
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কেউ থানায় মামলা করতে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সত্যতা যাচাইয়ের সুযোগ থাকে না বলে পুলিশকে মামলা নিতেই হয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। তবে মামলা হলেই তদন্তে জড়িত না পাওয়া গেলে নিরীহ কাউকে গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
পুলিশ সপ্তাহ সামনে রেখে সোমবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানী ঢাকার বেইলি রোডে অবস্থিত ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি বাহারুল হক বলেন, কেউ মামলা করতে এলে সেটার সত্য-মিথ্যা যাচাই করার সুযোগ পুলিশের নেই। মামলা এখন সবাই নিজের হাতে লিখে নিয়ে আসে। সেটি পুলিশকে মামলা হিসেবে রুজু করতে হয়। যাচাই করার সুযোগ নেই। পরে তদন্ত করে দেখা হয় অভিযোগ কতটুকু সত্য বা কতটুকু মিথ্যা। সত্যটুকু তদন্তে উঠিয়ে আমরা আদালতে পাঠাই।
মামলা নিতে হলেও তদন্তের সময় জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া না গেলে কাউকে গ্রেপ্তার না করার কথা জানিয়ে আইজিপি বলেন, মামলা হলেই গ্রেপ্তার করা যাবে না। তদন্তে যার বিরুদ্ধে দায়ভার পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে মামলা দিয়ে নিরীহ মানুষকে হয়রানির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, মামলা মিথ্যা না, মামলা সত্যই। তবে আসামির সংখ্যা বাড়িয়ে দেওয়া— এই জায়গাটা আমরা বন্ধ করতে পারছি না। আইনেও এই সীমাবদ্ধতা আমাদের রয়েছে।
আইজিপি বলেন, ৫ আগস্টের পর দেখা গেছে, অপরাধ হয়তো করেছেন পাঁচজন বা দশজন। কিন্তু অসৎ উদ্দেশ্যে, অর্থ আদায়ের জন্য, কাউকে হয়রানি করার জন্য, ভয় দেখিয়ে ৩০০ লোকের নামে মামলা দিয়ে দিয়েছে।
আসামি করে হয়রানি করা হলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধ করেন পুলিশ প্রধান। বলেন, আমরা মামলা দিয়ে কাউকে হয়রানির জায়গাটা বন্ধ করতে চাই। এ জন্য আমিও অনেক সময় থানায় ফোন দিয়ে কথা বলছি।
নাগরিকদেরও পুলিশের কাছে অন্যায় আবদার না করার অনুরোধ জানিয়ে বাহারুল আলম বলেন, অনেক সময় অন্যায় আবদারের মুখোমুখি হই। ওমুককে বন্দি করেন, ওমুককে ছেড়ে দেন, ওমুককে পদক দেন— এমন অনেক আবদার আসে। দেশবাসীর কাছে অনুরোধ, আমাদের ভুল-ত্রুটি ধরিয়ে দিন। তবে আমাদের কাছে যেন কোনো অন্যায় আবদার করা না হয়।

কেউ থানায় মামলা করতে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সত্যতা যাচাইয়ের সুযোগ থাকে না বলে পুলিশকে মামলা নিতেই হয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। তবে মামলা হলেই তদন্তে জড়িত না পাওয়া গেলে নিরীহ কাউকে গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
পুলিশ সপ্তাহ সামনে রেখে সোমবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানী ঢাকার বেইলি রোডে অবস্থিত ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি বাহারুল হক বলেন, কেউ মামলা করতে এলে সেটার সত্য-মিথ্যা যাচাই করার সুযোগ পুলিশের নেই। মামলা এখন সবাই নিজের হাতে লিখে নিয়ে আসে। সেটি পুলিশকে মামলা হিসেবে রুজু করতে হয়। যাচাই করার সুযোগ নেই। পরে তদন্ত করে দেখা হয় অভিযোগ কতটুকু সত্য বা কতটুকু মিথ্যা। সত্যটুকু তদন্তে উঠিয়ে আমরা আদালতে পাঠাই।
মামলা নিতে হলেও তদন্তের সময় জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া না গেলে কাউকে গ্রেপ্তার না করার কথা জানিয়ে আইজিপি বলেন, মামলা হলেই গ্রেপ্তার করা যাবে না। তদন্তে যার বিরুদ্ধে দায়ভার পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে মামলা দিয়ে নিরীহ মানুষকে হয়রানির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, মামলা মিথ্যা না, মামলা সত্যই। তবে আসামির সংখ্যা বাড়িয়ে দেওয়া— এই জায়গাটা আমরা বন্ধ করতে পারছি না। আইনেও এই সীমাবদ্ধতা আমাদের রয়েছে।
আইজিপি বলেন, ৫ আগস্টের পর দেখা গেছে, অপরাধ হয়তো করেছেন পাঁচজন বা দশজন। কিন্তু অসৎ উদ্দেশ্যে, অর্থ আদায়ের জন্য, কাউকে হয়রানি করার জন্য, ভয় দেখিয়ে ৩০০ লোকের নামে মামলা দিয়ে দিয়েছে।
আসামি করে হয়রানি করা হলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধ করেন পুলিশ প্রধান। বলেন, আমরা মামলা দিয়ে কাউকে হয়রানির জায়গাটা বন্ধ করতে চাই। এ জন্য আমিও অনেক সময় থানায় ফোন দিয়ে কথা বলছি।
নাগরিকদেরও পুলিশের কাছে অন্যায় আবদার না করার অনুরোধ জানিয়ে বাহারুল আলম বলেন, অনেক সময় অন্যায় আবদারের মুখোমুখি হই। ওমুককে বন্দি করেন, ওমুককে ছেড়ে দেন, ওমুককে পদক দেন— এমন অনেক আবদার আসে। দেশবাসীর কাছে অনুরোধ, আমাদের ভুল-ত্রুটি ধরিয়ে দিন। তবে আমাদের কাছে যেন কোনো অন্যায় আবদার করা না হয়।

মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে এক ফেসবুক পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য ও ওসমান হাদি হত্যা নিজের অভিমত তুলে ধরেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা আজ আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে বিচারকের প্রশ্নের জবাবে মাফ চেয়ে ন্যায়বিচার চেয়েছেন। আদালতে তিনি বলেছেন, ‘ডলারকে ধরেন স্যার, সেও তো দোষী।’ সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারও নিজেকে ‘নির্দোষ’ দাবি করে ন্
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ জেমসন গ্রিয়ার এক বিবৃতিতে বলেছেন, "জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে তৈরি পণ্য আমদানির বিষয়টি মোকাবিলায় আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদারদের ব্যর্থতা অগ্রহণযোগ্য।
৭ ঘণ্টা আগে
বীর মুক্তিযোদ্ধা রহমতুল্লাহ আমৃত্যু আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। তিনি পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। ১৯৮৬ সালে তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৫ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ সালে তিনি
৭ ঘণ্টা আগে