঘণ্টা আগে
ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী এবং এখনো ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হওয়া ব্যক্তিরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
এ বছর "বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় দেশের সকল সেনানিবাস, ডিওএইচএস এবং জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্প এলাকার উপযুক্ত স্থানে ফলজ, বনজ, ওষধি এবং সৌন্দর্যবর্ধক বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হবে। সেনাবাহিনীর এই বৃক্ষরোপণ অভ
১৫ ঘণ্টা আগে